ডিফল্ট Archives - Page 2 of 16 - Proshikkhon

Category "ডিফল্ট"

1Feb2022

Annual Lesson Plan-2022 | Jan-April | Math

বার্ষিক পাঠপরিকল্পনা-২০২২ | জানু-এপ্রিল | প্রাথমিক গণিত | ১ম-৫ম শ্রেণি

আরও বার্ষিক পাঠপরিকল্পনা দেখুন ও ডাউনলোড করুন।

বার্ষিক পাঠপরিকল্পনাটির পিডিএফ ডাউনলোড করুন। সকলের উপকারার্থে লিংকটি শেয়ার করে দিন।

[pdfjs-viewer attachment_id=14808 url=https://www.proshikkhon.net/wp-content/uploads/2022/02/Annual-Lesson-Plan-2022-Math.pdf viewer_width=0 viewer_height=800 url=https://www.proshikkhon.net/wp-content/uploads/2022/02/Annual-Lesson-Plan-2022-Math.pdf download=true print=true fullscreen=false fullscreen_target=false fullscreen_text=”on” zoom=0 ]
1Feb2022

Annual Lesson Plan-2022 | Jan-April | English

বার্ষিক পাঠপরিকল্পনা-২০২২ | জানু-এপ্রিল | ইংরেজি | ১ম-৫ম শ্রেণি

আরও বার্ষিক পাঠপরিকল্পনা দেখুন ও ডাউনলোড করুন।

বার্ষিক পাঠপরিকল্পনাটির পিডিএফ ডাউনলোড করুন। সকলের উপকারার্থে লিংকটি শেয়ার করে দিন।

[pdfjs-viewer attachment_id=14805 url=https://www.proshikkhon.net/wp-content/uploads/2022/02/Annual-Lesson-Plan-2022-English.pdf viewer_width=0 viewer_height=800 url=https://www.proshikkhon.net/wp-content/uploads/2022/02/Annual-Lesson-Plan-2022-English.pdf download=true print=true fullscreen=false fullscreen_target=false fullscreen_text=”on” zoom=0 ]
1Feb2022

Annual Lesson Plan-2022 | Jan-April | Bangla

বার্ষিক পাঠপরিকল্পনা-২০২২ | জানু-এপ্রিল | বাংলা | ১ম-৫ম শ্রেণি

আরও বার্ষিক পাঠপরিকল্পনা দেখুন ও ডাউনলোড করুন।

বার্ষিক পাঠপরিকল্পনাটির পিডিএফ ডাউনলোড করুন। সকলের উপকারার্থে লিংকটি শেয়ার করে দিন।

[pdfjs-viewer attachment_id=14785 url=https://www.proshikkhon.net/wp-content/uploads/2020/02/Annual-Lesson-Plan-2022-Bangla.pdf viewer_width=0 viewer_height=800 url=https://www.proshikkhon.net/wp-content/uploads/2020/02/Annual-Lesson-Plan-2022-Bangla.pdf download=true print=true fullscreen=false fullscreen_target=false fullscreen_text=”on” zoom=0 ]
18Jan2022

What is a marking scheme? Sample marking scheme

শিক্ষার্থীদের সামাজিক দক্ষতা উন্নয়নের উপায়সমূহ

মার্কিং স্কিম কী:

প্রতি বিষয়ের প্রতিটি প্রশ্ন ও তার সম্ভাব্য উত্তর এবং উত্তর মূল্যায়ন নিদের্শিকা অর্থাৎ শিক্ষার্থী কর্তৃক লিখিত প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরের প্রেক্ষিতে সে কত নম্বর পাবে তার সুস্পষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত ডকুমেন্ট হলো মার্কিং স্কিম।

মার্কিং স্কিম প্রণয়নের যৌক্তিকতা:

১. মূল্যায়ন নির্দেশিকা একটি সুস্পষ্ট ডকুমেন্ট বলে মূল্যায়ন যথার্থ হয়।

২. উত্তরপত্র মূল্যায়নকারীগণ ইচ্ছে মাফিক মূল্যায়ন করতে পারেন না বলে মূল্যায়ন নিরেপেক্ষ হয়।

৩. মূল্যায়ন পক্ষপাতহীন হয়।

৪. কোন শিক্ষার্থী অধিক সুবিধা পাবেন পক্ষান্তরে কেউ বঞ্চিত হবেনা।

সাধারণভাবে বিভিন্ন পরীক্ষক কর্তৃক প্রদত্ত্ব নম্বরে পার্থক্য হবার কারণ:

  • প্রশ্নপত্রে সু অভীক্ষার বৈশিষ্ট্য বজায় না থাকা;
  • পরীক্ষকগণকে কোন মার্কিং স্কিম সরবরাহ না করা;
  • পরীক্ষক কর্তৃক নির্দেশনা বুঝার ক্ষেত্রে অষ্পষ্টতা;
  • উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য বরাদ্ধকৃত সময়ের স্বল্পতা;
  • উত্তরপত্র মূল্যায়নকারী নির্বাচনের ত্রুটিজনিত কারণে সুযোগ্য পরীক্ষক নির্বাচিত না হওয়া।

