সামাজিক বিজ্ঞান Archives - Proshikkhon

Posts Tagged "সামাজিক বিজ্ঞান"

30May2021

Competency based curriculum at primary level in Bangladesh

প্রাথমিক শিক্ষা স্তরের যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষাক্রম

বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা স্তরের যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষাক্রম প্রণয়নের কাজ শুরু হয় ১৯৮৬ সালে এবং এই যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষাক্রম দেশব্যাপী প্রবর্তনের কাজ আরম্ভ করা হয় ১৯৯২ সালে প্রথম শ্রেণীতে এবং পর্যায়ক্রমে পঞ্চম শ্রেণীতে সম্পন্ন হয় ১৯৯৬ সালে।

[…]
14Dec2019

উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নত দেশের উপর নির্ভরশীলতার নেতিবাচক দিকসমূহ নিম্নে উল্লেখ করা হল-

  • উন্নয়ন বলতে অর্থনৈতিক উন্নয়নকেই বুঝায়। কিন্তু উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বৈদেশিক সাহায্য ও অনুদান নির্ভর হওয়ায় দেশীয় অর্থনীতির ভিত দূর্বল হয়ে পড়ে;
  • মাথাপিছূ আয় বৃদ্ধি শ্লথগতি হয়ে পড়ে;
  • মূলধন বা পুঁজির অভাবে ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়ে ফলে টেকসই অবকাঠামো তৈরি হয় না;
  • নিজস্ব প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলনে পরনির্ভরশীলতা, উত্তেলিত প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার করতে না পারা;
  • আধুনিক প্রযুক্তি না থাকায় টেকসই উন্নয়নে উন্নত দেশগুলির উপর অধিক নির্ভরশীলতার ফলে স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন করতে হয় যার ফলে অর্থের অপচয় ঘটে;
  • উপনিবেশিক সাম্রাজ্যের অবসান ঘটলেও মানসিক পরিবর্তন না হওয়া;
  • উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিদ্যমান সম্পদগুলো অব্যবহৃত থাকা;
  • বিশ্বায়নের ফলে দেশীয় শিল্প বিশ্ববাজারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না পারা;
  • মেধা পাচার হয়ে যাওয়া;
  • সঞ্চয় বিনিয়োগ ঘাটতি;
  • আমদানী-রপ্তানী ঘাটতি;
  • আন্তর্জাতিক সংস্থা, বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর সাহায্যের নামে পুঁজি বিনিয়োগ করে ঋণ প্রদানের নামে উন্নয়নশীল দেশগুলো অর্থনীতি ও বাণিজ্যনীতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা ইত্যাদি।
14Dec2019

Developing countries are the main obstacles to development

উন্নয়নশীল দেশগুলো উন্নয়নের জন্য বাধা প্রদান করে থাকে। নিম্নে বাধাসমূহের উল্লেখ করা হলো:

  • মূলধন গঠন;
  • দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি;
  • প্রযুক্তিগত ও কারিগরি শিক্ষার অভাব;
  • উন্নত দেশগুলোর উপর নির্ভশীলতা;
  • টেকসই পরিবেশ ও শিক্ষাব্যবস্থা;
  • জনস্বাস্থ্য সমস্যা;
  • জনগণের অংশগ্রহণ ইত্যাদি।

14Dec2019

অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্তগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হল:

  • অবকাঠামো উন্নয়ন;
  • দক্ষ জনশক্তি;
  • দক্ষ উদ্যোক্তা তৈরি;
  • মূলধন বা পুঁজি গঠন;
  • রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা;
  • কারিগরি ও প্রায়োগিক শিক্ষা;
  • উন্নত প্রযুক্তি;
  • উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা;
  • ব্যাপক শিক্ষা বিস্তার;
  • আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা;
  • জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ;
  • প্রতিযোগিতামূলক বাজার;
  • প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ইত্যাদি।
14Dec2019

Sustainable environment and education system is one of the determinants of human development

পৃথিবীর প্রতিটি দেশই উন্নয়ন চায়।  উন্নয়নের মাধমে কোন কিছুর বর্তমান অবস্থার কাঙ্খিত পরিবর্তন আশা করা হয়। উন্নয়ন সবসময়ই চাহিদা ও প্রত্যাশা নির্ভর। অর্থগতভাবে উন্নয়ন বলতে আমরা সাধারণত মানবজীবনে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতিকে বুঝি। উন্নয়নকে সংস্কৃতি, সম্পদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সুযোগ -সুবিধা প্রভৃতির মান দ্বারা পরিমাপ করা হয়। আর মানব উন্নয়ন হল মানুষের চাহিদা, সামর্থ্য এবং প্রত্যাশা অনুযায়ী তার বর্তমান অবস্থার কাঙ্খিত ও ইতিবাচক পরিবর্তন। অর্থাৎ মানব উন্নয়ন বলতে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর জ্ঞান, দক্ষতা, বৃদ্ধি এবং টেকসই প্রত্যাশিত অবস্থায় উপনিত করার প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়। আর মানব উন্নয়নের অনত্যম নির্ধারক হল টেকসই পরিবেশ ও শিক্ষা ব্যবস্থা।

