জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ এবং বাংলাদেশ জাতীয় শিশু নীতিমালা অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে সকল মানব সন্তানকে শিশু বলা হয়৷ প্রতিটি শিশু আলাদা এবং একটি পূর্ণাঙ্গ সত্তা৷ শিশুর রয়েছে নিজস্ব একটা জগত্ এবং শিশুর এই জগত্ হলো হাসি ও আনন্দময়৷ শিশুদের সঠিকভাবে বুঝতে এবং সক্রিয় রাখতে হলে তাদের সম্পর্কে আমাদের জানা দরকার৷ শিশুর শেখানো কার্যক্রম ও মূল্যায়নে শিশুর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা প্রত্যেক শি¶ক মেন্টরের জন্য অত্যাবশ্যক৷
১. ‘শিশুর বিকাশ ও খেলাভিত্তিক শিখন’ বিষয়ক বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ সহায়িকা, (জানুয়ারি ২০২৩); ডিপিই, প্রাগম, ব্র্যাক আইইডি, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
২. জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমী (নেপ), ময়মনসিংহ (২০১৯), ডিপিএড পেশাগত শিক্ষা (প্রথম খন্ড)
মানবজীবনের বিকাশ প্রক্রিয়ার সূচনা হয় মাতৃগর্ভ থেকে যা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অবিচ্ছিন্ন ধারায় এগিয়ে চলে৷ সামগ্রিকভাবে জীবন বিকাশের দীর্ঘ প্রক্রিয়া সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভের জন্য মনোবিজ্ঞানীরা বয়স ও বিকাশের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী একে ভিন্ন ভিন্ন পর্যায়ে ভাগ করেছেন৷ কিন্তু এই বিভাজনে বেশ মতবিরোধও রয়েছে৷ সাধারণত ভ্রুণাবস্থা থেকে প্রারম্ভিক শিশুকাল শুরু হয় তবে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, পারিপাশির্বক পরিবেশ ও অন্যন্য বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে এই বয়সসীমা ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে৷ শিশুকাল বা শৈশবকে কয়েকটি ছোটো ছোটো পর্বে ভাগ করা হয়; যেমন- প্রারম্ভিক শৈশব, শৈশব ও কৈশোর৷ যেহেতু আমরা প্রাথমিক স্তরের শিশুদের সাথে কাজ করব, তাই প্রারম্ভিক শৈশব ও শৈশবকালে শিশুর বিকাশ নিয়ে এখানে আলোচনা করা হলো৷
পৃথিবীর প্রায় অনেক দেশেই প্রারম্ভিক শৈশব বলতে গর্ভ থেকে শিশুর আট বছর বয়স পর্যন্ত ধরা হয়৷ বাংলাদেশে ‘শিশুর প্রারম্ভিক যত্ন ও বিকাশের সমন্বিত নীতি-২০১৩’ অনুযায়ী প্রারম্ভিক শৈশবকাল গর্ভ থেকে শিশুর আট বছর বয়স পর্যন্ত ধরা হয়৷ এই সমরে মধ্যে মূলতঃ ভ্রুণাবস্থা থেকে ৫ বছর- জীবনব্যাপি শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশের ভিত্তি গঠনের সাথে সম্পৃৃক্ত এবং ৬-৮ বৎসর- শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশের ভিত্তির ধারাবাহিকতা রক্ষা করা এবং প্রাথমিক শিক্ষায় সহজ ও সাবলীল উত্তরণের সাথে সম্পৃৃক্ত৷
এই সময়ে শিশু লম্বা ও ক্ষীণকায় হয়৷ হাঁটা, দৌড়ানো, খেলাধুলা করা, ধরা ইত্যাদিতে আরও বেশি দক্ষতা অর্জন করে৷ তারা নিজের কাজগুলো করতে পারে৷ যেমন- নিজে খাওয়া, পোশাক পরা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হওয়া৷এছাড়া, তারা স্ত্রী পুরুষের বিদ্যমান পার্থক্য করতে শিখে৷ তারা পরিবারের সদস্যদের অনুকরণ করে৷ সমবয়সীদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করতে শুরু করে৷ এ বয়সে তারা কৌতুহলী হয় ও অনেক প্রশ্ন করে৷
সাধারণত প্রাক-কৈশোর থেকে যৌবনাগমন (Adolescence) এর পূর্ব পর্যায়টিকে ধরা অর্থাত্ শিশুর ১১ বছর বয়স সীমাকে বুঝানো হয়৷
এই সময় শিশুর শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের সাথে সাথে সামাজিক চেতনা বৃদ্ধি পায়৷ বর্হিজগতের সাথে যোগাযোগ ঘনিষ্ট হয়৷ এই বয়স হলো দল গঠন করার বয়স৷ লেখাপড়া ও গণনার মৌলিক দ¶তা অর্জন করে৷ তারা সৃজনশীল কর্মকান্ডে নিয়োজিত থাকতে আনন্দবোধ করে এবং ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট হতে থাকে৷ লিঙ্গ অনুযায়ী সামাজিক ভূমিকা পালন শিখে৷
পরিমার্জিত ডিপিএড (বিটিপিটি) উপমডিউল-৪.১: শিল্পকলা বিটিপিটি সামষ্টিক মূল্যায়নঃ শিল্পকলা বিষয়ের গুরত্বপূর্ণ প্রশ্নাবলি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন: বিস্তৃত…
বাংলা : প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ আলোচ্য বিষয়: পড়া/পঠন (Reading) বলতে কী বোঝায়?পড়ার অংশ কয়টি ও…
Very important for teachers and educators. Acronyms list: Used in teaching and learning (more…)
Co-curricular activities in child development শিশুর বিকাশে সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রম সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রমের ধারণা ও গুরুত্ব সহশিক্ষাক্রমিক…
Ways to develop teachers' professional skills পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের উপায় প্রশিক্ষণ পেশাগত উন্নয়নের অন্যতম মাধ্যম৷…
Individuality and intelligence of the child শিশুর ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য ও বুদ্ধিমত্তা এবং বুদ্ধিমত্তার ধরণ অনুযায়ী…
This website uses cookies.