এক্সপ্রেসিভ আর্ট (শারীরিক শিক্ষা); ক্লাস-২ - Proshikkhon

এক্সপ্রেসিভ আর্ট (শারীরিক শিক্ষা); ক্লাস-২

এক্সপ্রেসিভ আর্ট (শারীরিক শিক্ষা)

সেশন-২: ফুটবল ও এর নিয়মকানুন

ক্লাসের আলোচ্যবিষয়:

  • ফুটবল কী?
  • একটি ফুটবল খেলার মাঠ অংকন করুন এবং মাঠের বিভিন্ন অংশের বর্ণনা দিন।
  • ফুটবল খেলায় অফসাইড কীভাবে ধরা হয়?
  • ফুটবল খেলায় ফাউল বা অসদাচরণ গুলো লিখুন।
  • ফুটবল খেলায় কখন পেলান্টি কিক পায়?

ফুটবল কী?

ফুটবল হলো বিশ্বের অতি প্রাচীন ও খুবই জনপ্রিয় একটি খেলা। কালের বির্বতনে এটি  আধুনিক খেলায় পরিণত হয়েছে। আধুনিক ফুটবল খেলার জন্মস্থান ইংল্যান্ড। অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ার কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী খেলাটি  বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। ফুটবল খেলায় রয়েছে আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ‘ফিফা’ (FIFA) (ফেডারেশন ইন্টান্যাশনাল দি ফুটবল অ্যাসোসিয়শন। ১৯০৪ সালের ২১ মে প্যারিসে এই সংগঠনটি আত্মপ্রকাশ করে। বাংলাদেশ ফিফার সদস্যভূক্ত একটি দেশ। এ খেলা পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ১৭ টি আইন আছে। ফিফা খেলার আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগের ব্যবস্থা করে থাকে।

একটি ফুটবল খেলার মাঠ অংকন করুন এবং মাঠের বিভিন্ন অংশের বর্ণনা দিন।

ফুটবল আইনের প্রথমটি হলো মাঠ। নিম্নে একটি ফুটবল খেলার মাঠ অংকনপূর্ব মাঠের বিভিন্ন অংশের বর্ণনা করা হলো:

জাতীয় পর্যায়ে ফুটবল খেলার মাঠের সাইজ:

দৈর্ঘ্য: সর্বনিম্ন- ১১০ গজ (১০০ মিটার), সর্বোচ্চ ১২০ গজ (১০৪ মিটার) এবং

প্রস্থ: সর্বনিম্ন ৭০ গজ (৬৪ মিটার), সর্বোচ্চ ৮০ গজ (৬৮.০৫ মিটার)।

ফুটবল মাঠের আন্তর্জাতিক মাপ ৩ ধরণের। যথা:

১. দৈর্ঘ্য ১২০ গজ, প্রস্থ ৮০ গজ,

২. দৈর্ঘ্য ১১৫ গজ, প্রস্থ ৭৫ গজ,

৩. দৈর্ঘ্য ১১০ গজ, প্রস্থ ৭০ গজ।

ফুটবল খেলায় অফসাইড কীভাবে ধরা হয়?

কোন খেলোয়াড় যখন বল ছাড়াই বিপক্ষের অর্ধে চলে যায় বা অবস্থান নেয় এবং তার সামনে বিপক্ষের কমপক্ষে ২ জন খেলোয়াড় না থাকে এমতাবস্থায় সে যদি নিজ খেলোয়াড়ের নিকট হতে বল রিসিভ করে, তখন সে অফসাইড বলে বিবেচিত হবে। তবে থ্রো-ইন, গোল কিক, কর্ণার কিক থেকে সরাসরি বল পেলে অফসাইড হবে না।

ফুটবল খেলায় ফাউল বা অসদাচরণ গুলো লিখুন।

ফাউল বা অসদাচারণ : ফাউল বা অসদাচারণ হলে ২ ধরণের কিক দেওয়া হয়।

ক. ডাইরেক্ট ফ্রি কিক

খ. ইনডাইরেক্ট ফ্রি কিক।

ক. ডাইরেক্ট ফ্রি কিক: ১০ ধরণের অপরাধের জন্য ডাইরেক্ট ফ্রি কিক দেওয়া হয় সেগুলো হলো:

১. প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড়কে লাথি মারা বা লাথি মারার চেষ্টা করা।

২. বিপক্ষ খেলোয়াড়কে ল্যাং মারা।

৩. বিপক্ষ খেলোয়াড়ের উপর লাফানো।

৪. বিপক্ষ খেলোয়াড়কে আক্রমণ করা।

৫. প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড়কে আঘাত করা বা আঘাতের চেষ্টা করা।

৬. বিপক্ষ খেলোয়াড়কে ধাক্কা মারা।

৭. বল খেলার পূর্বে বিপক্ষের সাথে সংঘর্ষ করা।

৮. বিপক্ষ খেলোয়াড়কে ধরে রাখা।

৯. বিপক্ষ খেলোয়াড়কে থুথু মারা।

১০. বল হাত দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে ধরা, বহন করা, আঘাত করা বা সামনে চালিত করা। (গোল কিপারের জন্য এই নিয়ম পেনাল্টি এরিয়ার ভিতর প্রযোজ্য নয়)

খ. ইনডাইরেক্ট ফ্রি কিক: যে ধরণের অপরাধগুলোর জন্য ইনডাইরেক্ট ফ্রি কিক দেওয়া হয়-

ক. এমনভাবে খেলা যা রেফারির নিকট বিপজ্জনক বলে মনে হয়। 

খ. বল আয়ত্তে না থাকা অবস্থায় কাঁধ দিয়ে ধাক্কা দেওয়া।

গ. গোল রক্ষক বল ছুড়ে দেওয়ার সময় তাকে বাধা দেওয়া।

ঘ. বল নিজে খেলছে না অহেতুক অপরকে বাধা দেওয়া।

ঙ. গোলরক্ষককে আক্রমণ করা, গোলরক্ষক যখন তার সীমানার মধ্যে থাকে।

চ. গোলরক্ষক বল ছেড়ে দেওয়ার পর অন্য খেলোয়াড় টাচ করার পূর্বেই টাচ করা।

ছ. গোলরক্ষক ইচ্ছাকৃতভাবে সময় নষ্ট করলে।

ফুটবল খেলায় কখন পেলান্টি কিক পায়?

পেনাল্টি প্রদানের নিয়ম:

পেনাল্টির নিয়ম আর ফাউলের নিয়ম হুবহু একই। তবে গোলরক্ষকের জন্য ফাউলের ১০ নং নিয়মটি প্রযোজ্য নয়। (ডাইরেক্ট ফ্রি কিক প্রদানের নিয়ম ১০টি দেখুন)

শারীরিক শিক্ষা বিষয়ক আরও পোস্ট দেখুন

Comments (1)

[…] ফুটবল ও এর নিয়ম-কানুন […]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!