নিম্নে টেকসই পরিবেশ কিভাবে মানব উন্নয়নে ভূমিকা রাখে তা ব্যাখ্যা করা হল:

পরিবেশের অবক্ষয় রোধ করে প্রাকৃতিক সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে নিজেদের অস্তিত্ব সংরক্ষণের সাথে ‘টেকসই পরিবশ’ বিষয়টি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। টেকসই পরিবেশ যেসব ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত তা হল-

  • আমাদের কাযকলাপের প্রভাব যাতে প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর না পড়ে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।
  • পৃথিবীর সম্পদসমূহ পর্যাপ্ত ও অফুরন্ত নয়। আমাদের সীমিত সম্পদের নবায়নযোগ্য ব্যবহার করতে চেষ্ঠা করতে হবে।
  • আমরা আমাদের চাহিদার প্রয়োজনে প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে যা গ্রহণ করছি তার আর্থিক ও সামাজিক মূল্যটাও আমাদের বুঝা উচিত।
  • টেকসই পরিবেশের সকল প্রচেষ্টার দায় আমাদের সকলকে ভাগাভাগি করে নেয়া উচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবেশগত সমস্যা সৃস্টির জন্য মানুষই সবচেয়ে বেশি দায়ী। যার জন্য টেকসই পরিবেশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যাচ্ছে না। কারণ মানুষ প্রতিনিয়তই অবায়নযোগ্য সম্পদের অনিয়মতান্ত্রিক ব্যবহার করছে।
  • নবায়নযোগ্য সম্পদের পুনঃউৎপাদনের সুযোগ দিচ্ছে না।
  • পরিবেশকে বিষাক্ত করছে যা পরিবেশের ধারণ ক্ষমতার বাইরে।

মানব উন্নয়ন তথা টেকসই উন্নয়ন এর মূল ধারা ৩ টি। যথা:

১. টেকসই পরিবেশ;

২. অর্থনীতি ও

৩. সমাজ।

সুতরাং এই ৩ টি উপাদানের ভারসাম্য রাখা জরুরী। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য টেকসই পরিবেশ বিনির্মাণ করতে হবে। মানব উন্নয়নের জন্য দরকার টেকসই পরিবেশ। বলা যেতে পারে টেকসই পরিবেশ হল মানব উন্নয়ন মূল শর্তাবলীগুলোর মধ্যে অন্যতম। তাই আগে টেকসই পরিবেশ গড়তে হবে।

উন্নয়ন শব্দটির সমার্থক শব্দ উন্নতি, অগ্রগতি বা পরিবর্তন। কিছু দেশের মতে, উন্নয়ন বলতে বুঝাায় শিল্পায়ন, কারও মতে রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে স্বাবলম্বী হওয়া। তবে লক্ষ্যের ভিন্নতা থাকলেও সকল জাতিই উন্নয়নের পক্ষে একমত। উন্নয়নের জন্য শিক্ষার ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা মানব উন্নয়নের সাথে কতটা সম্পৃক্ত আর নির্ধারক হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে তা বিবেচ্য ব্যাপার।

শিক্ষা মানুষের মধ্যে জ্ঞান, দক্ষতা, দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধ তৈরি করে যা ভবিষ্যতের উন্নয়নের ক্ষেত্রে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। উন্নয়নের জন্য শিক্ষা বলতে বুঝায় শিখন ও শিক্ষণের ক্ষেত্রে ইস্যূগুলো অন্তর্ভূক্তকরণ যেমন-

