পেশাগত শিক্ষা (২য় খন্ড)

২য় অধ্যায়: শিখন শেখানো পদ্ধতি ও কৌশল

ক্লাস-১৭: শিক্ষার্থীর আচরণগত ভিন্নতা ও শ্রেণিকক্ষে যোগাযোগ কৌশল

ক্লাসের আলোচিত বিষয়:

· শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের আচরণগত ভিন্নতার ধরণগুলো লিখুন।

· শিক্ষার্থীদের জেন্ডার ভিন্নতার কারণে কী কী সমস্যা তৈরি হয়?

· শিক্ষার্থীদের জেন্ডার ভিন্নতায় সৃষ্ট সমস্যা দূরীকরণে বিদ্যালয়ে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত বলে আপনি মনে করেন- তা বর্ণনা দিন।

·  শিক্ষার্থীদের সংস্কৃতি, রীতিনীতি, আর্থ-সামাজিক অবস্থাগত ভিন্নতা বজায় রেখে পাঠদানের জন্য কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে সে সম্পর্কে আপনার ধারণা ব্যক্ত করুন।

· যোগাযোগ কী?

·  শ্রেণিকক্ষে যোগাযোগ বলতে কী বুঝেন?

· শ্রেণিকক্ষে প্রয়োগযোগ্য যোগাযোগ কৌশল কী কী হতে পারে সে সম্পর্কে আলোচনা করুন।

· বাচনিক যোগাযোগ কৌশল কাকে বলে?

·  অবাচনিক যোগাযোগ কৌশল কাকে বলে?

· শ্রেণিকক্ষে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাধা বা চ্যালেঞ্জসমুহ আলোকপাত করুন।

· শ্রেণিকক্ষে কার্যকর যোগাযোগে নিশ্চিতকরণে শিক্ষকের করণীয় দিকসমূহ আলোচনা করুন।

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের আচরণগত ভিন্নতার ধরণগুলো লিখুন।

শ্রেনিকক্ষে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরণের আচরণ পরিলক্ষিত হয়। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের কাজে যেকোন ধরনের অসহযোগিতামূলক আচরণই সমস্যামূলক আচরণ। শ্রেণিকক্ষে কিছু শিক্ষার্থী আছে যারা তাদের আচরণের মাধ্যমে শ্রেণিকক্ষে শিখন শেখানোর কাজে সমস্যা তৈরি করে। শিখন-শেখানো কাজের সুবিধার্ধে এ ধরণের আচরণগুলো সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক। সেগুলো হলো:

·  শিক্ষার্থীদের জেন্ডার ভিন্নতা,

·  শিক্ষার্থীদের ভাষাগত ভিন্নতা,

· শিক্ষার্থীদের সংস্কৃতি, রীতিনীতি, আর্থ-সামাজিক অবস্থাগত ভিন্নতা।

শিক্ষার্থীদের জেন্ডার ভিন্নতার কারণে কী কী সমস্যা তৈরি হয়?

শিক্ষার্থীদের জেন্ডার ভিন্নতার কারণে বিদ্যালয়ে তাদের অংশগ্রহণ ও শিখনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা হয়। যেমন-

· মেয়েদের প্রতি শিক্ষক বা সহপাঠী ছেলেদের কর্তৃক বিভিন্ন ধরনের গালিগালাজ ও অশালীন মন্তব্য,

· অশালীন আকার-ইঙ্গিত ও যৌন নিপীড়ন ইত্যাদি বিদ্যালয়ে অংশগ্রহণ ও শিখন শেখানোর কাজে অংশগ্রহণে বাধা তৈরি করে।

· শ্রেণিকক্ষেও বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কাজে মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের অধিক অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া ও পক্ষপাত করার ফলে মেয়েরা শিখন শেখানো কার্যক্রমে অংশগ্রহণে পিছিয়ে পড়ে।

· স্বাস্থ্যসম্মত এবং আলাদা টয়লেট ব্যবস্থা, বিশ্রাম বা অবসর কাটানোর জন্য আলাদা কমনরুমের ব্যবস্থা না থাকলেও তা শিক্ষার্থীদের বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে শিখনে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করে।

শিক্ষার্থীদের জেন্ডার ভিন্নতায় সৃষ্ট সমস্যা দূরীকরণে বিদ্যালয়ে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত বলে আপনি মনে করেন- তা বর্ণনা দিন।

জেন্ডার ভিন্নতায় সৃষ্ট সমস্যা দূরীকরণে যে সকল পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন তা হলো:

· শ্রেণিকক্ষে ও শ্রেণিকক্ষের বাইরের বিভিন্ন কাজে নারী বা পুরুষ বাচক বৈষম্য যাতে তৈরি না হয় এমনভাবে পরিবেশ তৈরি করা।

