অধ্যায়-০৩: খাদ্য ও পুষ্টি, প্রাথমিক চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যবিধি
সেশন-৩.৭: স্বাস্থ্যবিধি
ক্লাসের আলোচ্য বিষয়:
১) আমাদের দৈনন্দিন জীবনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রয়োজনীয়তা লিখুন।
২) সংক্রামক রোগ কী? কীভাবে সংক্রামক রোগ বিস্তার লাভ করে? সংক্রামন রোগের প্রকারভেদ এবং সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের উপায় উল্লেখ করুন।
৩) সংক্রামক রোগের প্রতিকারের উপায় উল্লেখ করুন।
৪) পানিবাহিত রোগ কাকে বলে? পানিবাহিত রোগের লক্ষণ, বিস্তারের কারণ ও প্রতিরোধ সম্পর্কে আলোচনা করুন।
৫) খাবারস্যালাইন তৈরির পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করুন।
৬) বয়ঃসন্ধি কী? বয়ঃসন্ধিকালে শারীরিক পরিবর্তন ও শরীরের যত্ন ব্যাখ্যা করুন।
১) আমাদের দৈনন্দিন জীবনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রয়োজনীয়তা লিখুন।
মানুষের সব থেকে বড় সম্পদ হচ্ছে তার স্বাস্থ্য। প্রকৃতপক্ষে সকল কিছুর মধ্যে কেবল আমাদের শরীরটিই আমাদের স্থায়ী অধিকারে। সুস্বাস্থ্যের অধিকারী যারা তারাই জীবনে উন্নতি করতে পারে। পরিশ্রম ছাড়া কোনো কাজে উত্তীর্ণ হওয়া যায় না। আর স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে পরিশ্রম করা যায় না। অথচ পরিশ্রমই হচ্ছে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। আমাদের আশেপাশে অসংখ্য জীবাণুর বিচরণ। আমাদের উচিত হবে এ রোগ-জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়গুলো জেনে নেওয়া এবং সেগুলো মেনে চলার মানসিকতা সৃষ্টি করা। আমাদের শারীরিক স্বাস্থ্য নির্ভর করে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর। মানসিক প্রশান্তি না থাকলে শারীরিক স্বাস্থ্য বজায় রাখা কঠিন। শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ ব্যক্তিরা কাজের চাপ সহজে গ্রহণ করতে পারে, পড়াশুনায় মন দিতে পারে এবং সহজে ক্লান্ত হয় না। শরীর ও মন সুস্থ থাকার সবচেয়ে ভালো উপায় হল স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমে আমরা সুন্দর জীবনযাপনের দিকে এগিয়ে যেতে পারি।
স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য যেসব নিয়ম কানুন অনুসরণ করা হয় সেগুলোকেই স্বাস্থ্যবিধি হিসেবে অভিহিত করা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ এর মতে,’স্বাস্থ্যবিধি বলা হয় সেসব নিয়মাবলি ও অনুশীলনকে যেগুলো সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার স্বাস্থ্য বিভাগ এক গবেষণায় দেখেছেন যে সাতটি স্বাস্থ্যবিধি মান্য করে চললে ব্যক্তি সুস্থ থাকতে পারে এবং তার গড় জীবনকাল অনেক বেড়ে যায়। নিচে সেগুলো উল্লেখ করা হলো-
- প্রতিদিন কমপক্ষে আট ঘণ্টা ঘুমাতে হবে।
- প্রতিদিন সকালে নাস্তা খেতে হবে।
- তিনটি প্রধান খাওয়ার মাঝে খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
- স্বাভাবিক ওজন বজায় রাখতে হবে।
- ধূমপান করা যাবে না।
- মদপান করা যাবে না
- প্রতিদিন শারীরিক ব্যায়াম করতে হবে।
অর্থাৎ যে সকল ব্যক্তি এ সাতটি বিধি মেনে চলতে পারবেন তিনিই সুস্বস্থ্যের অধিকারী হবেন।
