কিডনি আমাদের শরীরের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। শরীর থেকে অনাবশ্যক দ্রব্য বা পদার্থ মূত্র হিসাবে শরীর থেকে বের করে রক্তের পরিশোধন করতে এবং শরীরে ক্ষার এবং অম্লের ভারসাম্য বজায় রাখে। এইভাবে কিডনি শরীরকে স্বচ্ছ এবং সুস্থ রাখে। আমাদের নিজেদের অবহেলা বা বিভিন্ন কারণে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আশঙ্কার বিষয় হলো আমাদের দেশে কিডনি বিকলতার হার দিন দিন বেড়ে চলেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী দেশে দুই কোটি মানুষ কোননা কোন ভাবে কিডনি রোগে ভুগছে (তথ্যসূত্র: BBC)। কিডনি যে কোন ভাবে তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারানোই মূলত কিডনি রোগ।এর মধ্যে কিছু কিডনি রোগ আছে, সময়মতো উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে কিডনি ফেইলুর হয়ে যায়। সময়মতো চিকিৎসা করা না হলে কিডনি রোগের শেষ পরিণতি দীর্ঘস্থায়ী হয়। কিডনি ফেইলুরের অন্যতম কারণ হলো অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস রোগ।
কিডনি রোগের বেশকিছু লক্ষণ দেখে বুঝতে পারবেন আপনার এই জটিল রোগটি হয়েছে কিংবা হতে চলেছে। নিচে গুরুত্বপূর্ণ ১১টি লক্ষণ সম্পর্কে বর্ণনা করা হল:
কিডনি রোগের একটি বড় লক্ষণ হলো প্রস্রাবে পরিবর্তন হওয়া। কিডনির সমস্যা হলে প্রস্রাব বেশি হয় বা কম হয়। বিশেষত রাতে এ সমস্যা বাড়ে। প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হয়। অনেক সময় প্রস্রাবের বেগ অনুভব হলেও প্রস্রাব হয় না।
কিডনি সমস্যার একটি বিশেষ লক্ষণ প্রসাবের সময় ব্যাথা হওয়া। এসময় ইউনিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (Urinary Tract Infection) হতে পারে। ফলে প্রসাবের সময় ব্যাথা ও জ্বালাপোড়া অনুভূত হতে পারে। যখন এ সমস্যাটি কিডনিতে ছড়িয়ে যায় তখন ব্যাকপেইন হতে পারে এবং জ্বর হয়।
কোন কোন ক্ষেত্রে প্রস্রাবের সাথে রক্ত যেতে দেখা যায় যেটি অত্যন্ত বিপদজনক হতে পারে। এরকম লক্ষ্য করার সাথে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
কিডনি যখন তার স্বাভাবিক কার্যক্রম চালাতে পারেনা তখন রক্তে বর্জ্য পদার্থ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে ত্বকে চুলকানি, দাগ বা বিভিন্ন ধরণের চর্মরোগ দেখা দিতে পারে।
কিডনি রোগের আরেকটি লক্ষণ বমি বমি ভাব অর্থাৎ কোন কোন ক্ষেত্রে বমিও হতে পারে।
কিডনি রোগীদের রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে। কিডনির সাথে শরীরের অন্যান্য প্রধান অঙ্গগুলো সম্পর্কিত যার ফলে ফুসফুসে পানি বা তরল পদার্থ (Fluid) জমা হয়। এসকল কারণে শ্বাস-প্রশ্বাস বা নিঃশ্বাসে সমস্যা হয়, তাই শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।
কিডনির কাজ হল শরীর থেকে বর্জ্য এবং বাড়তি পানি বের করে দেওয়া। কিডনী তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারালে শরীরের বাড়তি পানি বের করতে পারে না। যার ফলে শরীরে ফোলাভাব তৈরি করে।
লোহিত রক্তকণিকা কমে যাওয়ার কারণে মস্তিষ্কে অক্সিজেন পরিবহন কমে যায়। এতে কাজে মনোযোগ দিতে অসুবিধা হয়।
আপনি কী গ্রীষ্মকালেও শীত অনুভব করছেন? অনেক সময় কিডনি রোগিরা গরমকালে শীতবোধ করে থাকেন বলে গবেষণায় পাওয়া যায়। সুতরাং সবসময় শীত বোধ করাটাও কিডনি রোগের আরেকটি লক্ষণ।
কিডনির কর্মক্ষমতা নষ্ট হলে শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা এবং মাংসপেশিতে খিল লাগার সমস্যা দেখা দেয়। যেমন- ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মাত্রা কমে গেলেও মাংসপেশিতে খিল লাগার সমস্যা দেখা দেয়।
এছাড়াও মাথা ঘোরা, কোমর ও পায়ে ব্যাথা হওয়া ইত্যাদি উপসর্গ গুলো ও দেখা দিতে পারে।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কিডনি রোগের প্রাথমিক কোন লক্ষণ পরিলক্ষিত হয় না। তাই উপরোল্লিখিত লক্ষণগুলো বুঝার পাশাপাশি বছরে অন্তত একবার হলেও কিডনী টেস্ট করাতে হবে বিশেষ করে আপনার বয়স যদি ৪০ পার হয়ে যায়। কেননা ৪০ বছর বয়সের পর মানুষের শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো দূর্বল হতে থাকে। আর যাদের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে তাঁদেরতো আরও বেশি সচেতন হতে হবে। কিডনির সুস্থতা যাচাইয়ের জন্য বেশকিছু টেস্ট রয়েছে। যেমন-
পরিমার্জিত ডিপিএড (বিটিপিটি) উপমডিউল-৪.১: শিল্পকলা বিটিপিটি সামষ্টিক মূল্যায়নঃ শিল্পকলা বিষয়ের গুরত্বপূর্ণ প্রশ্নাবলি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন: বিস্তৃত…
বাংলা : প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ আলোচ্য বিষয়: পড়া/পঠন (Reading) বলতে কী বোঝায়?পড়ার অংশ কয়টি ও…
Very important for teachers and educators. Acronyms list: Used in teaching and learning (more…)
Co-curricular activities in child development শিশুর বিকাশে সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রম সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রমের ধারণা ও গুরুত্ব সহশিক্ষাক্রমিক…
Ways to develop teachers' professional skills পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের উপায় প্রশিক্ষণ পেশাগত উন্নয়নের অন্যতম মাধ্যম৷…
Individuality and intelligence of the child শিশুর ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য ও বুদ্ধিমত্তা এবং বুদ্ধিমত্তার ধরণ অনুযায়ী…
This website uses cookies.