সামাজিক বিজ্ঞান Archives - Page 3 of 3 - Proshikkhon

Posts Tagged "সামাজিক বিজ্ঞান"

14Aug2019

Questions and its types

শিখন-শেখানো কার্যক্রমের একটা বড় অংশ জুড়েই থাকে প্রশ্ন। পাঠ পরিকল্পনা করার সময় আমরা পাঠের কোন পর্যায়ে কী কী প্রশ্ন করব তা অন্তর্ভূক্ত করে থাকি। কিন্তু প্রশ্ন ইচ্ছেমতো করা যায় কি? নিশ্চয় নয় কারণ প্রশ্ন করার কিছু সাধারণ নিয়ম রয়েছে। সুতরাং প্রশ্ন ও প্রশ্নের প্রকারভেদ জেনে ও বুঝে তা করা হয়। এই আলোচনার মাধ্যমে আমরা বুঝার চেষ্টা করব প্রশ্ন ও প্রশ্নের প্রকারভেদ সম্পর্কে।

প্রশ্ন বলতে কী বুঝায়?

[…]
14Aug2019

What is a test? Characteristics and Importance

অভীক্ষার ধারণা : অভীক্ষা কী? অভীক্ষা বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব

শিক্ষাক্ষেত্রে মূল্যায়ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অভীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর চিন্তন দক্ষতার বিভিন্ন স্তরেরর পরিমাপ/মূল্যায়ন করা যায়।এই প্রশ্ন হলো শিক্ষার্থীর আচরণগত দিকসমূহের পরিমাপের একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। প্রশ্ন করা ও উত্তর প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর অর্জিত জ্ঞানের পরিমাপের মাধ্যমে দক্ষতা মূল্যায়নের জন্য বিষয়ভিত্তিক অভীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়।

অভীক্ষা কী?

অভীক্ষা হলো একসেট প্রশ্নের সমষ্টি, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অর্জিত জ্ঞান বা পারদর্শিতা যাচাই করা হয়ে থাকে।  অভীক্ষা বলতে কতকগুলো প্রশ্নগুচ্ছ বা সুসংগঠিত পদ যা কাঠিন্যের মান অনুসারে সাজানো থাকে। মূলত অভীক্ষার মাধ্যেম একজন শিক্ষার্থী বা ব্যক্তির পারদর্শিতার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবগত হওয়া যায়। অভীক্ষা হলো শিক্ষার্থীর আচরণগত দিকসমূহের পরিমানের একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া বা কৌশল।

[…]
14Aug2019

Competency based curriculum and its features

যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষাক্রম

যোগ্যতা বলতে সুনির্দিষ্ট আচরণকে বোঝানো হয়। পঠনপাঠনের মধ্য দিয়ে কোন জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিপূর্ণভাবে আয়ত্ব করার পর শিক্ষার্থী তার বাস্তব জীবনে প্রয়োজনের সময় কাজে লাগাতে পারলে সেই জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গির সমষ্টিকে যোগ্যতা বলে। আনুষ্ঠানিক শিক্ষায় যে কোন যোগ্যতা অর্জনের প্রক্রিয়া শুরু হয় ১ম শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত। তবে কোন কোন প্রন্তিক যোগ্যতার বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এর শুর থেকে শেষ হওয়ার পর্যায় পর্যন্ত অর্জিত যোগ্যতার সমষ্টিই হল প্রান্তিক যোগ্যতা।

যে শিক্ষাক্রমে শিক্ষা শেষে প্রত্যেক বিষয় ও শ্রেণির নির্ধারিত অর্জন উপযোগি যোগ্যতাগুলো ক্রমানুসারে অর্জন করার লক্ষ্যে বিন্যস্ত করা হয়েছে তাকে যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষাক্রম বলে।

যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষাক্রমের বৈশিষ্ট্য

১. যোগ্যতাগুলো সুনির্দিষ্ট করা থাকে।

২. প্রতিটি যোগ্যতার পরিসর অনুসারে পাঠদান করা হয়।

৩. যোগ্যতাসমূহের নির্বাচনে শিক্ষার্থীর বয়স ও গ্রহণ ক্ষমতার প্রতি দৃষ্টি আরোপ করা হয়।

