বৈশ্বিক শিক্ষা Archives - Page 2 of 2 - Proshikkhon

Posts Tagged "বৈশ্বিক শিক্ষা"

1Dec2019

What is SDGs?

এসডিজি’র ৪নং লক্ষ্যমাত্রাটি সরাসরি শিক্ষার সাথে সম্পর্কিত যেকারণে প্রত্যেক শিক্ষককে এসডিজি ও লক্ষ্যমাত্রা-৪ সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখা আবশ্যক। এসডিজি ও লক্ষ্যমাত্রা-৪ সম্পর্কে নিম্নে বর্ণনা করা হলো:

এসডিজি কী?

[…]
1Dec2019

The Millennium Development Goals (MDGs)

সহস্রাব্দ ঘোষণা (MDG) ২০০০:

নতুন সহস্রাব্ধ শুরুর প্রস্তুতি হিসেবে ১৯৯০ দশকে জাতিসংঘের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা বিশ্ব মানব সমাজের বিভিন্ন দিক বিশেষত টেকসই সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির বিষয়াদি নিয়ে সংলাপ সেমিনার, সম্মেলন ইত্যাদি পরিচালনা করে। বিশ্বভিত্তিক মানব উন্নয়ন সাধনে একটি বিশ্ব অংশীদারত্ব ব্যবস্থা সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা স্বীকৃতি লাভ করে। এ প্রক্রিয়ায় বিশ্বের দেশে দেশে ৮টি উন্নয়ন লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। এই লক্ষ্যসমূহ (The Millennium Development Goals (MDGs) নামে পরিচিত।

[…]
1Dec2019

What is CEDAW? What has been said in the CEDAW Charter to eliminate discrimination against women?

সিডো সনদ

নারী ও পুরুষের মাঝে বিরাজমান সকল প্রকার বৈষম্য দূর করে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৭৯ সালের ১৮ই ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সর্বসম্মতিক্রমে ‘নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ টি গৃহীত হয়। ইংরেজীতে একে বলা হয় Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women যা সংক্ষেপে CEDAW (সিডো) নামে পরিচিত।

১৯৮০ সালের ১লা মার্চ থেকে এই সনদে স্বাক্ষর শুরু হয় এবং ১৯৮১ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর থেকে সনদটি কার্যকর হয়। ১৯৯৯ সালের ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১৬৫টি রাষ্ট্র এই সনদ অনুমোদন করে স্বাক্ষর করেছে।

বাংলাদেশ এই দলিল অনুমোদন করে স্বাক্ষর করেছে ১৯৮৪ সালের ৬ই নভেম্বর। অনুমোদনকালে যদিও বাংলাদেশ সরকার ২, ১৩ (ক) এবং ১৬.১ (গ) ও (চ) ধারাগুলো আপত্তিসহ স্বাক্ষর করেছে। পরবর্তীতে আপত্তিগুলো প্রত্যাহার করার ব্যাপারে জাতীয় পর্যায়ে গঠিত রিভিউ কমিটির সুপারিশক্রমে ১৯৯৭ সালের ২৪শে জুলাই ১৩ (ক) ও ১৬.১ (চ) ধারাগুলো থেকে বাংলাদেশ তার আপত্তি প্রত্যাহার করে নিয়েছে। তবে ধারা ২ এবং ১৬.১ (গ) থেকে আপত্তি প্রত্যাহার করে নেওয়ার বিষয়টি এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সিডো দলিলের মূল মর্মবাণী-

সমাজ ও সভ্যতার ক্রমবিকাশে যুগ যুগ ধরে নারী যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে, সেই ভূমিকার যথাযথ স্বীকৃতিদান, সকল ক্ষেত্রে নারী পুরুষের মধ্যে সমতা স্থাপন নিশ্চিত করণ এবং মানুষ হিসাবে নারীর সার্বিক উন্নয়ন ও বিকাশের জন্য অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি।

সিডো সনদ ধারা:

এই সনদে মোট ৩০টি ধারা রয়েছে। ধারা ১ থেকে ১৬ নারী-পুরুষের সমতা সংক্রান্ত, ধারা ১৭ থেকে ২২ সিডো এর বাস্তবায়ন সংক্রান্ত এবং ধারা ২৩ থেকে ৩০ সিডো এর প্রশাসন সংক্রান্ত। সিডো সনদের ধারা ১০ এ শিক্ষায় সম-অধিকারের কথা বলা হয়েছে। নিম্নে ধারা-১০ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হলো:

১. কর্মজীবন ও বৃত্তিমূলক নির্দেশনা, পল্লী ও শহারাঞ্চলে সকল ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একই শর্তাবলির সমতা বিধান করা;

২. একই বিদ্যালয়ে, একই শিক্ষাক্রমে, একই পরিবেশে, একই মানের শিক্ষকের দ্বারা শিক্ষালাভের সুযোগ;

