Relation between Curriculum and Learning Continua
শিক্ষাক্রম ও শিখনক্রমের পারস্পরিক সম্পর্ক
শিখনক্রম (Learning Continua):
প্রাথমিক শিক্ষাস্তরের ১১টি বিষয় রয়েছে যেগুলোর শিখনক্রম শ্রেণিভিত্তিক বিভাজন করা হয়েছে। আমরা জানি শিক্ষাক্রম ২০১২ অনুসারে প্রাথমিক শিক্ষা স্তরের জন্য ২৯টি প্রান্তিক যোগ্যতা সুনির্ধারিত। এই স্তরের শিশুদের জন্য প্রণিত ১১টি বিষয় অধ্যায়নের মাধ্যমে উক্ত যোগ্যতাগুলো অর্জন করবে। যেকারণে শিখনক্রমগুলোকে আবশ্যকীয় শিখনক্রম বলা হয়ে থাকে।
অর্জন উপযোগী যোগ্যতাগুলো যাতে শিক্ষার্থীরা ধাপে ধাপে অর্জন করতে পারে সেজন্য এগুলো শিখনফলে বিভাজন করা হয়েছে যা পরিমাপযোগ্য। উক্ত শিখনফলসমূহ শ্রেণি ও বিষয়ভিত্তিকভাবে ক্রমে ক্রমে অর্জন করবে বলে আশা যায় সেকারণে এগুলোকে শিখনক্রম বলা হয়।
শিক্ষাক্রম (Curriculum):
বিভিন্ন মনীষী শিক্ষাক্রমের বিভিন্ন ধরণের সংজ্ঞা দিয়েছেন। সবশেষে বাংলাদেশর শিক্ষাবিদগণ বলেছেন যে- “কোন বিশেষ স্তরের শিক্ষা সম্পর্কিত কার্যক্রম ও অভিজ্ঞাতার পূর্ণাঙ্গ দলিল যা কোন দায়িত্বশীল সংগঠন দ্বারা গৃহীত ও পরিচালিত হয়, তাকেই শিক্ষাক্রম বলে।” শিক্ষাক্রমের কতকগুলো ধাপ আছে। যেমন-
- শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ।
- শিক্ষার কাঠামো নির্ধারণ।
- পাঠ্য বিষয় ও বিষয়বস্তু নির্ধারণ।
- পাঠ্যসূচি নির্ধারণ।
- শিখন শেখানো কার্যাবলি নির্ধারণ।
- শিখনফল নির্ধারণ।
- উপকরণ নির্ধারণ।
- মূল্যায়ন কৌশল নির্ধারণ।
- পরিকল্পিত কাজ নির্ধারণ।
শিক্ষাক্রম ও শিখনক্রমের পারস্পরিক সম্পর্ক:
শিক্ষাক্রম ব্যাপক। শিক্ষাক্রমে শিক্ষার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কাঠামো, পাঠ্য বিষয়, বিষয়বস্তু, প্রান্তিক যোগ্যতা, শিখনফল ইত্যাদি উল্লেখ থাকে, কিন্তু শিখনক্রমের পরিসর সীমিত। শিখনক্রমে শুধুমাত্র যোগ্যতাসমূহ ধাপে ধাপে সন্নিবেশিত থাকে। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে প্রতিটি যোগ্যতা ধাপে ধাপে অর্জন করতে হবে।
যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষাক্রম প্রবাহ চিত্র:
লক্ষ্য >
উদ্দেশ্য >
প্রান্তিক যোগ্যতা >
বিষয়ভিত্তিক প্রান্তিক যোগ্যতা >
শ্রেণীভিত্তিক অর্জন উপযোগী যোগ্যতা >
শিখনফল >
বিষয়বস্তু ।
