বর্তমানে কিডনি সমস্যা ঘরে ঘরেই দেখা যায়। এর জন্য মূলত আমাদের অসচেতনতাই দায়ী। নিজের সামান্য অসচেতনতা এবং অবহেলায় আপনি বা আমি চিরতরে হারিয়ে ফেলতে পারি আমাদের কিডনি ,সঙ্কটে পরতে পারে আমাদের জীবন। আমাদের জীবনযাত্রা, খাবার সম্পর্কে আমরা যদি একটু সচেতন হই তাহলে আমরা সুস্থ রাখতে পারি আমাদের মূল্যবান এই অর্গানটি।আমরা বা আমাদের এই প্রজন্ম ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবারে বেশি আকৃষ্ট যা কিডনির জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাছাড়াও খাদ্যে বিভিন্ন রকমের রাসায়নিক পদার্থ মিশানোর ফলে সেগুলো আমাদের জন্য হয়ে উঠেছে হুমকিস্বরূপ। তবে কিছু খাবার রয়েছে যা আমাদের কিডনিকে সুস্থ রাখতে অনেকটা সাহায্য করবে,ইনশাল্লাহ।চলুন, জেনে নেয়া যাক সে সকল খাবার সম্পর্কে।
পেঁয়াজ আমাদের রান্নাঘরের নিত্যদিনের খুব সাধারণ একটি খাবার । কিডনি সুস্থ রাখতে এই সাধারণ খাবারটির জুড়ি মেলা ভার । এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে Flavonoids যা রক্তে থাকা চর্বি দূর করতে সহায়তা করে। তাই নিয়মিত পেঁয়াজ খেলে বিশেষ করে কাচা পেঁয়াজ কিডনি সুস্থ রাখতে খুবই কার্যকরী।
আমাদের প্রতিদিনের রান্নায় রসুন অত্যাবশ্যক একটি উপাদান।তবে রান্না করা রসুনের চেয়ে কাচা রসুন বেশি কার্যকর। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা কিডনির জন্য খুব উপকারী।
আপেল খেতে পছন্দ করেন? উচ্চ আঁশ যুক্ত খাবার হিসেবে আপেল বেশ পরিচিত। আর আঁশ যুক্ত খাবার কিডনির খুব ভালো বন্ধু। তাহলে নিশ্চিন্তে আপেল খান, কাচা বা জুস করে।
প্রতিদিন সকালের নাস্তার টেবিলে একটি কমন খাবার হলো ডিম। আপনি জানেন ডিমের সাদা অংশ আপনার জন্য কতটা উপকারী? এতে রয়েছে প্রোটিনের খনি। এছাড়াও ফসফরাস ও অ্যামিনো এসিড আছে যাদের সাথে কিডনির অনেক সখ্যতা রয়েছে। তাই নিশ্চিন্তে প্রতিদিন ডিমের একটি অমলেট অথবা সিদ্ধ ডিম খেতেই পারেন।
বলা হয়ে থাকে মাছে ভাতে বাঙালি। আমেরিকায় প্রকাশিত “American journal of kidney disease(2008) এর ভাষ্যমতে আমাদের দেহে অধিকাংশ প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করে মাছ। মাছে Omega-3 আছে ।এটি কিডনিকে সুস্থ রাখতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
তেল শব্দটি শুনলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠে স্বচ্ছ সয়াবিন তেল । মনে হয় যেন সয়াবিন তেল ছাড়া রান্নার কথা ভাবাই যায়না। সময় এসেছে এই চিন্তা ঝেড়ে ফেলে দেয়ার। এই সয়াবিন তেল আমাদের শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। অধিক পরিমাণ অলিক এসিড ও Anti inflammatory যুক্ত অলিভ অয়েল কিডনিকে রাখবে সুস্থ। তাই রান্না বা সালাদে পরিমাণে অল্প হলেও অলিভ অয়েল ব্যবহার করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
লেবুর রসে রয়েছে সাইট্রাস নামক একটি উপাদান যা কিডনির জন্য যাদুকরী ভূমিকা রাখে। তাছাড়া লেবু ফ্যাট কমাতেও সাহায্য করে।যে করেই হোক প্রতিদিন অন্তত একটি লেবু খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। লেবুর এসিডিয় উপাদান কিডনিতে জমা পাথর ভাঙতে সাহায্য করে।
এছাড়াও তরমুজ, গাজর, লাল ক্যাপসিকাম, কাচা হলুদ কিডনি সুস্থ রাখতে বেশ ভূমিকা পালন করে।
হ্যাঁ, অবশ্যই নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন।
সুস্থ থাকুন , কিডনি সহ সমস্ত অর্গানের যত্ন নিন।
পরিমার্জিত ডিপিএড (বিটিপিটি) উপমডিউল-৪.১: শিল্পকলা বিটিপিটি সামষ্টিক মূল্যায়নঃ শিল্পকলা বিষয়ের গুরত্বপূর্ণ প্রশ্নাবলি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন: বিস্তৃত…
বাংলা : প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ আলোচ্য বিষয়: পড়া/পঠন (Reading) বলতে কী বোঝায়?পড়ার অংশ কয়টি ও…
Very important for teachers and educators. Acronyms list: Used in teaching and learning (more…)
Co-curricular activities in child development শিশুর বিকাশে সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রম সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রমের ধারণা ও গুরুত্ব সহশিক্ষাক্রমিক…
Ways to develop teachers' professional skills পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের উপায় প্রশিক্ষণ পেশাগত উন্নয়নের অন্যতম মাধ্যম৷…
Individuality and intelligence of the child শিশুর ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য ও বুদ্ধিমত্তা এবং বুদ্ধিমত্তার ধরণ অনুযায়ী…
This website uses cookies.