সামাজিক বিজ্ঞান Archives - Page 2 of 3 - Proshikkhon

Posts Tagged "সামাজিক বিজ্ঞান"

11Dec2019

মানব উন্নয়ন সূচক

মানব উন্নয়ন সূচক হলো বিশ্বের সকল দেশ-সূহের জীবন মান, শিক্ষা, নিরক্ষরতা প্রভৃতির একটি তুলনামূলক সূচক (Index)। এক সংক্ষেপে HDI (Human Development Index) বলা হয়। ‘মানব উন্নয়ন’ মাপকাঠি সম্পর্কিত বিভিন্ন পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ঠ দেশগুলোকে সাজানো হয়। প্রতিবছর UNDP মানব উন্নয়ন সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে।

UNDP ৪টি সূচক অনুসারে সূচকগুলোকে সাজায়। যেমন-

  • অনেক ভাল মানব উন্নয়ন;
  • ভাল মানব উন্নয়ন;
  • মাঝারি মানব উন্নয়ন; এবং
  • নিম্ন মানব উন্নয়ন।

UNDP (জাতিসংঘ উন্নয়ন প্রোগ্রাম) প্রদত্ত রিপোর্ট (২০১৮) অনুসারে মানব উন্নয়ন সূচেকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো অবস্থান:

  • শ্রীলংকা- ৭৬
  • মালদ্বীপ-১০১
  • ভারত- ১৩০
  • ভূটান-১৩৪
  • বাংলাদেশ-১৩৬
  • নেপাল-১৪৯
  • পাকিস্তান-১৫০।
1Dec2019

Ongoing Training at Secondary Level in Bangladesh

মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ চলমান রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ কিছু চলমান প্রশিক্ষণসমূহ নিম্নে উল্লেখ করা হলো:

[…]
27Nov2019

What is globalization? Advantages and disadvantages of globalization.

বিশ্বায়নকে নানাভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। বিশ্বায়ন হল বিশ্ব অথনৈতিক ব্যবস্থা। বাণিজ্যকে বাধাহীনভাবে বিশ্বব্যাপী পরিচালনা করার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নীতিমালাই হলো বিশ্বায়ন। আবার বিশ্বায়ন বলতে বোঝায় সারা বিশ্বে পণ্য ও পুঁজির অবাধ প্রবাহ। বিশ্বায়ন হল সমগ্র বিশ্বকে এক কেন্দ্র থেকে শাসন করার নতুন অথনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কৌশল। বিশ্বায়ন হল দুর্বল রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ন্ত্রনের জন্য ধনী রাষ্ট্রগুলোর অথনৈতিক ধারণা। বিশ্বায়ন হল উপনিবেশের নব্য রূপ।

বিশ্বায়ন হলো এমন একটি বিষয় যার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী নানা ধরণের আন্ত: ও বহি:যোগাযোগসমূহের একটি সমষ্টিগত আধুনিক বিশ্ব পরিচালনা পদ্ধতি যার গণ্ডি গ্রাম থেকে শহর এমনকি রাষ্ট্র বা সমাজকে ছাড়িয়ে যেতে পারে।

বিশ্বায়নের সুবিধা বা ইতিবাচক দিক:

  • দরিদ্র দেশগুলোকে বৈদেশিক বিনিয়োগের ফলে উৎপাদন শক্তি বৃদ্ধি;
  • মুক্তবাজার অর্থনীতিতে পূর্ণ প্রতিযোগিতা বজায় থাকার ফলে ভোক্তা স্বার্থ রক্ষা;
  • আমদানি-রপ্তানি অবাধ হওয়ায় যে কোন পণ্য বিশ্ব বাজারে ঢোকার সুযোগ;
  • শিক্ষা, শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির অবাধ বিনিময়;
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিনিময় সহজলভ্যতা ও গতিশীলতা;
  • মানুষের মেধা ও দক্ষতার বিশ্ববাজারে প্রবেশ;
  • এক বিশ্ব এক জাতি ধারণার ফলে বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব ও মানব সৌহার্দ্য বৃদ্ধি;
  • তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে বৈদেশিক বিনিয়োগ সহায়তার পাশাপাশি জি. এস. পি সুবিধা।

বিশ্বায়নের অসুবিধা বা নেতিবাচক দিক:

