ভার্চুয়াল লাভ
-সাবেদ আল সাদ
ডাটা ছিলো না বলে আজ সারাদিন নেট ওপেন করেনি। নেট ওপেন করে মেসেঞ্জারে গিয়ে দেখে, এরিয়ানের অনেকগুলো মেসেজ।
জানু তুমি কই?
এইতো আছি জান। বিজি ছিলাম, তাই নেট খোলা হয়নি।
আমার কথা কি একবারের জন্যও মনে পড়ে না জানু।
কেন মনে পড়বে না। সে জন্যই তো কাজ ফেলে তড়িঘড়ি মেসেঞ্জারে আসলাম।
আচ্ছা জানু, তুমি তো অনেক বড়লোকের পোলা। বাবা লেক্সাস গাড়ি চালায়।
এপারে নয়ন আমতা আমতা করে রিপ্লাই করে, হ্যা! তো কী হইচে!
তোমার সাথে আমার কতোদিনের রিলেশন বলোতো জানু? এতোদিনে নিশ্চয়ই বুঝেছো আমি কেমন!
হুম, জানিতো।
এরিয়ানের গলায় সোহাগী সুর। আমার একটা আবদার পূরণ করতে হবে জানু। তুমি একটু হেল্প করলেই আমার অনেক দিনের শখটা পূরণ হয়।
নয়ন ঢোক গিলে বলে কী আবদার!
আমাকে হাজার ত্রিশেক টাকা দাও জানু। আমি একটা স্যামসাং এন্ড্রয়েড ফোন কিনব। তোমার কাছে এইটাতো কোনো ব্যাপারই না।
দিবানা বেবী!
খাইচে আমারে। এরিয়ানের ছোটখাটো আবদার পূরণ করতেই সে ফতুর। এবার ত্রিশ হাজার! নাহ আর নয়।
দেখো জান, আমি না- একটা মিথ্যা কথা বলেছি। আসলে আমার বাবা কোটিপতি নয়, সেলুনে কাজ করে। আজ ডাটা কেনার জন্য বাবার পকেট থেকে দুশো টাকা মারতে গিয়ে ধরা পড়ায় এমন দৌড়ানি খাইচি যে এখনো বাড়ি ফিরতে পারিনি। আমাকে মাফ করে দাও জান।
এরিয়ান ওপ্রান্ত থেকে চিচিয়ে ওঠে,কী, একটা নাপিতের ছেলে আমার বয়ফ্রেন্ড।