ভুবন পারের প্রেয়সী
-এনতাজুর রহমান
তপ্ত শপ্ত রুক্ষ্ন আমার মরুভুবন পায়ে ঠেলে
দূরের বনের অন্ধকারে মুক্তে ডানা মেলে
অধরা প্রেয়সী পাখি লুকায়েছে
স্নিগ্ধ শ্যামল কুঞ্জবনের পাতার ছায়াতলে।
অপার্থীব আবছা ছায়া কুসুম আভরণে
মুক্ত কেশে উদাস চেয়ে দূর আকাশের পানে
আবার লুকিয়ে চেয়ে দেখে ফিরে শূন্য মরুবাসে—–
আমায় নিয়ে মরীচিকা কেমনে হেসে খেলে!
খাঁচায় পুরে থুইনি তারে বাঁধিনি পা শেকলডোরে
মুক্ত ছিল আকাশটা তার গতি ছিল উঠোন জুড়ে
গানের আসন পাতা ছিল আঙিনাটার বকুল ডালে
সয়নিকো তার বাঁধনহারার ঐ বেদনসুখ
অপার্থীব প্রেয়সী বাস পরে দূরে গেল একা চলে!
ঐ চেয়ে সে ঊর্দ্ধাকাশে বাহুলতা ছড়িয়ে পাশে
শুভ্রবাসে মুক্ত কেশে আকাশের তারা গুনে
একা একা আঁধার মোড়া গোপন নিকুঞ্জবাসে;
গোপন পথে ফিরতে কি সে
আর বার চায় নবদ্যুতির প্রাণের প্রদীপ জ্বেলে?
এ তার কেমন উদাস চাওয়া ঊর্দ্ধাকাশে নয়ন মেলে।
১৯ জুন, ২০২১, নীলফামারী।