· সকল ধরণের কর্মকান্ডে উভয়ের সমান অধিকার ও সমান সুযোগ থাকা।

· বৈষম্যপূর্ণ ও জেন্ডার সংবেদনশীল পরিবেশ যাতে সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা।

·  পৃথক টয়লেট এবং কমনরুমের ব্যবস্থা থাকা।

· বিদ্যালয়ে এবং এর বাইরে যৌন নিপীড়ন এবং অশালীন ইঙ্গিতমূলক আচরণমুক্ত পরিবেশ থাকা।

শিক্ষার্থীদের সংস্কৃতি, রীতিনীতি, আর্থ-সামাজিক অবস্থাগত ভিন্নতা বজায় রেখে পাঠদানের জন্য কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে সে সম্পর্কে আপনার ধারণা ব্যক্ত করুন।

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের বৈচিত্র্যপূর্ণ অবস্থাগত ভিন্নতা অনেক সময় পাঠদান কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্থ করে। তাদের সংস্কৃতিগত ভিন্নতা, রীতিনীতি ও আচার-আচরণগত ভিন্নতার কারণে বৈষম্য তৈরি হতে পারে। এক্ষেত্রে শ্রেণিকক্ষে এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে যেন শিক্ষার্থীদের সংস্কৃতিগত বা আর্থ-সামাজিক অবস্থাগত ভিন্নতা সত্ত্বেও শ্রেণিকক্ষে কোন ধরনের বৈষম্য তৈরি করা না হয়। শিক্ষার্থীদের অবস্থাগত ভিন্নতা মাথায় রেখে পাঠদানে জন্য বিভিন্ন ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। সেগুলো হলো:

· ভিন্নতাই শক্তি এমন ধারণা বিদ্যালয়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুপ্রবেশ ঘটানো।

· আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক ইত্যাদি ভিন্নতার কারণে কোন ধরনের বৈষম্য না করে সবাইকে সমান দৃষ্টিতে দেখা ও সমান সুযোগ প্রদান করা।

· সকল ধরণের বৈষম্য নীতি বর্জন করা।

· প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মধ্যে তাদের নিজের সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা গঠনে সহায়তা করা।

· কাউকে কোন ধরনের হেয় না করা বা কারো প্রতি কোন ধরনের পক্ষপাতমূলক আচরণ না করা।

· পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া, প্রয়োজনে তাদের বাড়ীতে গিয়ে মাঝে মধ্যে খোঁজ-খবর রাখা।

·  কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের অবস্থানগত ভিন্নতা মাথায় রেখে বাড়ীর কাজ প্রদান করা।

· শিক্ষার্থীদের ভালো কাজকে প্রশংসা করা এবং মন্দ কাজকে নিরুৎসাহিত করা।

যোগাযোগ কী?

Information is power অর্থাৎ তথ্যই শক্তি। আর তথ্য যোগাযোগের মাধ্যমেই আদান প্রদান হয়। ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের মাঝে তথ্য আদান-প্রদানের প্রক্রিয়াকে যোগাযোগ বলে। অন্যকথায়, বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যে তথ্যাদির আদান-প্রদান প্রক্রিয়াকে যোগাযোগ (Communication) বলা হয়।

ডাই ম্যাকুয়েল এর মতে-

“যোগাযোগ হল সাংস্কৃতিক প্রক্রিয়ার আদান-প্রদান প্রক্রিয়া যেখানে জীবনযাপনের বিধি বিধান, প্রথা, লোকাচার, লোকরীতি, বিশ্বাস ও মূল্যবোধের যাবতীয় চেতনা বিদ্যমান রয়েছে।”

সুতরাং বলা যায় যে, যোগাযোগ একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আমরা একে অন্যের সাথে আমাদের অনুভূতি, জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও তথ্য ভাগাভাগি করি।

শ্রেণিকক্ষে যোগাযোগ বলতে কী বুঝেন?

শ্রেণিতে যোগাযোগ তথা তথ্য আদান-প্রদানের ভূমিকায় থাকে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী। যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা আমদের চিন্তা-ভাবনা, অনুভূতি অন্যদের সাথে বিনিময় করি। শ্রেণিতে যোগাযোগের অন্যতম হাতিয়ার হলো প্রশ্নকরণ। অর্থাৎ শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে ভাব বিনিময়, জ্ঞান, তথ্য ও অভিজ্ঞতা আদান-প্রদান করার প্রক্রিয়াকে শ্রেণিকক্ষে যোগাযোগ বলা যায়। শ্রেণিকক্ষে যোগাযোগ বলতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সকল ধরনের যোগাযোগকে বোঝায়।