২) সংক্রামক রোগ কী? কীভাবে সংক্রামক রোগ বিস্তার লাভ করে? সংক্রামন রোগের প্রকারভেদ এবং সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের উপায় উল্লেখ করুন।
সংক্রামক রোগঃ
বিভিন্ন জীবাণু যেমন- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক ইত্যাদি প্রবেশের ফলে সৃষ্ট রোগই হল সংক্রামক রোগ। এ সকল রোগ একজন থেকে আর একজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই ছড়িয়ে পড়া শুধু মানুষ থেকে মানুষ নয়, পশু পাখি থেকে মানুষে, পশু পাখি থেকে পশু পাখির মাঝে, কিংবা মানুষ থেকে পশু পাখির মাঝে ছড়িয়ে পড়তে পারে। বর্তমানে সংক্রামক রোগ এর প্রকোপ অনেকাংশে কমে এসেছে। তবে নতুন নতুন সংক্রামক রোগের আবির্ভাবও হচ্ছে। বর্তমানে করোনা ভাইরাস এমন একটি সংক্রামক রোগ। যা সমগ্র পৃথিবীকে স্থবির করে দিয়েছে। এই রোগটি মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়, আবার পশু পাখি থেকেও মানুষে ছড়ায়।
সংক্রামক রোগের বিস্তারঃ
সংক্রামক রোগ বিভিন্নভাবে ছড়াতে পারে। কিছু কিছু রোগ হাঁচি-কাশির মাধ্যমে একজন থেকে আরেকজনে সংক্রমিত হয়। সংক্রামিত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিস যেমন- থালা, বাসন, গ্লাস, চেয়ার, জামা-কাপড়, টয়লেট ইত্যাদি ব্যবহারের কারণে জীবাণুর সংক্রমণ ঘটতে পারে। মশা-মাছির মত পোকামাকড় বা কুকুরের মত প্রাণীর কামড়ের মাধ্যমেও কিছু রোগ ছড়াতে পারে। আবার দূষিত খাদ্য গ্রহণ এবং দূষিত পানি পানের মাধ্যমেও সংক্রামক রোগ ছড়াতে পারে।
সংক্রামক রোগের প্রকারভেদঃ সংক্রামক রোগ বিভিন্নভাবে ছড়িয়ে থাকে। যেমন-
- বায়ুবাহিত রোগঃ হাঁচি-কাশি বা কথাবার্তা বলার সময় বায়ুতে জীবাণু ছড়ানোর মাধ্যমে বায়ুবাহিত রোগ হয়ে থাকে। যেমন- সোয়াইন ফ্লু, হাম, গুটিবসন্ত, যক্ষ্মা এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা ইত্যাদি বায়ুবাহিত রোগ।
- পানিবাহিত রোগঃ পানিবাহিত রোগ হলো সে সকল রোগ যা জীবাণুযুক্ত দূষিত পানির মাধ্যমে বিস্তার লাভ করে। যেমন- ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয়, জন্ডিস এবং টাইফয়েড ইত্যাদি।
- ছোঁয়াচে রোগঃ রোগাক্রান্ত ব্যক্তির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংস্পর্শে যে সকল রোগ সংক্রমণ হয় তাকে ছোঁয়াচে রোগ বলে। যেমন- ফ্লু , ইবোলা, হাম ইত্যাদি।
- প্রাণী ও পোকামাকড়বাহিত সংক্রামক রোগঃ বিভিন্ন প্রাণী ও পোকামাকড়ের মাধ্যমে কিছু জীবাণুবাহিত রোগ ছড়ায়। যেমন- কুকুরের কামড়ের মাধ্যমে জলাতঙ্ক রোগ ছড়ায়, মশার কামড়ের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া এবং ডেঙ্গু রোগ ছড়ায়।
সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের উপায়ঃ
- সংক্রামক রোগ জীবাণুর মাধ্যমে হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে শরীরের রোগ প্রতিরোধ করা এবং রোগের জীবাণু ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধ করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- সুষম খাদ্য গেহণ করা
- নিরাপদ পানি ব্যবহার করা এবং হাত জীবাণুমুক্ত রাখা
