প্রশ্ন ও প্রশ্নের প্রকারভেদ - Proshikkhon

প্রশ্ন ও প্রশ্নের প্রকারভেদ

Questions and its types

শিখন-শেখানো কার্যক্রমের একটা বড় অংশ জুড়েই থাকে প্রশ্ন। পাঠ পরিকল্পনা করার সময় আমরা পাঠের কোন পর্যায়ে কী কী প্রশ্ন করব তা অন্তর্ভূক্ত করে থাকি। কিন্তু প্রশ্ন ইচ্ছেমতো করা যায় কি? নিশ্চয় নয় কারণ প্রশ্ন করার কিছু সাধারণ নিয়ম রয়েছে। সুতরাং প্রশ্ন ও প্রশ্নের প্রকারভেদ জেনে ও বুঝে তা করা হয়। এই আলোচনার মাধ্যমে আমরা বুঝার চেষ্টা করব প্রশ্ন ও প্রশ্নের প্রকারভেদ সম্পর্কে।

প্রশ্ন বলতে কী বুঝায়?

যখন কেউ কোন কিছু বা বিষয় সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয় এবং সেই বিষয় সম্পর্কে অন্যের কাছে জিজ্ঞাসা করে লিখিত অথবা মৌখিক ভাবে, তখন সেই জিজ্ঞাসাকে “প্রশ্ন” বলা হয়। সাধারনত প্রশ্ন বলতে কোন জিজ্ঞাসু বাক্যকেই বোঝানো হয়। অর্থাৎ যে জিজ্ঞাসু বাক্য, চিহ্ন, প্রতীক, সংকেত বা শারীরিক ভাষা বা অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা শিক্ষক কারো কাছে কোন কিছু জানতে চান তাকেই প্রশ্ন বা বলে। শিক্ষার্থী কী জানে বা জানেনা, তা জানার জন্য কিংবা মনোযোগী করার জন্য শিক্ষক বিভিন্নভাবে প্রশ্ন করেন।

এক কথায় বলা যায়, প্রশ্ন হলো শিক্ষার্থী নিকট কোন কিছু জানার কৌশল।

প্রশ্নের প্রকারভেদ

বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন শিক্ষাবিদ বিভিন্ন আঙ্গিকে প্রশ্নের শ্রেণিবিন্যাস করেছেন। এক্ষেত্রে সার্বজনীনতা পাওয়া যায়নি। তথাপি বিশ্ববরেণ্য শিক্ষাবিদদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং ব্যবহারিক সুবিধার উপর ভিত্তি করে প্রশ্নকে নিম্নোক্তভাবে শ্রেণিবিন্যাস করা যায়। যেমন-প্রশ্ন দুই প্রকার। যথা:

১. বন্ধ প্রশ্ন এবং

২. মুক্ত প্রশ্ন।

১. বন্ধ প্রশ্ন: বন্ধ প্রশ্ন দুই প্রকার। যথা:

১. জ্ঞানমূলক; এবং

২. সমকেন্দ্রিক প্রশ্ন।

২. মুক্ত প্রশ্ন : মুক্ত প্রশ্ন ৪ প্রকার। যথা:

১. চিন্তামূলক,

২. অনুসন্ধানমূলক,

৩. কেন্দ্রচ্যূতি প্রশ্ন এবং

৪. সৃজনশীল প্রশ্ন

আর সৃজনশীল প্রশ্ন ২ ধরণের। যেমন-

১. রচনামূলক প্রশ্ন: রচনামূলক প্রশ্ন ৪ প্রকার হয়ে থাকে। যেমন- ক. জ্ঞানমূলক, খ. অনুধাবন, গ. প্রয়োগ ও ঘ. উচ্চতর দক্ষতা।

২. বহুনির্বাচনী প্রশ্ন: বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ৩ প্রকার। যেমন- ক. সাধারণ বহুনির্বাচনী, খ. বহুপদী সমাপ্তিসূচক ও গ. অভিন্ন তথ্যভিত্তিক।

error: Content is protected !!