৪. যোগ্যতার কাঠিন্য অনুসারে শ্রেণিভিত্তিক বিন্যাস করা থাকে।

৫. যোগ্যতাসমূহ নির্বাচনে জ্ঞান, দৃষ্টিভঙ্গি ও দক্ষতার সংমিশ্রণ ঘটানো হয়।

৬. বৈচিত্র্যময় শিখন শেখানো পদ্ধতিতে পাঠদানের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়।

৭. শিখন অগ্রগতি যাচাই ও প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যবস্থা করা।

যোগ্যতা:

পড়া: বাক্যটি পড়তে পারবে।

ক. বাক্যের অন্তর্গত শব্দ দুটি (আম, আন) সনাক্ত করতে ও পড়তে পারবে।

খ. বাক্যের অন্তর্গত বর্ণ তিনটি (আ ,ম, ন) চিনতে ও পড়তে পারবে।

লেখা:  বাক্যটি লিখতে পারবে।

ক. বাক্যের অর্ন্তগত শব্দ দুটি লিখতে পারবে।

খ. বাক্যের অর্ন্তগত বর্ণ তিনটি লিখতে পারবে।

পূর্বে আমাদের দেশে- পৃথিবীর অনেক দেশের মতই বিষয়বস্তুভিত্তিক শিক্ষক্রম প্রচলিত ছিল। বিদ্যালয়ে কী কী বিষয় পড়ানো হয়, সে সব বিষয়ে কি কি বিষয়বস্তু থাকবে তা উল্লেখ করে এ ধরনের শিক্ষাক্রম তৈরি করা হয়। এ ধরনের শিক্ষাক্রমে মূলত জ্ঞান প্রাধান্য পায়।

যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষাক্রমের প্রকৃতি:

১. শিক্ষার্থী কোন শ্রেণীতে কোন বিষয়ে কি কি যোগ্যতা (জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গী) অর্জন করবে তা সুনির্দিষ্টকরণ।

২. শিক্ষার্থীর বয়স, সামর্থ্য ও মানসিক পরিণমন এবং তার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চাহিদার প্রতি যথাযথ গুরুত্ব আরোপ করে যোগ্যতা নির্বাচনের ক্ষেত্র সুনিদিষ্টকরণ।

৩. শিক্ষার্থীর অর্জিত যোগ্যতা তাৎক্ষণিক প্রয়োগ করানোর মাধ্যমে তার প্রয়োজনীয়তা অনুধাবনে তাকে আত্মপ্রত্যয়ীকরণ।

৪. শহর ও পল্লী অঞ্চলের সকল বিদ্যালয়ে কোন বিষয়ে কতটুকু শেখাতে হবে এবং কি যোগ্যতা অর্জন করাতে হবে সেগুলোর সঙ্গে শিক্ষকগণের পরিচিতিকরণ।

৫. জীবনের প্রস্তুতির জন্য শিক্ষা, মুখস্থ করে সনদপত্র অর্জনের জন্য শিক্ষা নয় তা সামনে রেখেই শিক্ষার সমস্ত কর্মকান্ডের আয়োজন।

৬. পুরোপুরি শিখন নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে অপ্রয়োজনীয় তত্ত¡ ও তথ্য পরিহারপূর্বক শিক্ষাক্রম প্রণয়ন।

যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষাক্রমের পরিসর:

সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যেই যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষাক্রমের পরিসর নিহিত। তবুও অবহিত হওয়ার সুবিধার্থে সেগুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হল:

১. প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগমন উপযোগী সকল স্বাভাবিক শিশুর শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি।

২. বিদ্যালয়ে ভর্তিকৃত শিশুর প্রাথমিক শিক্ষাশেষ না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যালয়ে ধরে রেখে পুরোপুরি শিখন নিশ্চিতকরণ। অসুবিধাগ্রস্ত পরিবার থেকে আগত শিশুর পূর্বপ্রস্তুতিমূলক শিক্ষাদান করে বিদ্যালয়ে তাদের উপস্থিতি স্থিতিশীলকরণ।

