ক্লাস-০১: আইসিটি, ডিজিটাল লিটারেসী, আইসিটি-ইন-এডুকেশন ও এর ব্যবহার
‘আইসিটি’ বা ‘ICT’ ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণরূপ হলো ‘Information and Communication Technology’ যাকে বাংলায় আমরা ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি’ বলে থাকি। তথ্যের (Information) তৈরি, প্রবাহ, সংরক্ষণ, বিনিময়, যোগাযোগ ইত্যাদির জন্য যে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়ে আসছে তা-ই আইসিটি’। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সর্বজনস্বীকৃত একক কোন সংজ্ঞা দেওয়া সম্ভব না।
United Nations Development Programme (UNDP) এর মতে-
“তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি হল তথ্য ব্যবস্থপনার হাতিয়ার যা মূলত বিভিন্ন ধরনের যন্ত্র, অ্যাপ্লিকেশন ও সার্ভিস এবং এর সাহায্যে তথ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, বিতরণ ও বিনিময় করা যায়।”
Techopedia এর তথ্য মতে-
“টেলিকমিউনিকেশন, ব্রডকাস্ট মিডিয়া, ইনটেলিজেন্ট বিল্ডিং সিস্টেম, অডিও ভিজুয়াল প্রসেসিং ও ট্রান্সমিশন সিস্টেম এবং নেটওয়ার্কবেজড কনট্রোল ও মনিটরিং ফাংশন পরিচালনা করার জন্য ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় সকল প্রযুক্তিকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বলে।”
ICT বিষয়ে পড়ালেখার মাধ্যমে জ্ঞানার্জন করাকে ICT শিক্ষা বলে। যেমন- CSE, EEE ইত্যাদি বিষয়ে পড়াশুনা করা।
আইসিটি সাধারণত ২ ধরণের উপকরণ বা প্রযুক্তির সমন্বয়ে কাজ করে। যথা:
১) সফটওয়্যার ও
২) হার্ডওয়ার।
লিটারেসীকে বাংলায় সাক্ষরতা বলে। সাক্ষরতা হলো দক্ষতা বা অর্জিত জ্ঞানকে প্রয়োগ করার ক্ষমতা। আর আইসিটি বা ডিজিটাল সাক্ষরতা হলো তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক জ্ঞান বা দক্ষতা যা ব্যক্তির ব্যবহারিক জীবনে প্রয়োজন মিটায়।
বর্তমানে যে সকল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রয়েছে যেমন- কম্পিউটার, মোবাইল, টেলিভিশন, ইন্টারনেট, মাল্টিমিডিয়া ইত্যাদি প্রয়োজন মতো ব্যবহারের দক্ষতাই হলো তথ্য প্রযুক্তি সাক্ষরতা। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে একজন ব্যক্তির নিকট একটি মোবাইল ফোন দেয়া হলো কিন্তু ঐ ব্যক্তির মোবাইল সম্পর্কে কোন ধারণা বা জ্ঞান নেই ফলে তিনি এটি ব্যবহার করতে পারলেন না। তাহলে ঐ ব্যক্তি মোবাইল বিষয়ে নিরক্ষর বা সাক্ষরতা নেই।
১. তথ্য কোথায় পাওয়া যায় তা চিহ্নিত (Identifying) করতে পারে,
২. নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী খুঁজে বের করতে পারে (Locating),
৩. যে তথ্য তার দরকার সে টুকু ডাউনলোড করতে পারে (Downloading),
৪. প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পাদনার কাজ করতে পারে (Editing),
৫. প্রয়োজন অনুযায়ী আপলোড করতে পারে (Uploading),
৬. তথ্য সংরক্ষণ (Preserving) করতে পারে,
৭. প্রক্রিয়াকরণ (Processing) করতে পারে,
৮. ব্যবহার ও পুন:ব্যবহার (Use and Re-use) করতে পারে।
একুশ শতক হলো প্রযুক্তি নির্ভর। শিক্ষা ও প্রযুক্তি একে অন্যের পরিপূরক। শিক্ষাক্ষেত্রে আইসিটি ব্যবহারের মাধ্যমে শিখন-শেখানো কার্যাবলিকে ফলপ্রসূ করার প্রক্রিয়াকে আইসিটি ইন এডুকেশন বলা হয়। এককথায়, শিখন-শেখানো কাজে আইসিটির ব্যবহার তথা আইসিটি উপকরণের ব্যবহারকেই ICT in Education বলা যায়।
আইসিটি ইন এডুকেশন সম্পর্কে ইউনেস্কোর বক্তব্য হলো-
“Information and communication technology (ICT) can complement, enrich and transform education for the better.”
শিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার সাধারণত দুই ভাবে হয়ে থাকে। যথা:
১. আইসিটি শিক্ষা এবং
২. শিক্ষায় আইসিটির ব্যবহার।
অর্থাৎ বিষয়বস্তু হিসেবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আজ পাঠ্য হয়েছে শিক্ষা ক্ষেত্রে। অন্যদিকে শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষার মান উন্নয়ন, শিক্ষা ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি ক্ষেত্রে আজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে।
পরিমার্জিত ডিপিএড (বিটিপিটি) উপমডিউল-৪.১: শিল্পকলা বিটিপিটি সামষ্টিক মূল্যায়নঃ শিল্পকলা বিষয়ের গুরত্বপূর্ণ প্রশ্নাবলি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন: বিস্তৃত…
বাংলা : প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ আলোচ্য বিষয়: পড়া/পঠন (Reading) বলতে কী বোঝায়?পড়ার অংশ কয়টি ও…
Very important for teachers and educators. Acronyms list: Used in teaching and learning (more…)
Co-curricular activities in child development শিশুর বিকাশে সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রম সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রমের ধারণা ও গুরুত্ব সহশিক্ষাক্রমিক…
Ways to develop teachers' professional skills পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের উপায় প্রশিক্ষণ পেশাগত উন্নয়নের অন্যতম মাধ্যম৷…
Individuality and intelligence of the child শিশুর ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য ও বুদ্ধিমত্তা এবং বুদ্ধিমত্তার ধরণ অনুযায়ী…
This website uses cookies.
View Comments
অতি সুন্দর হয়েছে । এক নজরেই মনে হচ্ছে মনে থাকার মতো। ধন্যবাদ স্যার 🌹🌹। শেষ প্রশ্নের উত্তরে বিশাশ হয়েছে এ শব্দটি মনে হয় বিশাল হতো।
Thanks a lot. Keep touch with us and visit our other notes.
অসাধারণ স্যার,এখানে খুব সুন্দর ভাবে এই ওয়েবসাইট এবং ক্লাসটি সাজিয়েছে।
ধন্যবাদ স্যার
Thank you sir