উত্তরপত্র মূল্যায়নকারীগণের জন্য অনুসরণীয় নির্দেশনা নিম্নরূপ:

মূল্যায়নকারীর জন্য মূল্যায়ন পূর্ব-করণীয়:

১. প্রতিটি অভীক্ষাপদ মনোযোগ দিয়ে পড়বেন।

২. উত্তরপত্র মূল্যায়নের আগে উত্তরপত্র মূল্যায়নকারীকে মার্কিং স্কিম ভাল করে  পড়ে প্রতিটি অভীক্ষাপদের উত্তর  এবং তার বিপরীতে কত নম্বর প্রদান করতে হবে, কী হবে তা নিশ্চিত হতে হবে।

২. মাকিং স্কিমে  প্রতিটি অভীক্ষাপদের জন্য যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছেÑতা অনুসরণ করতে হবে। উল্লেখ্য মূল্যায়নকারীকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পাঠ্যবই ও তার বিষয়বস্তু, যোগ্যতা ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা থাকতে হবে।

৩. এ বিষয়ে কোন অস্পষ্টতা দেখা দিলে তবে তা স্পষ্টীকরণের জন্য প্রধান পরীক্ষক/নেপ এর সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অভীক্ষা পদ প্রণয়নকারীগণের সহায়তা নিতে হবে।

৪. কোন অভীক্ষাপদের উত্তর সম্পর্কে  মূল্যায়নকারী নিশ্চিত না হয়ে কেবলমাত্র আন্দাজের উপর ভিত্তি করে মূল্যায়ন করা যাবে না।

৫. উত্তরপত্র (খাতা) প্যাকেট সংগ্রহ করার পর প্যাকেটের ভিতর খাতার সংখ্যা গণনা করে দেখতে হবে। কোন প্রকার অসংগতি দেখা গেলে, খাতা সরবরাহকারীকে অবহিত করতে হবে।

উত্তরপত্র মূল্যায়নকালীন সময়ে করণীয়:

১. মুল্যায়নকারীকে ধৈর্য সহকারে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে হবে।

২. মুল্যায়নকারী মুল্যায়নকালে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবেন। মূল্যায়নকারীকে সর্বদা মনে রাখতে হবে যে, তিনি বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন।

৩. শিক্ষার্থী অপ্রাসঙ্গিক/ ভুল উত্তরের জন্য কোন নম্বর পাবেনা।

৪. বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে বানান ভুলের জন্য কোন নম্বর কর্তন করা সমীচীন হবেনা।

৫. অস্পষ্টতা কিংবা দূর্বোধ্যতার কারণে হাতের লেখা পড়তে না পারলে কোন স্কোর/নম্বর দেয়া যাবেনা।

৬. হাতের লেখা ভাল-মন্দের কারণে নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রে কোন রকম হেরফের হবেনা। কেনন্ এখানে হাতের লেখার মান যাচাই করা হচ্ছেনা; শিক্ষার্থী প্রশ্নের উত্তর/তথ্য জানে কিনা, সেটিই মূল বিবেচ্য বিষয়।

৭. বহু নির্বাচনী প্রশ্নের জন্য প্রশ্নপত্রে যে নির্দেশনা প্রদান করা আছে তা যথাযথভাবে অনুসরণ করবেন।

৮. অভীক্ষার উত্তরের যথার্থ ও সুনির্দিষ্টতার দিকে লক্ষ রেখে মূল্যায়ন করতে হবে।

৯. প্রতিটি অভীক্ষা পদের (প্রশ্নের) উত্তর মূল্যায়ন করেছেন কিনা তা মূল্যায়নকারীকে যাচাই করতে হবে।

১০. প্রতিটি উত্তরের জন্য নির্দেশনা মোতাবেক নম্বর প্রদান করা হয়েছে কিনা তা পুনঃ নিরীক্ষা করতে হবে।

১১. নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রে ঘষামাজা (ঙাবৎ ডৎরঃরহম) করা যাবে না। প্রয়োজনে একটানে কেটে সঠিক নম্বর বসিয়ে পাশে অনু স্বাক্ষর করতে হবে।

মূল্যায়নের পর করণীয় :

১. পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর অনুযায়ী পরীক্ষিত উত্তরপত্রগুলো সাজাতে হবে।

২. প্রতিটি নম্বর ফর্দের নিচে মূল্যায়নকারীকে যথাস্থানে স্বাক্ষর করতে হবে । নম্বর ফর্দে নম্বর উত্তোলনে কোন প্রকার কাটাকাটি বা ঘষামাজা করা যাবে না। প্রয়োজনে একটানে কেটে সঠিক নম্বর বসিয়ে পাশে অনু স্বাক্ষর করতে হবে।

