Materials and Features of Research
গবেষণার উপাদান ও বৈশিষ্ট্য
গবেষণার নানাবিধ উপাদান ও বৈশিষ্ট্য রয়েছে। একজন শিক্ষককে পেশাগত যোগ্যতা অর্জনের ক্ষেত্রে এমনকি নিজ প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণের উদ্দেশ্যে শিক্ষা গবেষণা পরিচালনা করতে হয়। যেমন- কেইস স্টাডি, অ্যাকশন রিসার্চ ইত্যাদি। নিম্নে গবেষণার উপাদান ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো:
গবেষণার উপাদান
১। অনুসন্ধিৎসু ও কৌতূহলী মনোবৃত্তি;
২। সুনির্দিষ্ট বিচরণক্ষেত্র;
৩। সুবিন্যস্ত অনুমান;
৪। পর্যবেক্ষণযোগ্য তথ্যের সহজলভ্যতা;
৫। বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ কৌশল;
৬। ফলাফল উপস্থাপনের যৌক্তিক কৌশল।
গবেষণার বৈশিষ্ট্য
১। গবেষণা কোন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে নিবেদিত হবে।
২। গবেষণা প্রাথমিক বা প্রধান উৎস থেকে জ্ঞান বা উপাত্ত সংগ্রহ করে অথবা উপাত্ত নতুন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে।
৩। এটি একটি কুশলী, পদ্বতিগত ও সঠিক অনুসন্ধান।
৪। গবেষণা হবে যুক্তিযুক্ত ও নৈর্ব্যত্তিক।
৭। অনুমিত সিদ্বান্ত যাচাইয়ের জন্যে নিরপেক্ষভাবে যথার্থ কৌশল অনুসরণ করে উপাত্ত সংগ্রহ করতে হবে।
৮। সংগৃহীত উপাত্তকে পরিমাণগত বা সংখ্যাগতভাবে সুসংগঠিত হতে হবে।
৯। সিদ্বান্ত গ্রহণে সতর্কতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা।
১০। গবেষণা বৈজ্ঞানিক পদ্বতিকে অনুসরণ করে সকল কিছুর সমাধান প্রদান করবে।
১১। গবেষণার উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা স্পষ্টভাবে বর্ণিত হবে এবং এতে সহজ ধারনা থাকবে।
১২। সংগৃহীত তত্ত্বের সঠিক যাচাই-বাছাই এবং এরপর তার যথাযথ প্রয়োগ।
১৩। গবেষককে বিপুল কল্পনাশক্তি এবং সৃজনশীল চিন্তার অধিকারী হতে হবে।
গবেষণা সম্পর্কে অন্যান্য পোস্ট নিচে দেখুন:
- গবেষণা (Research) বলতে কী বুঝায়?
- গবেষণার ইতিহাস বা বিকাশ বা সুত্রপাত
- ঐতিহাসিক গবেষণা কী? ঐতিহাসিক গবেষণার উৎস ও সমালোচনা।
- বর্ণনামূলক গবেষণা (Descriptive Research)
- কর্মসহায়ক গবেষণা (Action Research)
- কেইস স্টাডি (Case Study) কী? কেইস স্টাডি কীভাবে লিখবেন?
- পরীক্ষণমূলক গবেষণার সুত্রাবলি
- জরিপ গবেষণার প্রকারভেদগুলো
- মৌলিক গবেষণা ও সামাজিক গবেষণার মধ্যে পার্থক্য
- পরিমাণগত ও গুণগত গবেষণার মধ্যে পার্থক্য কী?
- গবেষণা প্রস্তাবনা কী?
- গবেষণা প্রতিবেদন কী?

