Aims and objectives of the DPED program
ডিপিএড কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিম্নে বর্ণনা করা হলো:
ডিপিএড কর্মসূচির লক্ষ্য
ডিপিএড কর্মসূচির লক্ষ্য হলো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের পেশাগত জ্ঞান ও উপলব্ধি, পেশাগত অনুশীলন এবং পেশাগত মূল্যবোধ ও সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন যোগ্যতার বিকাশ সাধন করা।
ডিপিএড কর্মসূচির উদ্দেশ্য
ক) পেশাগত জ্ঞান ও উপলব্ধি
- প্রাক-প্রাথমিক এবং প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষাক্রমের সামগ্রিক দিক সম্পর্কে পরিকল্পনা, শিখন কাজ পরিচালনা এবং মূল্যায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়জ্ঞান অর্জন করা।
- প্রাক-প্রাথমিক এবং প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষাক্রমের সামগ্রিকভাবে শিখন শেখানো কাজ পরিকল্পনা, শিক্ষণ কাজ পরিচালনা এবং মূল্যায়নের জন্য পরিপূর্ণভাবে প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করা।
- প্রাক-প্রাথমিক এবং প্রাথমিক শিক্ষাক্রমের কাঠামো, বিষয়, যোগ্যতা এবং মূল্যায়ন কৌশল সম্পর্কে যথাযথ উপলব্ধি ও প্রয়োগ করার যথাযথ জ্ঞান লাভ করা।
- শিশুর বিকাশ এবং শিখন তত্ত্বে কার্যকর এবং একীভূত শিখনচর্চা এবং প্রয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন ও উপলব্ধি করা।
- বিদ্যালয় এবং চাকুরিসংক্রান্ত সকল নিয়মবিধি এবং নীতি নৈতিকতা সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা লাভ করা।
খ) পেশাগত অনুশীলন
- সকল শিক্ষার্থীর শিখন চাহিদা অনুসারে বিভিন্ন পদ্ধতি ও কৌশল ব্যবহার করে শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক পাঠপরিকল্পনা প্রণয়ন করা, শিখন শেখানো কাজ পরিচালনা এবং সহায়তা দানের সক্ষমতা প্রদর্শন করা।
- সকল শিশু শিক্ষার্থী সম্পর্কে উচ্চাশা পোষণ এবং কর্মক্ষেত্রে তা প্রদর্শন করা।
- শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে যোগাযোগ রক্ষার সক্ষমতা অর্জন করা।
- সকল শিশু শিক্ষার্থী সহজেই বুঝতে পারে এমনভাবে শিখনের বিষয় উপস্থাপন করার কৌশল অর্জন করা।
- সঠিক শ্রেণিভিত্তিক ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন ধরনের শিখন সহায়ক কাজ পরিচালনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিখনের অগ্রগতি সাধনের সক্ষমতা অর্জন করা।
- সঠিকভাবে প্রশ্ন করা এবং শিক্ষার্থীরা যেন প্রশ্ন করে সেভাবে তাঁদের উৎসাহিত করার দক্ষতা প্রদর্শন করা।
- একটি নিরাপদ, সৃষ্টিশীল, প্রণোদনামূলক এবং একীভূত শিখন পরিবেশ সৃষ্টির সক্ষমতা প্রদর্শন করা।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারসহ প্রাসঙ্গিক এবং কার্যকর শিখন সামগ্রী নির্বাচন, তৈরি এবং ব্যবহার করার সক্ষমতা অর্জন করা।
- শিশু শিক্ষার্থীর শিখনে সহায়তা প্রদান এবং যাচাই ও একীভূত শিক্ষাকে উৎসাহ দানের লক্ষ্যে মনিটরিং করা ও বিভিন্ন মূল্যায়ন কৌশল, পরিকল্পনা ও ব্যবহার করার দক্ষতা অর্জন করা।
গ) পেশাগত মূল্যবোধ ও সম্পর্ক স্থাপন
- সকল শিশু শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সমতা বিধান, একীভূতকরণ এবং সমভাবে বিচারের অঙ্গীকার প্রদর্শন করার দক্ষতা অর্জন করা।
- ধারাবাহিক পেশাগত উন্নয়ন এবং অনুচিন্তনমূলক শিক্ষণ চর্চার প্রতি অঙ্গীকার প্রদর্শন করা।
- বিদ্যালয়ের সাথে জড়িত মাতা-পিতা, স্থানীয় জনগণ ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের সাথে কার্যকরভাবে সম্পর্ক স্থাপন এবং কাজ করার সক্ষমতা ও অঙ্গীকার প্রদর্শন করা।
- সহকর্মীদের সাথে পেশাগত সহযোগিতা প্রদানের প্রতি অঙ্গীকার প্রদর্শন করা।
ডিপিএড কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনের মাধ্যমে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকগণ শিক্ষক যোগ্যতা প্রধান ক্ষেত্রগুলোর উন্নয়ন ঘটাবে সক্ষম হবেন।