  • দেশীয় উৎপাদন কাঠামো, দেশীয় শিল্প ও দেশীয় প্রযুক্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ;
  • উন্নয়ন সাহায্যের নামে উন্নত দেশগুলো তৃতীয় বিশ্বকে পরনির্ভরশীল করে তোলা;
  • মুক্তবাজার অর্থনীতির মাধ্যমে দেশীয় পুঁজি ধনী দেশগুলো করতলগত হওয়া;
  • অবাধ তথ্য প্রবাহের ফলে স্থানীয় ও জাতীয় স্বকীয়তার বিনাশ;
  • সংস্কৃতি অনুপ্রবেশের ফলে সংস্কৃতির সংকরায়ণ ঘটার ফলে জাতি-সম্প্রদায়ের বিশ্বাস, আদর্শ ও মূল্যবোধের বিপর্যয়;
  • সকল সুবিধা ভোগ করার ফলে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত দেশগুলোই সমৃদ্ধি ও উন্নতি লাভ করছে।
25Nov2019

বিশ্বায়ন:

বিশ্বায়ন বলতে এমন কিছুকেই বুঝায় যার দ্বারা সারা পৃথিবী প্রভাবিত হবে। বিশ্বায়ন হল এমন এক ধরণের কৌশলগত প্রক্রিয়া যার দ্বারা কোন কিছু দিয়ে নিজস্ব ভূখন্ডের সীমা পরিসীমা অতিক্রম করে সারা পৃথিবীকে স্বল্প পরিসরে আয়ত্ত্বের মাঝে নিয়ে আসবে। যেমন- চলমান জাতীয় সীমা পরিসীমার বাইরে আন্তর্জাতিকবাদকে বিশেষভাবে মূল্যায়ন করবে এবং প্রভাবিত করার ক্ষমতাধারীর প্রভাব সর্বত্রই পড়বে।

25Nov2019

প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কে শিক্ষানীতি-২০১০ এ বলা হয়েছে:

  • প্রাথমিক শিক্ষায় ৬ষ্ঠ-৮ম শ্রেণী পর্যন্ত চালু করার জন্য নতুন পাঠ্যক্রম, শিক্ষক, অবকাঠামো উন্নয়ন করা;
  • প্রাথমিক শিক্ষায় বিভিন্ন ধারার মাঝে সমন্বয় করতে নির্দিষ্ট শ্রেণীর পাঠ্যসূচি অনুযায়ী নির্ধারিত বিষয়সমূহ অর্থাৎ বাংলা, ইংরেজি, নৈতিক শিক্ষা, বাংলাদেশ স্টাডিজ, গণিত, সামাজিক পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ধারণাসহ প্রাকৃতিক পরিবেশ পরিচিতি এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞান বাধ্যতামূলকভাবে পড়তে বলা হয়েছে;
  • প্রাথমিক শিক্ষার বয়স ৬+ এতে ২০১৮ সালের মধ্যে শিক্ষক শিক্ষার্থী আনুপাত হবে ১ : ৩০;
  • বিদ্যালয় পরিবেশ শিশুসুলভ করা, ঝরে পড়া রেধে দুপুরে খাবারের ব্যবস্থা, যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ;
  • প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীতে ধারাবাহিক মূল্যায়ন এবং তৃতীয় থেকে সকল শ্রেণীতে ত্রৈমাসিক, অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষা চালু থাকবে। পঞ্চম শ্রেণী শেষে সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। অষ্টম শ্রেণী শেষে আপাতত: জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা নামে একটি পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পর্কে শিক্ষানীতি-২০১০ এ বলা হয়েছে:

  • নতুন শিক্ষা কাঠামোয় নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মাধ্যমিক শিক্ষা স্তর হিসেবে বিবেচিত হবে।
  • বিভিন্ন ধারায় যেতে পারবে তেমনি কেউ ইচ্ছে করলে আবার বৃত্তিমূলক শিক্ষার ভিত্তিতে বা আরো বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমে জীবিকার্জনের পথে যেতে পারবে।
  • উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হিসেবে যেসব কথা বলা হয়েছে। শিক্ষার্থীর অন্তর্নিহিত মেধা ও সম্ভাবনার পরিপূর্ণ বিকাশে সাহায্য করা।
  • উচ্চশিক্ষার ভিত শক্তিশালী করা। কৌশল হিসেবে পাঠ্যসূচীর বিষয়ে বলা হয়েছে- সব ধারাতেই জন-সমতাভিত্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে কয়েকটি মৌলিক বিষয়ে যথা- বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ স্টাডিজ, সাধারণ গণিত ও তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষায় অভিন্ন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি বাধ্যতামূলক থাকবে।
  • মাধ্যমিকের মূল্যায়ন পদ্ধতির বিষয়ে বলা হয়েছে- ‘দশম শ্রেণী শেষে জাতীয় ভিত্তিতে পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই পরীক্ষার নাম হবে মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং এই পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বৃত্তি প্রদান করা হবে। দ্বাদশ শ্রেণীর শেষে অরো একটি পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, এর নাম হবে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। উভয় পরীক্ষা হবে সৃজনশীল পদ্ধতিতে এবং পরীক্ষার মূল্যায়ন হবে গ্রেডিং পদ্ধতিতে।
  • উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে উচ্চশিক্ষার জন্য বৃত্তি প্রদান করা হবে।
  •  ইংরেজী মাধ্যমের ও লেভেল এবং এ লেভেলকে সাধারণ ধারার অন্তর্ভূক্ত করতে শিক্ষানীতি বলেছে- ‘ও’লেভেল উত্তীর্ণকে এস.এস.সি এবং ‘এ’ লেভেল উত্তীর্ণকে এইচ.এস.সি-র সমমান হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
16Aug2019

সামাজিক বিজ্ঞান পাঠের উদ্দেশ্য

  • সমাজকে মানবিক গুণাবলী চর্চার ক্ষেত্র হিসাবে উপস্থাপন করা।
  • সব ধরণের সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করা।
  • পরিবেশের সাথে পরিচিতি ঘটানো।
  • সামাজিক দায়িত্ব-কর্তব্যবোধ তৈরি করা।
  • সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় যোগ্য নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলা।
  • সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান, রীতি-নীতি ইত্যাদি বিষয়ে আগ্রহী করা।
  • সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতি অনুরাগ বাড়ানো।
  • সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কল্যাণ সাধনে উদ্বুদ্ধ করা।
  • ব্যাক্তি ও সমাজ জীবনের বিভিন্ন ধরণের সমস্যাবলী সমাধানের মনোভাব গঠন করা।
  • সাংবিধানিক অধিকার সম্পর্কে জানা।
  • জাতীয় চেতনাবোধ জাগ্রত করা।
  • অবসর সময়কে সমাজ উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করা।
  • সৎ ও উদারনৈতিক মনোভাব তৈরি করা।
  • বিশ্বভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করা।
  • সামাজিক সংহতি শক্তিশালীকরণে উদ্বুদ্ধ করা।
  • আত্মনির্ভরশীল ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ গড়তে।
15Aug2019

Teaching methods and strategies on Bangladesh and Global Studies

পাঠদান পদ্ধতি ও কৌশল

শিক্ষার উদ্দেশ্য হচ্ছে সুন্দর সামাজিক জীবন বিধানের উপযুক্ত করে গড়ে তোলা। শিখন-শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় শিক্ষক নির্দিষ্ট বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পদ্ধতি ও কৌশলের মাধ্যমে নির্দেশনা প্রদান করেন আর শিক্ষার্থীগণ নিজ চেষ্টায় নির্দেশনামাফিক শিখন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।

বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের পাঠদানের পদ্ধতি ও কৌলশের একটি তালিকা নিম্নে উল্লেখ করা হলো:

[…]
15Aug2019

Lesson Range

পাঠ পরিসর

যে কোন শিক্ষাক্রম প্রণয়নের পর গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো শিখনফল নির্ধারণ ও শ্রেণিভিত্তিক পাঠ পরিসর নির্ধারণ করা। সংশ্লিষ্ট স্তরের শিক্ষার্থীদের বয়স, মানসিকতা, চাহিদা ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে শিখনফল নির্ধারণের পর বিষয়বস্তুর কাঠামো তৈরি করতে হয়। বস্তুত পাঠের সময় বিবেচনায় নিয়ে এর ব্যাপ্তি নির্ধারিত হয়। এভাবে একটি পাঠৗপুস্তকের পরিসর কতটুকু হবে তা নির্ধারণের প্রক্রিয়া হলো পাঠ পরিসর।

উদাহরণসরূপ ৭ম শ্রেণির পাঠ পরিসর দেখানো হলো:

[…]

Ad

error: Content is protected !!