শিক্ষানীতি ২০১০ এর সুপারিশ বাস্তবায়নে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্নমুখী কার্যক্রম - Proshikkhon

শিক্ষানীতি ২০১০ এর সুপারিশ বাস্তবায়নে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্নমুখী কার্যক্রম

Activities of the MoPME to implement the recommendations of the Education Policy 2010

২০১০ সালে জাতীয় শিক্ষানীতি পাশ করা হয়। এরপর থেকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে নানামূখী পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য সচেষ্ট থাকে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১৯-২০ অনুসারে শিক্ষানীতি ২০১০ এর সুপারিশ বাস্তবায়নে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্নমুখী কার্যক্রম নিম্নরূপ:

ক্রমিক নং  কার্যক্রম গৃহীত ব্যবস্থা
প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালুকরণ।৬৫৬২০টি বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হয়েছে। সৃজিত হয়েছে ৬৪০৩৮টি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষকের পদ।
দুই বছর মেয়াদী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন।প্রতিটি বিদ্যালয়ে একবছর মেয়াদী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু রয়েছে। ০১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখ থেকে দুইবছর মেয়াদী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালুর অনুমোদন পাওয়া গেছে।
 প্রাথমিক শিক্ষা স্তর পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে আট বছর মেয়াদীকরণ।ইতোমধ্যে ৭২৯টি বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
  শিক্ষক শিক্ষার্থীর অনুপাত হবে ১:৩০।শিক্ষক শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:৩০ করতে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির ডিপিপিতে অতিরিক্ত ৩০,০০০ শিক্ষকের পদ সৃজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
শিক্ষাদান ও গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীর সুরক্ষার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি।শিক্ষাদান ও গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীর সুরক্ষার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিকল্পে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বিদ্যালয় দৃষ্টিনন্দন প্রকল্প গ্রহণ ও সারাদেশে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ৪০,০০০ অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মেরামতের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধকল্পে বিশেষ অঞ্চল ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ।শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধকল্পে উপবৃত্তির আওতা সম্প্রসারণ, বিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নয়ন, দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা, পাহাড়ি এলাকায় ছেলেমেয়েদের জন্য ১৯টি হোস্টেলের ব্যবস্থাকরণ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য প্রতিটি টয়লেট ও বিদ্যালয় ভবনে র‌্যাম্প ও তাদের চলার উপযোগী করে চলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
বিভিন্ন ধরণের এবং এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিদ্যমান বৈষম্য দূরীকরণে ব্যবস্থা গ্রহণ।সারাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে একটি কমন ডিজাইন অনুসরণ করা হচ্ছে। তাছাড়াও, প্রয়োজন বিবেচনায় বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে ধারাবাহিক মূল্যায়ন এবং তৃতীয় থেকে সকল শ্রেণিতে ত্রৈমাসিক, অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষা চালুকরণ।প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে ধারাবাহিক মূল্যায়ন এবং তৃতীয় থেকে সকল শ্রেণিতে ত্রৈমাসিক, অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষা চালু করা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের উন্নতি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে তদারকি জোরদারকরণ।বিদ্যালয়ের উন্নতি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে তদারকি জোরদারকল্পে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি মন্ত্রণালয় থেকে ৬৪টি জেলায় ৬৪জন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
১০শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি।শিক্ষক নিয়োগে নিয়োগবিধি যুগোপযোগী করার পাশাপাশি সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি/ চলতি দায়িত্ব প্রদান করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!