৪. বিশেষ করে মেয়ে শিশুর বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা লাভের বাধাবিপত্তি (যেমন: লিঙ্গ তারতম্য) দূরীকরণ এবং খাদ্যের বদলে শিক্ষার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা সুনিশ্চিতকরণ।

14Jul2019

Teaching Aids : Definition, Types & its Characteristics

শিক্ষা উপকরণ কী?

শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের জন্য বিষয়বস্তুগত জ্ঞান ছাড়া শিক্ষক অন্যান্য যে সকল জিনিস, বস্তু বা কৌশল ব্যবহার করেন যা শিক্ষাদানকে সহজবোধ্য, স্থায়ী ও আকর্ষণীয় করে তোলে, সেগুলোকে শিক্ষা উপকরণ বলে। পাঠ্যপুস্তকের বাইরে ব্যবহৃত সকল প্রকার উপাদানই হলো শিক্ষা উপকরণ। শিক্ষা উপকরণ ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো পাঠের জন্য উদ্দেশ্য অর্জন।

এর বৈশিষ্ঠ্য হলো শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক পাঠদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরে পাঠের সাথে নিবিঢ় সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে শিখন-শেখানো কার্যাবলিকে অধিকতর কার্যকরি ও ফলপ্রসূ করা সেই সাথে শ্রেণিপাঠদানকে সহজ ও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা।

শিক্ষা উপকরণে সংজ্ঞা

চীন দেশে একটি প্রবাদ প্রচলিত রয়েছে, দশ হাজার শব্দ ব্যবহার করে যা বোঝানো যায় না, একটি মাত্র ভালো ছবির সাহায্যে তা বোঝানো যায়।

মন্তেসরী (Montessori) তাঁর শিক্ষণ পদ্ধতিতে বিশেষভাবে ইন্দ্রিয় প্রশিক্ষণ (Sense Training) এর উপর গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন। তাঁর শিক্ষানীতির মূল বক্তব্য হল, শিক্ষণীয় বিষয়বস্তুকে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য করে তুলতে হবে।

Trudy K. Stewart এর মতে- Teaching Aids are helpful tools for teaching in a classroom or with individual learners. Teachers can use them to-

  • help learners improve reading and other skills
  • illustrate or reinforce a skill, fact or idea, and
  • relieve anxiety, fears, or boredom, since many teaching aids are likely games.

শিক্ষা বিজ্ঞানের ভাষায়-“Audio-visual aids are intended to present an experience or a unit of knowledge through audio or visual stimuli or through both to ensure quick and effective learning”.

একজন শিক্ষাবিদের ভাষায়– “Teaching aids can make oral presentation glow with new meaning and more understanding.”

শিক্ষা উপকরণের শ্রেণিবিভাগ

শিক্ষাবিদগণ শিক্ষা উপকরণকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অর্থাৎ সাধারণভাবে শিক্ষা উপকরণকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। সেগুলো হলো:

১. শ্রবণযোগ্য শিক্ষা উপকরণ (Auditory Teaching Aids)

যেসকল উপকরণ কান দিয়ে শ্রবণ করা হয় অর্থাৎ শিখনের বিষয়বস্তুকে শুনে বুঝা যায় সেগুলোকে শ্রবণযোগ্য শিক্ষা উপকরণ বলা হয়। যেমন-

  • রেডিও,
  • ক্যাসেট প্লেয়ার,
  • সিডি প্লেয়ার ইত্যাদি।

২. দর্শনযোগ্য শিক্ষা উপকরণ (Visual Teaching Aids)

যেসকল উপকরণ চোখ দিয়ে দেখা যায় অর্থাৎ শিখনের বিষয়বস্তুকে দেখে বোধগম্য করা যায় সেগুলোকে দর্শনযোগ্য শিক্ষা উপকরণ বলা হয়। যেমন-