  • আবহাওয়ার পরিবর্তন, দূর্যোগ মোকাবেলা, দারিদ্র নিরসন, টেকসই কন্‌জামশন, বায়ো ডাইভারসিটি, ধনী ও দরিদ্রের মধ্যকার পার্থক্য হ্রাস, মানবাধিকার, বিশ্বায়ন, উন্নত জীবন সম্পর্কে সচেতনতা ইত্যাদি। শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকে বিশেষত পরিবেশ বিজ্ঞান বিষয়ে এ জাতীয় ধারণা অন্তর্ভূক্তকরণের মাধ্যমে বাস্তবভিত্তিক ধারণা লাভ করবে।
  • কারিকুলামের অন্তর্ভূক্তির পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে অংশগ্রহণমূলক পাঠদানের সুযোগ বাড়াতে হবে।
  • শিক্ষার্থীদের আচরণগত পরিবর্তনের জন্য প্রেষণা সৃষ্টি করতে হবে।
  • শিক্ষা উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই নিশ্চিত করতে হবে।
  • উচ্চশিক্ষিত ও স্বল্পশিক্ষিত মানুষের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে টেকসই শিক্ষা দিতে হবে।
  • পুঁথিগত জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগমূখী করতে হবে।
  • বিশ্বায়নের  ধারণা মাথায় রেখে এক দেশের মানুষের সাথে অন্য দেশের মানুষের শিক্ষা, সংস্কৃতি ইত্যাদির সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।
  • বিশ্বের সাথে তালমিলিয়ে জীবনঘনিষ্ট ও প্রয়োগমূখী শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
13Dec2019

Citizens responsibilities to solve the population problem in Bangladesh


জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধ করতে হবে এবং কাম্য জনসংখ্যা গড়ে তুলতে হবে। জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করতে হবে- এজন্য প্রয়োজন নাগরিক সচেতনতা। আমাদেরকে ভাবতে হবে যে, কেবল আমরা নই আমাদের বংশধরেরাও যেন খেতে ও পরে ভালো থাকতে পারে। বাংলাদেশে জনসংখ্যা সমস্যা সমাধানে রাষ্ট্রের দায় দায়িত্ব জনসংখ্যাধিক্য সমস্যা সমাধানের জন্য রাষ্ট্রকে সবচেয়ে বেশি দায়-দায়িত্ব পালন করতে হবে।

যেসব ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের দায়িত্ব সর্বাধিক সেগুলো নিচে আলোচনা করা হলো :

[…]
12Dec2019

Man-origin (RACE) theory

নরগোষ্ঠীর উৎপত্তির সঠিক কারণ নির্ণয় বেশ কঠিন কাজ। নরগোষ্ঠীর উদ্ভব সম্পর্কে ২টি প্রধান তত্ত্বের পরিচয় পাওয়া যায়। সেগুলো হল-

১. বহু-উৎস তত্ত্ব (Theory of Poly-genesis)

২. একক-উৎস তত্ত্ব (Theory of Mono-genesis)

ভিন্ন ভিন্ন পূর্ব পুরুষ থেকে বিভিন্ন নরগোষ্ঠীর উদ্ভব তত্ত্বকে বলা হয় বহু উৎস তত্ত্ব। পক্ষান্তরে একই পূর্বপুরুষ, একই উৎস থেকে সব নরগোষ্ঠীর উদ্ভব তত্ত্বকে বলা হয় একক-উৎস তত্ত্ব।

১. বহু-উৎস তত্ত্ব (Theory of Poly-genesis):

বহু-উৎস তত্ত্বের সমর্থকদের মতে, আধুনিক নরগোষ্ঠীসমূহ পরস্পর বংশসূত্রে আবদ্ধ নয়। তাই, নরগোষ্ঠীগুলো পরস্পর অনাত্মীয় ও অসম্পর্কযুক্ত। বহু উৎস তত্ত্ব অনুযায়ী আধুনিক চারটি প্রধান নরগোষ্ঠীর উৎপত্তি হয়েছে ৪টি ভিন্ন ভিন্ন পুরুষ বা উৎস থেকে। যথা-

[…]
12Dec2019

Steps to be taken to turn developing countries into developed countries

উন্নয়নশীল ও দরিদ্র রাষ্ট্রগুলোর উন্নয়নে মানব সম্পদের অভাব একটি গুরুতর সমস্যা। এ সমস্ত রাষ্ট্রের যে পরিমাণ জনসংখ্যা থাকে, তা সম্পদের পরিবর্তে সমস্যা হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে। শিক্ষা, দক্ষতা, স্বাস্থ্য উন্নয়ন প্রভৃতি সার্বিক জাতীয় উন্নয়ন অর্জনের অন্যতম শর্ত। কোন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য উন্নয়নের পূর্বশতগুলো বাস্তবায়ন জরুরী। উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পশ্চাতে বিভিন্ন উপাদান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করে। এগুলো দূর করতে না পারলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হবে না। সুতরাং বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বীয় অবস্থা থেকে উন্নত দেশে পরিণত করতে শুরুতেই অর্থনৈতিক উন্নয়নের বাধাগুলো চিহ্নিত করতে হবে। এর পাশাপাশি পরবর্তী বাধা অপসারনের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একটি উন্নয়নশীল দেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, টেকসই পরিবেশ ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হয়। তবে উন্নয়নশীল দেশগুলোর পিছিয়ে থাকার পিছনে কিছু সমস্যা থাকে। সেগুলো হল:

[…]
12Dec2019

Why Adult Education?

