MCQ ও এর সমাধান
সঠিক উত্তরটি উত্তরপত্রে লিখুনঃ–
১) পরিবেশের অর্থ
– সংকীর্ণ/ ক্ষুদ্র/সরু/ব্যাপক।
২) আমরা একই সঙ্গের কয়টি জগতে বাস করি?
– দুইটি/তিনটি/চারটি/পাঁচটি।
৩)পরিবেশের উপাদানগুলোকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
– দুই ভাগে/তিন ভাগে/চার ভাগে/পাঁচ ভাগে।
৪) আমরা যে পরিবেশে বাস করি তাতে কয় ধরনের পরিবেশ রয়েছে?
– ২/৩/৪/৫।
৫)জীবের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়াকে কী বলে?
-নড়ন/ চলন/ প্রজনন/ শ্বসন।
৬) লজ্জাবতীর পাতা স্পর্শ করলে নুয়ে পড়ে এর মাধম্যে জীবের কোন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়?
– দৈহিক বৃদ্ধি/ মৃত্যু/ অনুভূতি?খাদ্য গ্রহণ।
৭) কিসের উপস্থিতিতে সূর্যের আলোর সহায়তায় পানি ও কার্বন-ডাই অক্সাইড ব্যবহার করে উদ্ভিদ শর্করা খাদ্য গ্রহণ করে?
– অক্সিজেন/ক্লোরোফিল/কার্বন-ডাই অক্সাইড/নাট্রোজেন।
৮) খাদ্য তৈরিতে উদ্ভিদ কী গ্রহণ করে?
-অক্সিজেন/কার্বন-ডাই অক্সাইড/হাইড্রোজেন/নাইট্রোজেন।
৯) জীব শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে কী গ্রহণ করে?
– অক্সিজেন/কার্বন-ডাই অক্সাইড/হাইদ্রোজেন/কার্বন।
১০) জীবদেহে খাদ্যকে কাজে লাগানোর পরে অপ্রয়োজনীয় বা বর্জ্য পদার্থ কোন প্রক্রিয়ায় দেহ থেকে বের হয়ে যায়?
– রেচন/শ্বসন/প্রজনন/নড়ন।
১১) জীবের বংশবৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে কী বলে?
– রেচন/প্রজনন/শ্বসন/দৈহিক বৃদ্ধি।
১২) রেচন প্রক্রিয়ায় প্রস্রাবের মাধ্যমে কোন উপাদান বের হয়ে যায়?
– ফসফরাস/ইউরিয়া/নাইট্রোজেন/ সালফার।
১৩) জীবের জীবনকালকে কয় পর্যায়ে ভাগ করা হয়েছে?
-২/৩/৪/৫
১৪) উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে কেন?
– ক্লোরোফিল/অক্সিজেন/কার্বন-ডাই অক্সাইড/ফসফরাস।
১৫)সূর্যের আলোর শক্তি কোন প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ দেহে শর্করার মধ্যে সঞ্চিত হয়?
– রেচন প্রক্রিয়ায়/শ্বসন প্রক্রিয়ায়/সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায়।
১৬) প্রাণী ও উদ্ভিদ উভয়েই শ্বসনের মাধ্যমে কী ব্যবহার করে খাদ্য থেকে শক্তি উৎপাদন করে বেঁচে থাকে?
– কার্বন-ডাই অক্সাইড/ অক্সিজেন/ হাইড্রোজেন/নাইট্রোজেন।
১৭) সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদের কোন অঙ্গাণুতে ঘটে?
-ক্লোরোফিল/ক্লোরোপ্লাস্ট/মাইটোকন্ডিয়া
১৮) উদ্ভিদের কোনো একটি শ্রেণিতে কোনো সদস্যকে ভালোভাবে জানার জন্য জানতে হবে
– শ্রেণিবিন্যাস/শ্রেণিকরণ/বিন্যস্ত/শ্রেণিবদ্ধ।
১৯) বর্তমানে পৃথিবীতে উদ্ভিদের প্রজাতি সংখ্যা
– প্রায় পাঁচ লক্ষ/প্রায় সাত লক্ষ/ প্রায় ছয় লক্ষ/প্রায় চার লক্ষ।
২০) পুষ্পের উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
-২/৩/৪/৫।
২১) অপুষ্পক উদ্ভিদ কত প্রকার?
-২/৩/৪/৫।
২২) সপুষ্পক উদ্ভিদ কত প্রকার?
-৩/২/৪/৬।
২৩) যে সকল উদ্ভিদের দেহকে মূল,কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না সে সকল উদ্ভিদকে কোন উদ্ভিদ বলে?- – মসবর্গ/সমাঙ্গবর্গ/ফার্নবর্গ/নগ্নবীজী।
২৪) সমাঙ্গবর্গ উদ্ভিদ কত শ্রেণিতে বিভক্ত?
