ডিপিএড মৌখিক পরীক্ষা ও বিষয়বোর্ড - Proshikkhon

ডিপিএড মৌখিক পরীক্ষা ও বিষয়বোর্ড

DPEd Oral examination (Viva Voce) And Subject Board

মৌখিক পরীক্ষা

লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি মৌখিক পরীক্ষা একজন শিক্ষার্থীকে সামগ্রিকভাবে মূল্যায়নের একটি সর্বজনীন ও কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে স্বীকৃত। ডিপিএড কোর্সে ৪র্থ টার্মে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে পিটিআই শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মৌখিকভাবে মূল্যায়ন করে শিক্ষার্থীর বিষয়জ্ঞান ও শিক্ষণবিজ্ঞান সম্পর্কে ধারণা ও উপলব্ধি যথাযথভাবে পরিমাপ করার সুযোগ রয়েছে।

মৌখিক পরীক্ষায় প্রধানত শিক্ষার্থীর মান, কথা বলার দক্ষতা, ভাষার উপযুক্ত এবং সঠিক ব্যবহার, প্রশ্ন করার দক্ষতা কোনো বক্তব্য রাখার ক্ষেত্রে ধ্যান-ধারণা ও চিন্তা-চেতনার প্রকাশ এবং সর্বোপরি কোনো বিষয় সম্পর্কে জ্ঞানের গভীরতা এবং প্রাসঙ্গিকতা বিচার করা হয়।

  • মৌখিক পরীক্ষা গাঠনিক মুল্যায়ন হিসেবে পরিচালনা করতে হবে। সে জন্য প্রথম টার্মের শেষ সপ্তাহে তিন দিনের মধ্যে প্রত্যেকটি বিষয়ে ৭টি কোর্সের মৌখিক পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে বিষয় ইনস্ট্রাক্টর মৌখিক পরীক্ষার নম্বর প্রদান করবেন। মৌখিক পরীক্ষা রুটিনে অন্তর্ভুক্ত কার্যক্রম হিসেবে বিবেচিত হবে। মৌখিক পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর চূড়ান্ত পরীক্ষার সাথে যোগ করা হবে।
  • শিক্ষার্থীদের পিটিআই এবং প্রশিক্ষণ বিদ্যালয়ে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে মৌখিকভাবে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রের যোগ্যতা বা দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ দেওয়া হবে।
  • একজন শিক্ষার্থী কোনো বিষয়ে লিখিত পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হলে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাকে সামগ্রিকভাবে মূল্যায়ন করে তাঁর উক্ত বিষয়ে যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ দেয়া হবে। তবে এর জন্য নেপ থেকে পূর্বেই অনুমতি নিতে হবে।
  • মৌখিক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীর কোনো বিষয়ে অনুচিন্তন বা প্রতিফলনের সুযোগ দেয়ার জন্য উপযুক্ত প্রশ্ন করতে হবে।
  • মৌখিক পরীক্ষায় মূলত বিষয়জ্ঞান, শিক্ষণবিজ্ঞান এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষণ অনুশীলনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে প্রশ্ন করতে হবে।
  • ভাষাজ্ঞান সম্পর্কিত বিষয়ে পরীক্ষা করার জন্য প্রশ্নোত্তর, কথা বলার দক্ষতা পরীক্ষা করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট বিষয় ২/৩ মিনিট বক্তব্য রাখতে বলা অথবা দু’জনের মধ্যে কথোপকথন ব্যবহার করে শিক্ষার্থীর শব্দ জ্ঞান, বাক্য গঠন ইত্যাদি বিষয় মূল্যায়ন করার জন্য মৌখিক পরীক্ষা পরিচালনা করতে হবে। অনুরূপভাবে গণিত, ইংরেজি, বিজ্ঞান বিষয়েও কোন কাজ করতে ও পরবর্তীতে কাজটি ব্যাখা করতে দিয়ে মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

নেপ ও শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে পর্যবেক্ষক অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে।

ডিপিএড বিষয় বোর্ড গঠন

ডিপিএড ৪র্থ টার্মে চারটি বিষয় বোর্ড থাকে। সেগুলো নিম্নরূপ:

১) পেশাগত শিক্ষা বিষয় বোর্ড;

২) বাংলা ও ইংরেজি বিষয় (ভাষা) বোর্ড;

৩) গণিত ও বিজ্ঞান বোর্ড;

৪) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং এক্সপ্রেসিভ আর্ট বিষয় বোর্ড।

নম্বর বন্টন

১) মৌখিক পরীক্ষা- ৩০ নম্বর।

২) বিষয় বোর্ড পরীক্ষা- ৩০ নম্বর।

ডিপিএড ভাইভা প্রস্তুতি কীভাবে নিবেন?

ডিপিএড প্রস্তুতির ধারণা নিতে এই লিংকে ক্লিক/প্রেস করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!