- ঘরে পর্যাপ্ত আলো বাতাসের ব্যবস্থা থাকা জরুরী
- বাড়ির আশেপাশে পানি জমতে পারে এমন আবর্জনা যেমন- কৌটা, টায়ার, ফুলের টব ইত্যাদি পরিষ্কার রাখতে হবে। কারণ এতে জমে থাকা পানিতে ডেঙ্গু এবং ম্যালেরিয়া রোগের বাহক মশা ডিম পাড়ে।
- হাঁচি- কাশির সময় টিস্যু, রুমাল বা হাত দিয়ে মুখ ঢাকা, চারপাশের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।
৩) সংক্রামক রোগের প্রতিকারের উপায় উল্লেখ করুন।
সংক্রামক রোগ প্রতিকারের উপায়ঃ
সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়ে গেলে নিম্ন লিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে-
- পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে।
- পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।
- প্রচুর পরিমাণে নিরাপদ পানি পান করতে হবে।
- বাইরে বেশি ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে হবে।
- হালকা জ্বর বা সামান্য মাথাব্যথা করলে প্রাথমিকভাবে কিছু ঔষুধ গ্রহণ করা।
- জ্বর ভাল না হলে, ক্রমাগত বমি হতে থাকলে এবং মারাত্নক মাথাব্যথা হলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে।
৪) পানিবাহিত রোগ কাকে বলে? পানিবাহিত রোগের লক্ষণ, বিস্তারের কারণ ও প্রতিরোধ সম্পর্কে আলোচনা করুন।
পানিবাহিত রোগঃ পানিবাহিত রোগ হলো সে সকল রোগ যা জীবাণুযুক্ত দূষিত পানির মাধ্যমে বিস্তার লাভ করে। যেমন- ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয়, জন্ডিস এবং টাইফয়েড ইত্যাদি।
পানিবাহিত রোগের লক্ষণঃ
ডায়রিয়া রোগের লক্ষণঃ
- বারবার পাতলা পায়খানা হওয়া।
- ঘন ঘন বমি হওয়া।
- খুব পানির পিপাসা লাগা, মুখ ও জিহবা শুকিয়ে যাওয়া।
- চোখ ভিতরে ঢুকে যাওয়া।
- ধীরে ধীরে রোগীর নিস্তেজ হয়ে যাওয়া।
টাইফয়েড রোগের লক্ষণঃ
- জ্বর একেবারে ছাড়ে না, দিনে দিনে জ্বর বাড়তে থাকে।
- জ্বরের সাথে মাথাব্যথা, পেটব্যথা ও ঘাম হয়।
- শুরুতে কোষ্ঠকাঠিন্য থাকে। পরে পেট ফাঁপা ও ঘন ঘন পাতলা পায়খানা শুরু হয়।
আমাশয় রোগের লক্ষণঃ
- হালকা জ্বরের সাথে বারবার মলত্যাগ, মলে আম মিশ্রিত থাকে।
- তলপেটে ব্যথা হয়।
- অনেক সময় মলের সাথে রক্ত যায়।
জন্ডিসের লক্ষণঃ
- খেতে ভালো লাগে না, খাবারের গন্ধে বমি আসে।
- শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।
- বমি বমি ভাব হয়।
- পাতলা পায়খানা হয় এবং পায়খানার রং সাদাটে হয়।
- প্রস্রাবের রং হলুদ হয়।
- মাথাব্যথা ও শীত শীত মনে হয়।
পানিবাহিত রোগের বিস্তারের কারণঃ
ডায়রিয়া রোগের বিস্তারের কারণঃ
- ডায়রিয়া জীবাণু দ্বারা দূষিত পানি পান করলে।
- বাসি, পচা, নোংরা খাবার খেলে।
- অপরিচ্ছন্ন থালাবাটি ব্যবহার করলে।
- হাত সাবান দিয়ে না ধুয়ে খাবার খেলে।
টাইফয়েড রোগের বিস্তারের কারণঃ
- পানিতে এ রোগের জীবাণু থাকলে।
- এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশন করলে।
- খাবার আগে সাবান দিয়ে হাত না ধুলে।
আমাশয় রোগের বিস্তারের কারণঃ
- নোংরা, পচা, বাসি ও খোলা খাবার খেলে।
- অনিরাপদ পানি পান করলে।
- স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার না করলে।
- খাবার আগে হাত সাবান দিয়ে না ধোয়া।
পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধঃ
- পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধের ভাল একটি উপায় হল পানিতে জীবাণুর বিস্তার রোধ করা।
- পানিবাহিত রোগীর মলমূত্র পানিতে না ফেলা।
- আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহার্য জিনিসপত্র পানিতে না ধোয়া।
- যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ও মলমূত্র ত্যাগ করা থেকে বিরত থাকা। কারণ বৃষ্টির সময় উক্ত ময়লা আবর্জনা ও মলমূত্র পানিতে গিয়ে পানি দূষিত হয়।
- খাবার আগে এবং পায়খানা ব্যবহারের পরে ভালো করে হাত ধোয়া।
- পানি ফুটিয়ে পান করা।
- সর্বোপরি স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাটিন ব্যবহার করা।
৫) খাবারস্যালাইন তৈরির পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করুন।
খাবার স্যালাইন তৈরির পদ্ধতি নিচে আলোচনা করা হলো-
প্রয়োজনীয় সামগ্রীঃ
- একটি চা চামচ
- একটি পরিষ্কার গ্লাস বা বাটি
- খাবার লবণ
- চিনি বা গুড়
- নলকূপের পানি বা ফুটানো ঠাণ্ডা পানি।
তৈরির পদ্ধতিঃ
- একটি পরিষ্কার গ্লাস বা বাটিতে ৫০০ মিলি লিটার ( আধা লিটার) পরিমাণ নলকূপের পানি বা ফুটানো ঠাণ্ডা পানি নিতে হবে।
- এরপর হাত ভালো করে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এবার এক মুঠো গুড় অথবা চিনি আগের নেওয়া পাত্রের পানিতে ঢালতে হবে।
- তিন আঙুলের ডগা দিয়ে এক চিমটি লবণ ঐ পানিতে মিশাতে হবে।
- এখন উক্ত মিশ্রণটি চামচ দিয়ে নাড়তে হবে। এটা করতে হবে যতক্ষণ না লবণ, চিনি বা গুড় পানিতে সম্পূর্ণ মিশে যায়।
- উক্ত মিশ্রণটি পানিতে মিশে গেলেই স্যালাইন তৈরি হয়ে যাবে।
৬) বয়ঃসন্ধি কী? বয়ঃসন্ধিকালে শারীরিক পরিবর্তন ও শরীরের যত্ন ব্যাখ্যা করুন।
বয়ঃসন্ধিঃ
বয়ঃসন্ধি হল জীবনের এমন এক পর্যায় যখন আমাদের শরীর শিশু অবস্থা থেকে কিশোর অবস্থায় পৌঁছায়। সাধারণত মেয়েদের ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধি ৮ থেকে ১৩ বছরে এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে ৯ থেকে ১৫ বছর বয়সে শুরু হয়। বয়ঃসন্ধিকালে ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে শারীরিক, মানসিক ও আচরণিক পরিবর্তন দেখা দেয়।
বয়ঃসন্ধিকালে শারীরিক পরিবর্তনঃ বয়ঃসন্ধিকালে ছেলে ও মেয়ে উভয়ের শরীরে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা যায়। যেমন- দ্রুত লম্বা হওয়া, শারীরিক গঠন পরিবর্তন হওয়া, ত্বক তৈলাক্ত হওয়া, একটু বেশি ঘাম হওয়া, ব্রন উঠা ইত্যাদি। এ সময় শরীরের ওজনও বৃদ্ধি পায়, মাংশপেশি সুগঠিত হয়, ছেলেদের গলার স্বরেরও পরিবর্তন হয়।
বয়ঃসন্ধিকালে শরীরের যত্নঃ বয়ঃসন্ধিকালে কোন কিছু নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে কিংবা আবেগের দিক থেকে বড় পরিবর্তন আসতে পারে, শারীরিক পরিবর্তন দেখেও অনেকে দুশ্চিন্তায় ভোগে। এসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা এবং পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করা খুবই জরুরী। মনে রাখা প্রয়োজন, বয়ঃসন্ধিকাল সবার জীবনেই আসে, এ ধরনের পরিবর্তন স্বাভাবিক।