  • পোস্টার,
  • ছবি,
  • চার্ট,
  • গ্লোব,
  • বিভিন্ন মডেল,
  • স্লাইড প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. শ্রবণ ও দর্শনযোগ্য শিক্ষা উপকরণ (Audio-visual Teaching Aids)

যেসব উপকরণ শিখনের বিষয়বস্তুকে একইসাথে শ্রবণ ও দর্শনগ্রাহ্য করে তোলে অর্থাৎ চোখ ও কানের ব্যবহার করে আমরাবুঝতে পারি। যেমন-

  • টেলিভিশন,
  • সিনেমা,
  • ডিভিডি,
  • কম্পিউটার,
  • ল্যাপটপ,
  • মাল্টিমিডিয়া ইত্যাদি।

আবার গুণভেদে শিক্ষা উপকরণকে কোন কোন শিক্ষাবিদ ৫ ভাগে ভাগ করেছেন। যথা:

১. শ্রবণভিত্তিক উপকরণ (Auditory Teaching Aids);

২. দর্শনভিত্তিক উপকরণ (Visual Teaching Aids);

৩. শ্রবণ-দর্শনভিত্তিক উপকরণ (Audio-Visual Teaching Aids);

৪. অনুসন্ধানমূলক উপকরণ (Investigatory Teaching Aids);

৫. কর্ম সম্পাদনমূলক উপকরণ (Work Oriented Teaching Aids)।

বিভিন্ন প্রকার শিক্ষা উপকরণের তালিকা

  • বেতার;
  • মোবাইল;
  • অডিও ক্যাসেট;
  • গ্লোব;
  • বুলেটিন বোর্ড;
  • টেলিভিশন;
  • দর্শনীয় ও ঐহিহাসিক স্থান;
  • মডেল;
  • চার্ট;
  • নকশা;
  • ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া ও ডিজিটাল কন্টেন্ট;
  • ছবি বা দৃশ্য ইত্যাদি।

শিক্ষোপকরণের বৈশিষ্ট্য

  • পাঠের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে;
  • শ্রেণি উপযোগী হতে হবে;
  • মান এবং রং আকর্ষণীয় হতে হবে;
  • সহজে ব্যবহার উপযোগী হতে হবে;
  • শিখনফল অর্জনে সহায়ক হতে হবে;
  • সুস্পষ্ট ও পরিচ্ছন্ন হতে হবে;
  • সহজে সংরক্ষণ উপযোগী হতে হবে;
  • শিক্ষার্থীর শৃখল শীলতার বিকাশে সহায়ক হতে হবে;
  • অপেক্ষাকৃত সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী হতে হবে;
  • সকল শিক্ষার্থীর জন্য দৃশ্যমান হতে হবে;
  • উপকরণ বহনযোগ্য ও টেকসই হতে হবে।

শিক্ষোপকরণের নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে৷ অতিরিক্ত রংচঙে বা মূল্যবান কোন দ্রব্যকে শিক্ষোপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয় না৷ এটি সাধারণত পাঠের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, সহজলভ্য, সাশ্রয়ী, সহজে বহন যোগ্য, বার বার ব্যবহার উপযোগী হতে হয়৷ একজন শিক্ষকের শিক্ষোপকরণ নির্বাচনের জন্য এই বৈশিষ্ট্যগুলো জানা একান্ত প্রয়োজন৷

শিক্ষা উপকরণ তৈরি, ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা ও মূলনীতি সম্পর্কে জানতে এই লিংকে প্রেস করুন।

14Jul2019

Intellectual and emotional learning outcomes

বুদ্ধিবৃত্তীয় ও আবেগীয় শিখনফল

উদাহরণ সরূপ ‘‘বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন’’ সম্পর্কে ৮ম শ্রেণির উপযোগী ৪ টি করে বুদ্ধিবৃত্তীয় ও আবেগীয় শিখনফল নিম্নে উল্লেখ করা হলো:

[…]

Ad

error: Content is protected !!