বয়স্ক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা

পৃথিবীর উন্নত ও উন্নয়নশীল প্রতিটি দেশ বয়স্ক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে থাকে কেননা যে জাতি যত শিক্ষিত, সে জাতি তত উন্নত। শিক্ষা ও জাতীয় উন্নয়ন পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। বাংলাদেশ সরকারও জাতীয় শিক্ষানীতিতে বয়স্ক শিক্ষাকে গুরুত্ব প্রদান করে বিভিন্ন ধরণের কৌশল সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে। সাধারণ শিক্ষা ধারার সাথে বয়স্ক শিক্ষা প্রসারের মাধ্যমেই জনগণকে শিক্ষিত করার মাধ্যমে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করা সম্ভব।

বয়স্ক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিম্নে উল্লেখ করা হল:

  • মানুষের মৌলিক অধিকারের মধ্যে অন্যতম হল শিক্ষার অধিকার। সাধারণ শিক্ষার সুযোগ বঞ্চিত প্রত্যেক ব্যক্তিকেই সাক্ষর করে তোলার মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি ও দৃষ্টিভঙ্গির উন্নয়ন ঘটাতে বয়স্ক শিক্ষার বিকল্প নেই;
  • বয়স্ক শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের অজ্ঞতা, রীতিনীতি ও সামাজিক অবস্থা পরিবর্তন আনয়ন করতে ;
  • এর মাধ্যমে নৈতিক ও মানবিক গুণাবলির বিকাশ ঘটাতে;
  • চিন্তন ও বিচার শক্তির উন্নয়ন ঘটানোর মাধ্যমে মানুষের আবেগ ও আচরণকে সংস্কারমুক্ত করতে;
  • সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে নান্দনিক বিকাশ ঘটাতে;
  • মূল্যবোধের উন্নয়ন ঘটিয়ে সামাজিক বিশৃঙ্খলা, দূর্ণীতি ইত্যাদি রোধ করতে;
  • বয়স্ক শিক্ষার মাধ্যমে নাগরিক সচেতনতা তৈরি ও দায়িত্ববোধ গঠন করতে;
  • কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করতে ;
  • সমসাময়িক জ্ঞানার্জনের সুযোগ প্রদানের মাধ্যমে ইতিবাচক মানসিকতা গঠনে বয়স্ক শিক্ষার খুবই উপযোগী।

বয়স্ক শিক্ষা সম্পর্কে আরও পোস্ট দেখুন

11Dec2019

শিক্ষা অধিকার নাকি সুযোগ এটা নিয়ে নানান বক্তব্য পাওয়া গেলেও শিক্ষা মানুষের অধিকার এর পক্ষেই যুক্তি পাওয়া যায়।  শিক্ষায় অধিকার সম্পর্কে বাংলাদেশ সংবিধানে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। সংবিধানের ১৫, ১৬, ১৭, ১৯, ২৮ ও ৪১ ধারায় নাগরিকদের শিক্ষা অধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ (ক) ও ১৭ (ক) ধারা দু’টি শিক্ষা অধিকারের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। এগুলো হল-

১৫ (ক): রাষ্ট্র নাগরিকের অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবন ধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা করবে।

১৭ (ক): একই পদ্ধতির গণমূখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করবে।

এছাড়াও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা শিক্ষা অধিকার সম্পর্কে বিভিন্ন আইন, ঘোষণা ও কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষাকে মানুষের অধিকার হিসেবে নিশ্চয়তা তৈরি করেছে। যেমন-

  • বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন-১৯৯০;
  • জাতিসংঘ সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা-১৯৪৮;
  • আন্তর্জাতিক শিক্ষা কমিশন;
  • সিডো (SEDAW);
  • দিল্লী ঘোষণা,
  • সালামাঙ্কা ঘোষণা;
  • এমডিজি লক্ষ্যমাত্রা-২০১৫ (লক্ষমাত্রা-২ ও ৩ নং);
  • এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা-২০৩০ এর অভীষ্ট-৪ (মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা) ইত্যাদি।

সুতরাং উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় যে, শিক্ষা কোন সুযোগ নয় বরং শিক্ষা অধিকার।

Ad

error: Content is protected !!