শ্রেণিকক্ষে প্রয়োগযোগ্য যোগাযোগ কৌশল কী কী হতে পারে সে সম্পর্কে আলোচনা করুন।

শ্রেণিকক্ষে বিভিন্ন ধরণের যোগাযোগ কৌশল প্রয়োগ করা যেতে পারে। সেগুলো নিম্নে আলোচনা করা হলো:

১. দৃষ্টিনির্ভর যোগাযোগ কৌশল:যেখানে শিখন-শেখানোর কৌশল হিসেবে দৃষ্টিশক্তিকে ব্যবহার করা হয়, যেমন- বিভিন্ন প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার, ছবি, মডেল ইত্যাদি ব্যবহার করে যোগাযোগ করা হয়।

২. কথন-শ্রবণ নির্ভর যোগাযোগ কৌশল: মূলত পরস্পরের আলোচনা, ব্যাখ্যা, বক্তৃতা ইত্যাদি বিনিময় ও শোনার মাধ্যমে এ ধরনের যোগাযোগ ঘটে।

৩. পঠন-লিখন নির্ভর যোগাযোগ কৌশল: কোন নির্দেশনা লেখা বা পাঠের মাধ্যমে এ ধরনের যোগাযোগ ঘটে। বোর্ড, খাতা বা বইয়ে লিখে এবং তা পাঠের মাধ্যমে এ ধরনের যোগাযোগ সংঘটিত হয়।

৪. অনুভূতি-স্পর্শ নির্ভর যোগাযোগ কৌশল: কোন কিছুর প্রতিকৃতি তৈরি করা, হাতের কাজ করা, কিংবা হাতে-কলমে কোন কিছু করা এই ধরনের কৌশলের অন্তর্ভুক্ত।

এর বাইরেও যোগাযোগের অন্য যেসব উপায় আছে তার ভিত্তিতে শ্রেণিকক্ষে যোগাযোগ কৌশল প্রধানত ২ ধরনের। যথা:

১) বাচনিক যোগাযোগ ও

২) অবাচনিক যোগাযোগ কৌশল।

বাচনিক যোগাযোগ কৌশল কাকে বলে?

যেখানে মৌখিকভাবে বা ভাষা ব্যবহার করে শ্রেণিকক্ষে যোগাযোগ করা হয় তাকে বাচনিক যোগাযোগ বলা হয়। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্ন করা, বিভিন্ন ধরনের নির্দেশনা দেয়া, প্রশংসা করা সবই বাচনিক যোগাযোগের উদাহরণ। শ্রেণিকক্ষের অধিকাংশ যোগাযোগই ঘটে বাচনিক দক্ষতার প্রয়োগ করে। বিভিন্ন ধরনের শিখন-শেখানো পদ্ধতি ও কৌশল, যেমন- বক্তৃতা পদ্ধতি, আলোচনা পদ্ধতি, প্রশ্নোত্তর পদ্ধতি ইত্যাদি ঘটে বাচনিক যোগাযোগ কৌশল ব্যবহার করে।

অবাচনিক যোগাযোগ কৌশল কাকে বলে?

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক মুখে কী বলছেন শুধু তাই গুরুত্বপূর্ণ নয়, কীভাবে তা উপস্থাপন করা হচ্ছে সেটিওগুরুত্বপূর্ণ। মূলত মৌখিক যোগাযোগ বাদে আকার-ইঙ্গিত, মুখভঙ্গি বা অন্য কোন উপায়ে শিক্ষার্থীদের যে বার্তা শিক্ষক দেন তাই অভাষিক যোগাযোগ কৌশল । এগুলো হতে পারে-

·       শিক্ষকের মুখের ভাব

·       বিভিন্ন ধরনের অঙ্গভঙ্গি ও দেহভঙ্গিমা

·       শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের চলাফেরা করা

·       শিক্ষার্থীদের কাছাকাছি যাওয়া

·       শিক্ষার্থীদের সাথে দৃষ্টি বিনিময় ইত্যাদি।

শ্রেণিকক্ষে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাধা বা চ্যালেঞ্জসমুহ আলোকপাত করুন।

শ্রেণিকক্ষে সফল যোগাযোগের ক্ষেত্রে নিচের বিষয়সমুহ বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে:

· পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়া অপরিকল্পিত বা অগোছালোভাবে বক্তব্য প্রদান করা।

· শ্রেণিতে প্রমিত ভাষার ব্যবহার ও আঞ্চলিক ভাষা পরিহার করা।

· শ্রেণিকক্ষের ভৌত পরিবেশ অনেক সময় যোগাযোগর ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে।

·  শিক্ষকের শব্দভান্ডারে প্রয়োজনীয় শব্দের অভাব।

· শ্রেণিতে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী থাকলে তাদের সাথে সহজে যোগাযোগ স্থাপন করা দুরূহু হতে পারে।

