Session-09: Design and its practical elements
আলোচ্য বিষয়:
- নকশা কী? নকশার ব্যবহারিক উপাদান কয়টি ও কী কী?
- পাঠ পরিকল্পনা কী? পাঠ পরিকল্পনায় কী কী অন্তর্ভুক্ত থাকে?
- শিখনফল লেখার নিয়মাবলি লিখুন।
- ডিপিএড কোর্সের জন্য নির্ধারিত চারু ও কারুকলার ব্যবহারিক কাজের তালিকা।
নকশা কী? নকশার ব্যবহারিক উপাদান কয়টি ও কী কী?
কোনো সৃজনশীল কর্মের প্রাথমিক কাঠামোই হচ্ছে নকশা। ইংরেজিতে একে ডিজাইন বলে। ডিজাইন হচ্ছে কোনো নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের উপর বস্তুর পরিকল্পিত অবস্থান। নকশা হলো বাস্তবধর্মী চিত্রকলার সারাংশ।
নকশার ব্যবহারিক উপাদান ৮ টি। যথা:
১. ভিত্তি (Base)
২. রেখা (Line)
৩. দিক (Direction)
৪. আকার (Size)
৫. আকৃতি (Shape)
৬. বুনট (Texture)
৭. মান (Value)
৮. রং (Colour)।
পাঠ পরিকল্পনা কী? পাঠ পরিকল্পনায় কী কী অন্তর্ভুক্ত থাকে?
পাঠ পরিকল্পনা:
পাঠ পরিকল্পনা হলো কোন কোন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠ দেওয়ার পূর্বে পাঠটি সম্পর্কে লিখিত দলিল। শ্রেণিকক্ষে পাঠ উপস্থাপনের পূর্বে পাঠটিতে কী পদ্ধতি বা কৌশল ব্যবহার করা হবে, কোন ধরণের উপকরণ ব্যবহার করা হবে, কত সময় ধরে কোন কোন অ্যাক্টিভিটি পরিচালনা করা হবে এবং কীভাবে করা হবে তার একটি পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা।
পাঠ পরিকল্পনায় যা যা অন্তর্ভুক্ত থাকে:
১. পাঠ্যসূচির অধ্যায় বা অংশ যা পড়ানো হবে।
২. পাঠ শেষে শিক্ষার্থী কী অর্জন করবে অর্থাৎ শিখনফল লেখা থাকবে।
৩. নির্দিষ্ট শিক্ষণ পদ্ধতি যা ব্যবহার করা হবে।
৪. যে সকল শিক্ষণ সহায়ক সামগ্রী ও শিক্ষা উপকরণ হবে।
৫. শিক্ষার্থী মূল্যায়ন কৌশল।
শিখনফল লেখার নিয়মাবলি লিখুন।
শিখনফল লেখার নিয়মাবলি:
- শিখনফল একটি মাত্র আচরনিক বৈশিষ্ট্যের উল্লেখ থাকবে।
- শিখনফলের উদ্দেশ্য ৩টি ক্ষেত্র- জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি থেকে শিখনফল চিহ্নিত করতে হবে।
- শিখনফল ক্রিয়াবাচক শব্দে লিখতে হবে।
- একটি মাত্র বাক্যে শিখনফল লিখতে হবে।
- শিখনফল সুনির্দিষ্ট, স্পষ্ট ও পরিমাপযোগ্য হবে।