৩. সকল প্রকার গোপনীয়তা বজায় রাখতে হবে।

মূল্যায়নকারী যা যা করবেন না:

১. এক বসায় ৫-১০ টির বেশি উত্তরপত্র মূল্যায়ন করবেন না।

২. নিজের ব্যক্তিগত অভিমতের ভিত্তিতে উত্তর মূল্যায়ন করা যাবে না।

৩. উত্তরপত্র যেখানে সেখানে অযত্নে ফেলে রাখা যাবে না।

৪. অমনোযোগী হয়ে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা যাবে না।

৫. অপরিস্কার লেখা দেখে অধৈর্য হওয়া যাবে না এবং সুন্দর লেখা বা অপরিস্কার লেখার জন্য অধিক/ কম নম্বর প্রদান করা যাবে না।

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের নমুনা মার্কিং স্কিম

(ক) বহুনির্বাচনী অভীক্ষা পদ:

বি: দ্র: প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১নম্বর করে পাবে। কোন অভীক্ষা পদের সঠিক উত্তরসহ একাধিক উত্তরে টিক চিহ্ন দিলে, শিক্ষার্থী কোন নম্বর পাবে না। সঠিক উত্তরের ডানে প্রদত্ত ঘরের ভিতরে, বামে, ডানে টিক দিলে উত্তর সঠিক হয়েছে হলে গন্য হবে।

অভীক্ষা পদ-১. টিউবয়েলের আর্সেনিকযুক্ত পানি দীর্ঘদিন পান করলে নিম্নের কোন রোগটি হতে পারে ? নম্বর-১

(ক) ডায়রিয়া

(খ) ক্যান্সার

(গ) সর্দি

(ঘ) যক্ষা         

উত্তর: (খ) ক্যান্সার

অভীক্ষা পদ-২. শিশুশ্রম বন্ধ হলে কী হবে? নম্বর- ১

(ক) দেশের আয় বৃদ্ধি পাবে

(খ) শিশু পাচার বন্ধ হবে

(গ) শিশুদের অধিকার রক্ষা হবে

(ঘ) কলকারখানার উৎপাদন বাড়বে         

উত্তর:  (গ) শিশুদের অধিকার রক্ষা হবে

অভীক্ষা পদ-৩. তুমি বাড়ীর নিকটবর্তী মাঠে খেলতে যাবার পথে দেখলে এলাকার লোকজন মিলে ভা্গংা রাস্তা মেরামত করছে। এক্ষেত্রে তুমি কী করবে?

(ক) অন্য রাস্তা দিয়ে খেলতে যাব

(খ) রাস্তা মেরামতের কাজে সাহায্য করব

(গ) রাস্তা মেরামতের কাজ দেখব

(ঘ) রাস্তা মেরামতে অন্যকে সাহায্য করতে বলবো

উত্তর:  (খ) রাস্তা মেরামতের কাজে সাহায্য করব

(খ) কাঠামোবদ্ধ অভীক্ষা পদ (সিআরকিউ):

অভীক্ষা পদ -১. নারী উন্নয়নে বেগম রোকেয়ার ৫টি অবদান লিখ।    

উত্তর: নারী উন্নয়নে বেগম রোকেয়ার ৫টি অবদান হল:

ক.মুসলিম নারীদেরকে শিক্ষিত (ও সচেতন) করার মাধ্যমে তাদের অধিকার আদায়ে সহায়তা দান।

খ.নারী সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য অনেক পুস্তক রচনা করা।

গ.নারী শিক্ষা প্রসারের জন্য মুসলিম বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা।

ঘ.মুসলিম মহিলা ট্রেনিং স্কুল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নারীদেরকে আধুনিক রান্না, সেলাই ও সন্তান প্রতিপালনে দক্ষ হতে সহায়তা করেছিলেন।

ঙ.মুসলিম নারীদেরকে সমাজের কঠোর পর্দা প্রথা ভেঙ্গে সমাজে স্বাভাবিকভাবে চলার সুযোগ করে দেয়া।

নির্দেশনা: উত্তর কলামে প্রদত্ত উত্তরগুলোর যে কোন ৫ টি অথবা প্রদত্ত অভীক্ষার জন্য যথার্থ উত্তর লিখতে পারলে প্রতিটির জন্য ১ নম্বর করে পাবে।  বানান ভুলের কারণে অর্থের পার্থক্য না  হলে কোন নম্বর কাটা যাবে না।

অভীক্ষা পদ-২. তুমি সমাজের সকল শ্রমজীবি মানুষকে কেন শ্রদ্ধা করবে তার ৩ টি কারণ লিখ?  উত্তর: আমি সমাজের সকল শ্রমজীবি মানুষকে শ্রদ্ধা করব। কারণ:

ক. সমাজে সুষ্ঠু ও সুন্দর জীবন যাপনের জন্য আমরা শ্রমজীবিদের ওপর নির্ভরশীল।

খ. শ্রমিকরাই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি।

গ. শ্রমিককদের কারণেই সমাজ ও রাস্ট্রীয় কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে চলতে পারে।

ঘ. আমাদের প্রতিদিনের সকল কাজে কোন না কোনভাবে শ্রমিকদের ওপর নির্ভরশীল।

ঙ. কোন দেশের সার্বিক উন্নয়ন নির্ভর করে দেশের শ্রমিক শ্রেনীর সেবার মানের ওপর।

নির্দেশনা: উত্তর কলামে প্রদত্ত উত্তরগুলোর যে কোন ৩ টি অথবা প্রদত্ত অভীক্ষার জন্য যথার্থ উত্তর লিখতে পারলে প্রতিটির জন্য ১ নম্বর করে পাবে।  বানান ভুলের কারণে অর্থের পার্থক্য না  হলে কোন নম্বর কাটা যাবে না।

অভীক্ষা পদ -৩. তোমার শ্রেণিতে ক্লাশ ক্যাপ্টেন নির্বাচন করতে হবে। এক্ষেত্রে তুমি যাকে যোগ্য মনে করে ভোট দিবে তার পাঁচটি গুন উল্লেখ কর।   

উত্তর:  ক্লাশ ক্যাপ্টেন হবার জন্য নিম্নের ৫টি গুন থাকা প্রয়োজন। যথা:

১. সবার সাথে মিশতে পারা

২. স্পষ্ট ও সুন্দর করে কথা বলা

৩. দায়িত্বশীল

৪. সৎ ও ন্যায়বান

৫. পরোপকারী।

নির্দেশনা: উত্তর কলামে প্রদত্ত উত্তরগুলোর যে কোন ৫ টি অথবা প্রদত্ত অভীক্ষার জন্য যথার্থ যে কোন উত্তর লিখতে পারলে প্রতিটির জন্য ১ নম্বর করে পাবে।  বানান ভুলের কারণে অর্থের পার্থক্য না  হলে কোন নম্বর কাটা যাবে না।

আরও পোস্ট দেখুন:

শ্রেণি ব্যবস্থাপনা: ধারণা, উপাদান ও কৌশল

18Jan2022

Identification, formulation, use and storage of materials

শিখন শেখানোর জন্য সংশ্লিষ্ট উপকরণ সনাক্তকরণ, প্রণয়ন, ব্যবহার এবং সংরক্ষণ

শিখন শেখানো কার্যাবলিতে শত শত শব্দের চেয়ে একটি শিক্ষা উপকরণ বেশি গুরুত্ব বহন করে। একজন দক্ষ শিক্ষক ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বিষয়ের পাঠ উপস্থাপনে পাঠকে সহজ, আকর্ষণীয়, আনন্দদায়ক ও ফলপ্রসূ করার জন্য পাঠ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন  শিক্ষোপকরণ ব্যবহার করেন । পাঠে দৃষ্টি নির্ভর, শ্রুতি নির্ভর, ও দর্শন-শ্রবণ নির্ভর উপকরণ ব্যবহার করলে শিক্ষার্থীর শিখন স্থায়ী, প্রাণবন্ত ও হৃদয়গ্রাহী হয় । তাই পাঠভিত্তিক উপকরণ নির্বাচন একান্ত প্রয়োজন। পাঠ ভিত্তিক  বিভিন্ন উপকরণ অতি সহজেই ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া যায় । পাঠ ভিত্তিক উপকরণ সনাক্তকরণ, কোন কোন উৎস থেকে উপকরণ সংগ্রহ ও তৈরি করা যায় তার কৌশল এ অধিবেশনে আলোচনা করা হয়েছে।

শিক্ষা উপকরণের প্রকারভেদ

১. দৃষ্টি নির্ভর উপকরণ 

  • বাস্তব উপকরণ : গাছ, পাতা, জাতীয় পতাকা, বই, পেনসিল ইত্যাদি ।
  • মডেল: শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধ, সেতু, গ্লোব, ফল ইত্যাদি ।
  • চার্ট: জাতীয় প্রতীক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, উৎসব, মহাদেশ, জনসংখ্যার চার্ট ইত্যাদি ।
  • ছবি: প্রাকৃতিক দৃশ্য, শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধ, বিদ্যালয়, পেশাজীবি মানুষ ইত্যাদি ।
  • মানচিত্র: পৃথিবীর, মহাদেশের, দেশের, জেলার, উপজেলার, ইত্যাদি ।
  • পোস্টার: স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ, জনসংখ্যা ইত্যাদির পোস্টার ।