৩. শিক্ষায় চিরাচরিত ধারণা দূরীকরণের মাধ্যমে নারী ও পুরুষের জন্য সহ শিক্ষাক্রমিক কার্যাবলি;

৪. বৃত্তি ও অন্যান্য শিক্ষালাভেরে সুযোগ;

৫. বয়স্ক ও কর্মমূলক শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে বিরাজমান দুরত্ব হ্রাস করা;

৬. ছাত্রীদের ঝরে পড়া রোধ করা;

৭. খেলাধুলা ও শারীরিক শিক্ষায় নারী ও পুরুষের সমান সুযোগ সৃষ্টি করা;

৮. পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য সেবা প্রদান ইত্যাদি।

1Dec2019

Universal Declaration of Human Rights – 1948

মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা-১৯৪৮ বিশ্ব মানবতার জন্য একটি মাইলফলক। মানবাধিকারে সর্বজনীন ঘোষণাটি ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ২১৭ ক (১১১) বিধিতে বিশ্বের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও রক্ষার এক সর্বজনীন ঘোষণা প্রদান করা হয়। এ ঘোষণায় প্রত্যেকেরই শিক্ষা লাভের অধিকার রয়েছে। মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণায় যা বলা হয়েছে তা হলো:

[…]
27Nov2019

What is globalization? Advantages and disadvantages of globalization.

বিশ্বায়নকে নানাভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। বিশ্বায়ন হল বিশ্ব অথনৈতিক ব্যবস্থা। বাণিজ্যকে বাধাহীনভাবে বিশ্বব্যাপী পরিচালনা করার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নীতিমালাই হলো বিশ্বায়ন। আবার বিশ্বায়ন বলতে বোঝায় সারা বিশ্বে পণ্য ও পুঁজির অবাধ প্রবাহ। বিশ্বায়ন হল সমগ্র বিশ্বকে এক কেন্দ্র থেকে শাসন করার নতুন অথনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কৌশল। বিশ্বায়ন হল দুর্বল রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ন্ত্রনের জন্য ধনী রাষ্ট্রগুলোর অথনৈতিক ধারণা। বিশ্বায়ন হল উপনিবেশের নব্য রূপ।

বিশ্বায়ন হলো এমন একটি বিষয় যার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী নানা ধরণের আন্ত: ও বহি:যোগাযোগসমূহের একটি সমষ্টিগত আধুনিক বিশ্ব পরিচালনা পদ্ধতি যার গণ্ডি গ্রাম থেকে শহর এমনকি রাষ্ট্র বা সমাজকে ছাড়িয়ে যেতে পারে।

বিশ্বায়নের সুবিধা বা ইতিবাচক দিক:

  • দরিদ্র দেশগুলোকে বৈদেশিক বিনিয়োগের ফলে উৎপাদন শক্তি বৃদ্ধি;
  • মুক্তবাজার অর্থনীতিতে পূর্ণ প্রতিযোগিতা বজায় থাকার ফলে ভোক্তা স্বার্থ রক্ষা;
  • আমদানি-রপ্তানি অবাধ হওয়ায় যে কোন পণ্য বিশ্ব বাজারে ঢোকার সুযোগ;
  • শিক্ষা, শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির অবাধ বিনিময়;
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিনিময় সহজলভ্যতা ও গতিশীলতা;
  • মানুষের মেধা ও দক্ষতার বিশ্ববাজারে প্রবেশ;
  • এক বিশ্ব এক জাতি ধারণার ফলে বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব ও মানব সৌহার্দ্য বৃদ্ধি;
  • তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে বৈদেশিক বিনিয়োগ সহায়তার পাশাপাশি জি. এস. পি সুবিধা।

বিশ্বায়নের অসুবিধা বা নেতিবাচক দিক:

  • দেশীয় উৎপাদন কাঠামো, দেশীয় শিল্প ও দেশীয় প্রযুক্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ;
  • উন্নয়ন সাহায্যের নামে উন্নত দেশগুলো তৃতীয় বিশ্বকে পরনির্ভরশীল করে তোলা;
  • মুক্তবাজার অর্থনীতির মাধ্যমে দেশীয় পুঁজি ধনী দেশগুলো করতলগত হওয়া;
  • অবাধ তথ্য প্রবাহের ফলে স্থানীয় ও জাতীয় স্বকীয়তার বিনাশ;
  • সংস্কৃতি অনুপ্রবেশের ফলে সংস্কৃতির সংকরায়ণ ঘটার ফলে জাতি-সম্প্রদায়ের বিশ্বাস, আদর্শ ও মূল্যবোধের বিপর্যয়;
  • সকল সুবিধা ভোগ করার ফলে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত দেশগুলোই সমৃদ্ধি ও উন্নতি লাভ করছে।

Ad

error: Content is protected !!