· শিক্ষক ও শিক্ষার্থী মানসিক ও আবেগিক প্রস্তুতির ঘাটতি।

· সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যতা বা ভিন্নতা।

·  অপ্রয়োজনীয় অঙ্গভঙ্গি ইত্যাদি কারণে যোগাযোগ বিঘ্ন হতে পারে।

শ্রেণিকক্ষে কার্যকর যোগাযোগে নিশ্চিতকরণে শিক্ষকের করণীয় দিকসমূহ আলোচনা করুন।

শ্রেণিকক্ষে যোগাযোগ কার্যকরী করতে বিভিন্ন ধরণের বাধার সম্মুখীন হতে হয়। এজন্য শিক্ষক হিসাবে পাঠদান ফলপ্রসূ তথা নিশ্চিতকরণে করণীয় দিকগুলো নিম্নে তুলে ধরা হলো:

· পাঠদানের পূর্বে যথাযথ পরিকল্পনা করা। যদি পূর্ণাঙ্গ পাঠ পরিকল্পনা সম্ভব না হয় তবে অবশ্যই পরিকল্পনাটির সংক্ষিপ্ত নোট তৈরি করা।

·  প্রতি ধাপে সতর্কতার সহিত শিক্ষার্থীদের মনোযোগ আকর্ষণ করা।

· শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে সক্রিয় রাখা। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সক্রিয়তার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা।

· শ্রেণিকক্ষের ভৌত পরিবেশ শিক্ষার্থীবান্ধব করা।  

· শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের অবস্থান ঠিক রাখা। বিভিন্ন একটিভিটির ধরণ অনুসারে শিক্ষার্থীদের নিকট তাদের চাহিদা অনুসারে অবস্থান অর্থাৎ নৈকট্য বজায় রাখা।

·  চোখে চোখে যোগাযোগ (Eye contact) এর মাধ্যমে তাদের আচরণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা।

·  সহজ-সরল ও বোধগম্য ভাষা ব্যবহার করা।

· সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা। প্রয়োজনে নির্দেশনাটি পুনরাবৃত্তি করা।

· কণ্ঠস্বরের উঠা-নামা এবং শ্রেণির আকার অনুসারে প্রয়োজন মাফিক ব্যবহার করা।

· শারীরিক ভাষা ও অঙ্গভঙ্গির ব্যবহার করতে হবে। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের চলাচল, হাত পা নাড়ানো, মুখের এক্সপ্রেশন বা প্রকাশভঙ্গি বক্তব্যের ভাবার্থ অনুযায়ী শিক্ষার্থীকে সঠিক বিষয়টি অনুধাবনে সহায়তা করতে হবে।

· প্রতিবন্ধী কোন শিক্ষার্থী থাকলে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যেমন: তাদের কাছে গিয়ে বলা এবং উপকরণ থাকলে তাদের কাছে নিয়ে দেখানো।

· আনন্দময় পরিবেশ সৃষ্টি করা। যেমন- মজার গল্প বলা, প্রাসঙ্গিক কৌতুক বলা, মজার কোন অভিজ্ঞতা বলা ইত্যাদি।

proshikkhon

Share
Published by
proshikkhon

Recent Posts

বিটিপিটি শিল্পকলা বিষয়ের গুরত্বপূর্ণ প্রশ্নাবলি

পরিমার্জিত ডিপিএড (বিটিপিটি) উপমডিউল-৪.১: ‍শিল্পকলা বিটিপিটি সামষ্টিক মূল্যায়নঃ শিল্পকলা বিষয়ের গুরত্বপূর্ণ প্রশ্নাবলি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন: বিস্তৃত…

2 years ago

পড়তে শেখা ও পড়ে শেখা

বাংলা : প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ আলোচ্য বিষয়: পড়া/পঠন (Reading) বলতে কী বোঝায়?পড়ার অংশ কয়টি ও…

3 years ago

Acronyms list: Used in teaching and learning

Very important for teachers and educators. Acronyms list: Used in teaching and learning (more…)

3 years ago

শিশুর বিকাশে সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রম

Co-curricular activities in child development শিশুর বিকাশে সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রম সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রমের ধারণা ও গুরুত্ব সহশিক্ষাক্রমিক…

3 years ago

শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের উপায়

Ways to develop teachers' professional skills পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের উপায় প্রশিক্ষণ পেশাগত উন্নয়নের অন্যতম মাধ্যম৷…

3 years ago

শিশুর ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য ও বুদ্ধিমত্তা

Individuality and intelligence of the child শিশুর ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য ও বুদ্ধিমত্তা এবং বুদ্ধিমত্তার ধরণ অনুযায়ী…

3 years ago

This website uses cookies.