– দুই/তিন/চার/ছয়।
২৫) কোনটি শৈবালের উদাহরণ?
– স্পাইরোগাইরা/মস/ফার্ন/মিউকর।
২৬) ব্যাঙের ছাতার অপর নাম কী?
– মিউকর/আগ্যারিকাস/ক্লোরেলা/স্পাইরোগাইরা।
২৭) ক্লোরোফিল নেই কোন উদ্ভিদে?
– আগ্যারিকাস/ক্লোরেলা/ফার্ন/মস।
২৮) কোন জাতীয় উদ্ভিদের দেহে মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড থাকে?
– মসবর্গ/ফার্নবর্গ/সমাঙ্গবর্গ/মিউকর।
২৯) ছায়াযুক্ত অপুষ্পক উদ্ভিদের মধ্যে কোন জাতীয় উদ্ভিদ সর্বাপেক্ষা উন্নত?
– মস/ঢেঁকিশাক/শৈবাল/ছত্রাক
৩০) কোনটি ছত্রাকের উদাহরণ?
– স্পাইরোগাইরা/মস/ ক্লোরেলা/মিউকর
৩১) বাসি,পচা রুটির উপর তুলার অংশের মতো একপ্রকার বস্তু জন্মায় এদেরকে বলে–
– আগ্যারিকাস/মিউকর/ক্লোরেলা/সাইকাস।
৩২) কোনটি নগ্নবীজী উদ্ভিদ?
– ধান/গম/পাইন/তাল।
৩৩) আবৃতবীজী উদ্ভিদের উদাহরণ কোনটি?
-আম/জাম/তাল/পাইন।
৩৪)একবীজপত্রী উদ্ভিদের উদাহরণ কোনটি?
– আম/জাম/তাল/পাইন।
৩৫) দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের উদাহরণ কোনটি?
– নারিকেল/ধান/গম/জাম।
৩৬) অমেরুদণ্ডী প্রাণীর উদাহরণ কোনটি?
– মাছ/ব্যাঙ/বাঘ/চিংড়ি
৩৭) মেরুদণ্ডী প্রাণীর উদাহরণ কোনটি?
– ঝিনুক/মশা/তেলাপোকা/মাছ
৩৮) অমেরুদণ্ডী প্রাণীর বৈশিষ্ট্য কোনটি?
– অন্তঃকঙ্কাল থাকে/ কোনো অন্তঃকঙ্কাল থাকে না/ হৃৎপিণ্ড উন্নত ধরনের/মেরুদণ্ড আছে।
৩৯) মেরুদণ্ডী প্রাণীর বৈশিষ্ট্য কোনটি?
– অন্তঃকঙ্কাল থাকে না/ সাধারণত লেজ থাকে না/ স্নায়ুরজ্জু থাকে/ হৃৎপিণ্ড উন্নত ধরনের নয়।
৪০) বৈশিষ্ট্যেরে ভিত্তিতে মেরুদণ্ডী প্রাণীদের কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে?
– তিন ভাগে/দুই ভাগে/চার ভাগে/পাঁচ ভাগে।
৪১) কোনটি মৎস্যকুল শ্রেণির শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য?
– ফুলকা আছে,ফুসফুস নেই/ত্বক নগ্ন/বুকে ভর দিয়ে চলে/ ফুসফুস দিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস চালায়।
৪২) উভচর প্রাণীর উদাহরণ কোনটি?
– সালামান্ডার/ঘড়িয়াল/গিরিগিটি/গুঁইসাপ।
৪৩) স্তন্যপায়ী প্রাণীর উদাহরণ কোনটি?
– ইঁদুর/সারস/সালামান্ডার/গুঁইসাপ।
৪৪) কোন একটি নির্দিষ্ট স্থানে পরিবেশের জীব ও জড় উপাদানের মধ্যকার সম্পর্ক ও পারস্পরিক ক্রিয়া-বিক্রিয়াকে কী বলে?
– শ্রেণিবিন্যাস/খাদ্য শৃঙ্খল/বাস্তুসংস্থান/খাদ্যজাল।
৪৫) পরিবেশ অনুসারে বাস্তুসংস্থান কত প্রকার?
-৩/২/৪/৬
৪৬) বাস্তুসংস্থানের সজীব উপাদানকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
– দুইভাগে/তিনভাগে/চার ভাগে/পাঁচভাগে।
৪৭) পানিতে ভাসমান খুদে জীবদের কী বলে?
– প্লাংকটন/জুয়োপ্লাংকটন/ফাইটোপ্লাংকটন/বিয়োজক।
৪৮) পানিতে ভাসমান ক্ষুদ্র প্রাণীদের কী বলে?
– প্লাংকটন/জুয়োপ্লাংকটন/ফাইটোপ্লাংকটন/বিয়োজক।
৪৯) সবুজ প্লাংকটন জাতীয় খুদে উদ্ভিদকে কী বলে?