২. শ্রুতি নির্ভর উপকরণ : 

রেডিও, ক্যাসেট প্লেয়ার, টেলিফোন ইত্যাদি ।

৩. দর্শন-শ্রবণ নির্ভর উপকরণ:

টিভি, ভিসিআর, ভিসিডি, কম্পিউটার ইত্যাদি।

পাঠভিত্তিক উপকরণের ব্যবহার কৌশল

  • সকলের দৃষ্টিগোচর করে উপকরণ প্রদর্শন করতে হবে
  • প্রথমে বাস্তব ও পরে অর্ধবাস্তব উপকরণ প্রদর্শন করতে হবে
  • যে উপকরণ যখনই প্রয়োজন তখনই প্রদর্শন করতে হবে
  • যে উপকরণ যতক্ষণ প্রয়োজন তা ততক্ষণ প্রদর্শন করতে হবে
  • ক্সশ্রেণির সকল শিক্ষার্থীর চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখে উপকরণ প্রদর্শন করতে হবে
  • উপকরণ হিসেবে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করার বিষয়টি  মনে রাখতে হবে
  • শিক্ষার্থীদের প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমেই উপকরণের বিষয়বস্তু স্পষ্ট করতে হবে
  • প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পাঠের ক্ষেত্রে উপকরণ ব্যবহারে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে ।

উপকরণ সংরক্ষণ কৌশল

  • শ্রেণি, বিষয় ও পাঠভিত্তিকভাবে আলাদা করে উপকরণ সংরক্ষণ করতে হবে;
  • চার্ট, পোস্টার, মানচিত্র, ছবি উপকরণ ঝুলিয়ে রাখতে হবে;
  • ছোট ছোট জড়বস্তু বা মডেল আলমারিতে রাখত হবে;
  • উপকরণ শুকনো জায়গায় রাখতে হবে;
  • দামি যন্ত্রপাতি প্রধান শিক্ষকের আলমারিতে রাখতে হবে;
  • উইপোকা ও ইঁদুরের উপদ্রবমুক্ত স্থানে উপকরণ রাখতে হবে;
  • মাঝে মাঝে কীটনাশক বা ন্যাপথলিন জাতীয় ঔষধ দিয়ে উপকরণ সংরক্ষণ করতে হবে ।

আরও পোস্ট দেখুন:

আইসিটি ব্যবহারযোগ্য উপকরণ সনাক্তকরণ, ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি ও ব্যবহার

18Jan2022

Identification of ICT usable materials, creation and use of digital content

আইসিটি ব্যবহারযোগ্য উপকরণ সনাক্তকরণ, ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি ও ব্যবহার

বর্তমান যুগ তথ্য প্রযুক্তির যুগ । গ্লোবালাইজেশন ধারণায় আইসিটি  (ICT-Information and Communication Technology)  তথ্য প্রবাহে এক গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা পালন করছে । আইসিটি (ICT)  বাংলায়  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নামে পরিচিত । বাংলাদেশ সরকারের একসেস টু ইনফরমেশন (A2I)-প্রকল্প কর্তৃক উদ্ভাবিত ‘মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম’ ও ‘শিক্ষকদের দ্বারা ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি’ -কর্মসূচি শিক্ষার মানোন্নয়নে একটি উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা ।বাংলাদেশে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে ‘মাল্টিমিডিয়া  ক্লাসরুম’ স্থাপনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে ।

বাংলাদেশ সরকারের সুদূরপ্রসারী এ পদক্ষেপের মাধ্যমে সারা দেশে একযোগে শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ( ICT in Education) ব্যবহার  নিশ্চিত হবে বলে আশা করা যায় । ICT শিক্ষা উপকরণ হচ্ছে-কম্পিউটার এবং অন্যান্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি মাল্টিমিডিয়া বা ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ যেগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে শিখন-শেখানো কার্যক্রমকে সহজ,আনন্দদায়ক, আকর্ষণীয় এবং কার্যকর করা যায় ।

আইসিটি (ICT) ব্যবহারযোগ্য উপকরণ:

  • ল্যাপটপ
  • ডেস্কটপ
  • পেনড্রাইপ
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মডেম
  • ইউএসবি মডেম
  • সাউন্ড বক্স
  • পোটেবল হার্ডডিস্ক
  • সিডি
  • কী বোর্ড
  • প্রিন্টার
  • স্ক্যানার
  • ইউপিএস
  • ওয়েব ক্যামেরা
  • ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি।

শিক্ষামূলক গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট তালিকা:

আরও পোস্ট দেখুন:

মূল্যায়ন: উদ্দেশ্য, প্রকারভেদ ও কৌশল

17Jan2022

Ways to develop students’ social skills

শিক্ষার্থীদের সামাজিক দক্ষতা উন্নয়নের উপায়সমূহ

শিশুদের সামাজিক দক্ষতা যেমন- মৌখিক যোগাযোগ দক্ষতা, ঐক্যমত্যের পৌঁছানোর জন্য আলাপ আলোচনার দক্ষতা, কার্যকরী শোনার দক্ষতা, অভিব্যক্তির মাধ্যমে যোগাযোগ দক্ষতাসমূহ অর্জনের জন্য শিক্ষকগণ নিম্নলিখিত উপায় অবলম্বন করতে পারেন। যথা:

ক্লাশ মিটিং (Class Meetings):

সপ্তাহে ১দিন সকল শিক্ষার্থীকে নিয়ে শিক্ষক মিটিং করতে পারেন। সমস্যা সমাধানের জন্য সকলের মতামত নিবেন। সমস্যা সমাধানের উপায়গুলো সকলের সাথে শেয়ার করবে। এর মাধ্যমে শ্রেণীকক্ষ ব্যাবস্থাপনা, শৃংঙ্খলা ও আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

মৌখিক অভিব্যক্তি অনুধাবন করা (Real Facial Expression):

মৌখিক অভিব্যক্তির ছবি শিক্ষার্থীদের দেখিয়ে যে কোন ১টি পছন্দ করতে বলবেন এর উপর ভিত্তি করে গল্প লিখতে বলবেন গণনা লিখবে। এখান থেকে শিক্ষার্থীরা মৌখিক অভিব্যক্তি বোঝা ও সহমর্মিতার ধারণা লাভ করবে।

আবেগিক মুকাভিনয় (Emotional charade):

শিক্ষক শিক্ষার্থীর কানে কানে যে কোন ১টি আবেগের নাম বলবেন। শিক্ষার্থী সে অনুযায়ী অভিনয় করে দেখাবে। এটি কোন ধরনের আবেগিক প্রকাশ, অন্যরা তা বুঝে উত্তর দিবে।

সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ (Decision in Democratic way):

যেমন- ভোটের মাধ্যমে, প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষার্থীকে সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ দিয়ে।

অভিনয় (Role Play):

যেমন শ্রেণীকক্ষে শৃংঙ্খলার সাথে কাজের অভ্যাস গঠনের জন্য আপনি বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে পারেন।। যেমন: কাজের সময় শ্রেণীকক্ষের অবস্থা কেমন হওয়া উচিৎ তা অভিনয় করে দেখাতে বলা এবং শিক্ষক কর্তৃক ফীডব্যাক প্রদান।

সামাজিক গল্প বলা (Social Stories):

শিক্ষক পাঠ সংশ্লিষ্ট একটি গল্প বলতে বলতে কোন সমস্যামূলক একটি জায়গায় এসে থামবেন। এবার সে সমস্যাটির সমাধান কী হতে পারে বা এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য কি পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে তার উপর লিখতে দেয়া/মতামত নেয়া।

আরও পোস্ট দেখুন:

শিখন শেখানোর জন্য সংশ্লিষ্ট উপকরণ সনাক্তকরণ, প্রণয়ন, ব্যবহার এবং সংরক্ষণ

17Jan2022

Terminal Competencies of Bangladesh and Global Studies

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের প্রান্তিক যোগ্যতা

১. সমাজ, পরিবেশ ও পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান সম্পর্কে জানা এবং এগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের গুরুত্ব উপলব্ধি করা।

২. বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুসহ (নারীপুরুষ, শ্রেণি, জাতি-ধর্ম-বর্ণ ইত্যাদি নির্বিশেষে) সকলের সাথে সহযোগিতা ও সম্প্রীতির মানসিকতা অর্জন করা।

৩. মৌলিক চাহিদা ও মানবাধিকার সম্পর্কে ধারণা অর্জন এবং বাস্তব জীবনে অনুশীলন করা।

৪. সমাজ ও রাষ্ট্রের সদস্য হিসেবে নিজের অধিকার, দায়িত্ব-কর্তব্য ও নিরাপত্তা সম্পর্কে জানা এবং এগুলো অর্জন ও পালনে সচেতন হওয়া।

৫. ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের পরিচয়, যথাযথ ব্যবহার, সংরক্ষণ ও অপচয় রোধ করা।

৬. সকল পেশাকে সমান গুরুত্ব দেওয়া ও কায়িক শ্রমের প্রতি আগ্রহী হওয়া।

৭. পরমতসহিষ্ণুতা প্রদর্শন ও গণতান্ত্রিক রীতিনীতি অনুশীলন করা।

৮. নৈতিক ও সামাজিক গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে ভালোমন্দের পার্থক্য নিরূপণ করতে পারা এবং তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করা।

৯. বিভিন্ন ধরনের সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকা অংশগ্রহণ করা এবং এগুলোর গুরুত্ব উপলব্ধি করা।

