বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য - Proshikkhon

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য

The purpose of the training on Bangladesh and Global Studies

সিইনএড ও ডিপিএড প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর প্রাথমিক  শিক্ষকদের প্রকৃতপক্ষে  আর কোন প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ থাকে না। কিন্তু শ্রেণিকক্ষের শিখন পদ্ধতি ও কৌশল বিশ্বব্যাপী প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। জাতীয় জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং নাগরিকদের জীবনবোধ ও জীবনাচরণ  সময়ের সাথে সাথে বদলে যাচ্ছে।

সৃষ্ট ও পরিবর্তিত এ নতুন নতুন ধ্যান-ধারণা থেকে  আমাদের শিক্ষকগণ যাতে পিছিয়ে না থাকেন সে লক্ষ্যে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি-৩ এর আওতায় শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ-চাহিদার আলোকে বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ বাস্তুবায়ন করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি-১, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি-২, আইডিয়াল ও এস্টিম প্রকল্পের আওতায় বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। কিন্তু শিক্ষাক্রম পরিমার্জন ও নতুন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ডিপ্লোমা ইন প্রাইমারি এডুকেশন (ডিপিএড), শিক্ষণ বিজ্ঞান বিষয়ক জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ নতুন আঙ্গিকে প্রদানের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ সমাপ্তির পর অংশগ্রহণকারীগণ-

১. ‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’- শিক্ষাক্রমের প্রধান দিকগুলো উল্লেখ করতে পারবেন।

২. ‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’- বিষয়ের বিভিন্ন শিখন-শেখানো সামগ্রীর ধরণ, বৈশিষ্ট্য ও তাৎপর্য বর্ণনা করতে পারবেন।

৩.‘ ‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’- শিখন-শেখানো কাজের উপযোগী/কার্যকর পাঠভিত্তিক পদ্ধতি ও কৌশল নির্বাচন করতে পারবেন।

৪. ‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’- শিখন শেখানোর জন্য বিভিন্ন তত্ত্ব ও এ্যাপ্রোচের ব্যবহার (সংগঠন তত্ত্ব ও বহুমূখী শিখন তত্ত্ব এরিকসনের মনোসামাজিক উন্নয়ন তত্ত্ব ইত্যাদি) করতে পারবেন।

৫.বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় : শিখন শেখানোর জন্য সংশ্লিষ্ট উপকরণ সনাক্তকরণ , প্রণয়ন , ব্যবহার এবং সংরক্ষণের কৌশল আয়ত্ব করতে পারবেন।

৬. বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় : শিখন শেখানোর জন্য সংশ্লিষ্ট  আইসিটি ব্যবহারযোগ্য উপকরণ সনাক্তকরণ, ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি ও ব্যবহার করতে পারবেন।

৭. ‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’বিষয়ের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণীর বিষয়বস্তু সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারবেন।

৮.‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’বিষয়ের উপযোগী আদর্শ শ্রেণী ব্যবস্থাপনার ধারণা অর্জন করতে পারবেন।

৯.‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা/শিখনফল অর্জনের যথাযথ পদ্ধতি ও কৌশল উল্লেখ করতে পারবেন। এসব পদ্ধতি ও কৌশল দক্ষতার সাথে প্রয়োগ করতে পারবেন।

১০.‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’ শিক্ষকের প্রস্তুতির দিক উল্লেখ করতে পারবেন।

১১.‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’ বিষয়ের পাঠ পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারবেন।

১২. তৈরিকৃত পাঠ পরিকল্পনা অনুযায়ী শিখন- শেখানো কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।

১৩‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’ বিষয়ের শিখন-শেখানো বিভিন্ন প্রক্রিয়া আয়ত্ত¡ করে তা ফলপ্রসূভাবে প্রয়োগের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও দক্ষতা অর্জন করবেন।

১৪. বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় :  মূল্যায়নের উদ্দেশ্য, প্রকারভেদ উল্লেখ করতেও শিখনফলভিত্তিক  নৈর্ব্যক্তিক ও কাঠামোগত অভীক্ষা প্রণয়ন  করতে পারবেন।

১৫. বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়:  যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও উত্তরপত্র মূল্যায়ন কৌশল আয়ত্ব করে কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারবেন।

১৬. বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় : শিখন-শেখানো কাজে শিক্ষকের সমাজবোধ ও মানবিক মূল্যবোধের প্রভাব বুঝতে সক্ষম হবেন।

১৭. সমাজ সদস্যদের সাথে বিদ্যালয়ের সুসম্পর্ক সৃষ্টির কৌশল জেনে তা কাজে লাগাতে পারবেন।

দয়া করে সকলের উপকারার্থে শেয়ার করুন এবং ভবিষ্যতে নিজের ফেসবুক ওয়ালে রেখে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!