– প্লাংকটন/জুয়োপ্লাংকটন/ফাইটোপ্লাংকটন/বিয়োজক।
৫০) উৎপাদকের উদাহরণ কোনটি?
– লার্ভা/জলজ কীটপতঙ্গ/পানিমরিচ/ঝিনুক।
৫১) খাদক স্তরকে কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে?
– দুইটি/তিনটি/চারটি/পাঁচটি।
৫২) প্রথম স্তরের খাদক কোনটি?
– ভাসমান খুদে পোকা/ছোট ছোট মাছ/ চিংড়ি/ব্যাঙ।
৫৩) দ্বিতীয় স্তরের খাদক কোনটি?
– সবুজ শেওলা/মশার শূককীট/ ছোট ছোট মাছ/ ভেটকি।
৫৪) একটি পুকুরে বিয়োজক হিসেবে কাজ করে কোনটি?
-ব্যাঙ/শামুক/ক্ষুদিপানা/ব্যাকটেরিয়া।
৫৫) যে কোন বাস্তুসংস্থানে কতগুলো খাদ্যশৃঙ্খল থাকতে পারে?
– একটি/দুইটি/তিনটি/অনেকগুলো।
৫৬) কোন উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না?
-ক্লোরেলা/আগ্যারিকাস/মস/ঢেঁকিশাক
৫৭) দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ কোনটি?
– নারিকেল/গম/ভূট্রা/শিম।
৫৮) নিচের কোন প্রবাহচিত্র খাদ্য শৃঙ্খলের নমুনা?
ক) উদ্ভিদ-ঘাসফড়িং-মুরগি-মানুষ
খ) ঘাসফড়িং-উদ্ভিদ-মানুষ-মুরগি
গ) মুরগি-ঘাসফড়িং-উদ্ভিদ-মানুষ
ঘ) উদ্ভিদ-মুরগি-ঘাসফড়িং-মানুষ।
৫৯) পুকুরের বাস্তুসংস্থানের দ্বিতীয় স্তরের খাদক কোনটি?
– ভাসমান ক্ষুদে পোকা/ মশার শূককীট/জুয়োপ্লাংকটন/ব্যাঙ।
৬০) মসবর্গীয় উদ্ভিদের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
– ক্লোরোফিলবিহীন/ উদ্ভিদের দেহকে কান্ড ও পাতায় ভাগ করা যায় না/ মূল থাকে/ মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড থাকে।
MCQ প্রশ্নের সমাধান:
১) ব্যাপক, ২) দুইটি, ৩) দুই ভাগে, ৪) ২, ৫) চলন, ৬) অনুভূতি, ৭) ক্লোরোফিল, ৮) কার্বন-ডাই অক্সাইড, ৯) অক্সিজেন, ১০) রেচন, ১১) প্রজনন, ১২) ইউরিয়া, ১৩) দুই, ১৪) ক্লোরোফিল, ১৫) সালোক-সংশ্লেষণ, ১৬) অক্সিজেন, ১৭) ক্লোরোপ্লাস্ট, ১৮) শ্রেণিবিন্যাস, ১৯) প্রায় পাঁচ লক্ষ, ২০) ২, ২১) ৩, ২২) ২, ২৩) সমাঙ্গবর্গ, ২৪) ২, ২৫) স্পাইরোগাইরা, ২৬) অ্যাগারিকাস ২৭) অ্যাগারিকাস ২৮) মস বর্গ, ২৯) ঢেঁকিশাক, ৩০) মিউকর, ৩১)মিউকর, ৩২) পাইন, ৩৩) আম, ৩৪) তাল, ৩৫) জাম, ৩৬) চিংড়ি, ৩৭) মাছ, ৩৮) কোনো অন্তঃকঙ্কাল থাকে না, ৩৯) স্নায়ুরজ্জু থাকে, ৪০) ৫, ৪১) ফুলকা আছে ফুসফুস নেই, ৪২) সালামান্ডার, ৪৩) ইঁদুর, ৪৪) বাস্তুসংস্থান, ৪৫) ২, ৪৬) তিন ভাগে, ৪৭) প্লাংকটন, ৪৮) জুয়োপ্লাংকটন, ৪৯) ফাইটোপ্লাংকটন, ৫০) পানিমরিচ, ৫১) তিনটি, ৫২)ভাসমান খুদে পোকা, ৫৩) ছোট ছোট মাছ, ৫৪) ব্যাকটেরিয়া, ৫৫) অনেক গুলো, ৫৬)অ্যাগারিকাস, ৫৭) শিম, ৫৮) উদ্ভিদ-ঘাসফড়িং-মুরগি-মানুষ, ৫৯) ব্যাঙ, ৬০) মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড থাকে।