১০. দুর্যোগ সম্পর্কে জানা এবং দুর্যোগ মোকাবেলার দক্ষতা অর্জন করা।

১১. পরিবেশ দূষণের কারণ জানা এবং পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে অংশগ্রহণ করা।

১২. জনসংখ্যা সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে জানা।

১৩. পৃথিবীর মহাদেশ ও মহাসাগরগুলো সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা অর্জন।

১৪. মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানা ও এর চেতনায় দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধে উদ্দীপ্ত হওয়া ।

১৫. বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে জানা এবং এগুলোর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া ও ভালোবাসা।

১৬.আন্তর্জাতিকতাবোধ, বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব ও বিশ্ব সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী ও শ্রদ্ধাশীল হওয়া।

আরও পোস্ট দেখুন:

17Jan2022

Modern Theories and Approaches for Teaching and Learning

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে শিখন-শেখানোর জন্য বিভিন্ন আধুনিক তত্ত্ব ও এ্যাপ্রোচের ব্যবহার

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয় শিখন-শেখানোর জন্য বিভিন্ন আধুনিক তত্ত্ব ও এ্যাপ্রোচের প্রচলন রয়েছে। বর্তমান শিখনক্রমের ধারাবাহিকতা হচ্ছে- জানা থেকে অজানা, নিকট থেকে দূরে, সহজ থেকে কঠিন । আধুনিককালে প্রত্যেকটি তত্ত্ব ও এ্যাপ্রোচেও জোর দেওয়া হয়েছে শিক্ষার্থীদের ‘নিজে করে শেখার’ (Learning by doing) উপর। বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয় শিখন-শেখানোর জন্য যে সকল তত্ত্ব ও এ্যাপ্রোচ আছে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হল:

১.জ্ঞান বিকাশমূলক তত্ত্ব (Theory of Cognitive Development),

২.সামাজিক সাংস্কৃতিক তত্ত্ব (Socio-cultural Theory),

৩.সংগঠনমূলক তত্ত্ব (Constructivist Theory),

৪.সামাজিক শিখন তত্ত্ব (Social Learning Theory),

৫.পরিবেশবাদী তত্ত্ব (Environmentalist Theory),

৬.বহুমুখী বুদ্ধিমত্তা তত্ত্ব (Multiple Intelligence Theory),

৭.এরিকসনের মনোসামাজিক উন্নয়ন তত্ত্ব (Erikson’s Theory of Psycho-Social Development)

৮.ড্যাপ এ্যাপ্রোচ (Developmentally Appropriate Practices (DAP) Approach) প্রভৃতি।

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের বিষয়বস্তু শেখানোর ক্ষেত্রে সংগঠনমূলক তত্ত্বের প্রয়োগ কৌশল

গঠনমূলক তত্ত্ব (Constructivist Theory) শিখন প্রক্রিয়ায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মডেল। গঠনমূলক তত্ত্বের বহুমাত্রিক ব্যাখ্যা রয়েছে- যেমন: পিঁয়াজেশিয়ান গঠনমূলক হতে র‌্যাডিক্যাল গঠনমূলক (Radical Constructivism), অথবা সামাজিক গঠনমূলক (Social Constructivism) হতে ‘সামাজিক সাংস্কৃতিক এ্যাপ্রোচ’।

গঠনমূলক তাত্ত্বিকদের মতে ‘জ্ঞান সবসময়ই জ্ঞান যা একজন ব্যক্তি গঠন করে। যে কারণে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে যথাযথ জ্ঞান উৎপাদন করা সম্ভব। গঠনমূলক তাত্তি¡করা মনে করেন যদি শিক্ষার্থীর চিন্তা বা ধারণা প্রকাশের ক্ষেত্রে উৎসাহ প্রদান করা হয় তাহলে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা কার্যক্রমে অনেক বেশি ক্ষমতায়ন/অর্জন করতে পারবে। যার ফলে শ্রেণিকক্ষ বা শ্রেণিকক্ষের বাইরে তাদের দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ পাবে এবং যে কোন বিষয়ে একটি অর্থপূর্ণ ব্যাখ্যা দেয়া সম্ভব হবে।

জন ডিউই (John Dewey, ১৯৩৮) সামাজিক গঠনমূলক তাত্ত্বিকদের মধ্যে অন্যতম। তিনি মনে করেন, সামাজিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীর ক্ষমতায়নের ফলাফল হল শিক্ষা। সমাজের একজন সদস্য হিসেবে শিক্ষার্থী তার নিজেকে বিশ্লেষণ করতে পারবে। স্কুল সামাজিক সম্প্রদায়ের একটি অনুসঙ্গ যা শিক্ষার্থীকে সামাজিক জ্ঞান গঠন ও সম্প্রদায়ের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে তৈরী করতে সাহায্য করে। সামাজিক বিজ্ঞানে গঠনমূলক তত্ত্বের প্রয়োগ গুরুত্বপূর্ণ। নিম্নলিখিত কৌশল সমুহ প্রয়োগের মাধ্যমে গঠনমূলক তত্ত্বের প্রয়োগ করা সম্ভব।

  • শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান ও তাদের মতামত প্রকাশের সুযোগ প্রদান করা।
  • শিক্ষার্থীদের নিজেদের মধ্যে ও শিক্ষকের সাথে কথোপকথন/মতবিনিময়ের সুযোগ প্রদান করা।
  • শিক্ষার্থীদের চিন্তাশীল ও উন্মুক্ত প্রশ্ন করুন এবং তাদের বিভিন্ন প্রশ্ন করতে উৎসাহ প্রদান করা।
  • শিক্ষার্থীদের যেকোন প্রাথমিক ধারণার বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করা।
  • শিক্ষার্থীদের সাথে অভিজ্ঞতা বিনিময় করা।

আরও পোস্ট দেখুন:

17Jan2022

Relation between Curriculum and Learning Continua

শিক্ষাক্রম ও শিখনক্রমের পারস্পরিক সম্পর্ক

শিখনক্রম (Learning Continua):

প্রাথমিক শিক্ষাস্তরের ১১টি বিষয় রয়েছে যেগুলোর শিখনক্রম শ্রেণিভিত্তিক বিভাজন করা হয়েছে। আমরা জানি শিক্ষাক্রম ২০১২ অনুসারে প্রাথমিক শিক্ষা স্তরের জন্য ২৯টি প্রান্তিক যোগ্যতা সুনির্ধারিত। এই স্তরের শিশুদের জন্য প্রণিত ১১টি বিষয় অধ্যায়নের মাধ্যমে উক্ত যোগ্যতাগুলো অর্জন করবে। যেকারণে শিখনক্রমগুলোকে আবশ্যকীয় শিখনক্রম বলা হয়ে থাকে।

অর্জন উপযোগী যোগ্যতাগুলো যাতে শিক্ষার্থীরা ধাপে ধাপে অর্জন করতে পারে সেজন্য এগুলো শিখনফলে বিভাজন করা হয়েছে যা পরিমাপযোগ্য। উক্ত শিখনফলসমূহ শ্রেণি ও বিষয়ভিত্তিকভাবে ক্রমে ক্রমে অর্জন করবে বলে আশা যায় সেকারণে এগুলোকে শিখনক্রম বলা হয়।

শিক্ষাক্রম (Curriculum):

বিভিন্ন মনীষী শিক্ষাক্রমের বিভিন্ন ধরণের সংজ্ঞা দিয়েছেন। সবশেষে বাংলাদেশর শিক্ষাবিদগণ বলেছেন যে- “কোন বিশেষ স্তরের শিক্ষা সম্পর্কিত কার্যক্রম ও অভিজ্ঞাতার পূর্ণাঙ্গ দলিল যা কোন দায়িত্বশীল সংগঠন দ্বারা গৃহীত ও পরিচালিত হয়, তাকেই শিক্ষাক্রম বলে।” শিক্ষাক্রমের কতকগুলো ধাপ আছে। যেমন-

  • শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ।
  • শিক্ষার কাঠামো নির্ধারণ।
  • পাঠ্য বিষয় ও বিষয়বস্তু নির্ধারণ।
  • পাঠ্যসূচি নির্ধারণ।
  • শিখন শেখানো কার্যাবলি নির্ধারণ।
  • শিখনফল নির্ধারণ।
  • উপকরণ নির্ধারণ।
  • মূল্যায়ন কৌশল নির্ধারণ।
  • পরিকল্পিত কাজ নির্ধারণ।

শিক্ষাক্রম ও শিখনক্রমের পারস্পরিক সম্পর্ক:

শিক্ষাক্রম ব্যাপক। শিক্ষাক্রমে শিক্ষার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কাঠামো, পাঠ্য বিষয়, বিষয়বস্তু, প্রান্তিক যোগ্যতা, শিখনফল ইত্যাদি উল্লেখ থাকে, কিন্তু শিখনক্রমের পরিসর সীমিত। শিখনক্রমে শুধুমাত্র যোগ্যতাসমূহ ধাপে ধাপে সন্নিবেশিত থাকে। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে প্রতিটি যোগ্যতা ধাপে ধাপে অর্জন করতে হবে।

যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষাক্রম প্রবাহ চিত্র:

লক্ষ্য >

উদ্দেশ্য >

প্রান্তিক যোগ্যতা >

বিষয়ভিত্তিক প্রান্তিক যোগ্যতা >

শ্রেণীভিত্তিক অর্জন উপযোগী যোগ্যতা >

শিখনফল >

বিষয়বস্তু ।

আরও পোস্ট দেখুন:

Ad

error: Content is protected !!