বিশ্ব ভালবাসা দিবস
-জ্ঞান সাগর
প্রতি বছর ১৪ ই ফেব্রুয়ারি সেন্ট ভ্যালেন্টাইন ডে বা বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। পাশ্চাত্য রীতি অনুযায়ী এই দিবসটি এখন বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি বাংলাদেশ, ভারত ও চীনের মতো দেশে ব্যাপক উৎসাহের সহিত পালিত হয়। দিবসটির নামকরণ করা হয়েছে একজন খ্রিস্টান শহীদ সেন্ট ভ্যালেন্টাইন ও তার সাথীদের প্রেমের স্মরণে।
সময়কাল আনুমানিক ২৭০ খ্রিস্টাব্দ, রোমান সম্রাট ২য় ক্লডিয়াস নারী-পুরুষের মাঝে বিবাহ প্রথার উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করেন। সম্রাটের ধারণা ছিল বিবাহের মাধ্যমে পুরুষের সৈনিক দক্ষতা হ্রাস পায় অর্থাৎ যুদ্ধের প্রতি আগ্রহ কমে যায়। ইতালির রোম নগরীতে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন’স নামে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। তিনি সম্রাটের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানালে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পৌত্তলিক ধর্মে বিশ্বাসী সম্রাট ক্লডিয়াস কারা অন্তরীণ ভ্যালেন্টাইনকে খ্রিস্টধর্ম ত্যাগের প্রস্তাব দেন এবং পৌত্তলিক ধর্ম গ্রহণ করতে বলেন। ভ্যালেন্টাইন তা প্রত্যাখান জানালে মৃত্যুদন্ড প্রদান করেন। ২৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি তার মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়।
সময় পরিক্রমায় রোমান সাম্রাজ্যে খ্রিস্টান ধর্ম প্রতিষ্ঠা পায়। ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেন্টাইন’স স্মরণে ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে ‘সেন্ট ভ্যালেন্টাইন’ দিবস’ ঘোষণা করেন। প্রথম দিকের ঘটনাগুলিতে ভ্যালেন্টাইন নামক অসংখ্য শহীদ ছিলেন যারা বিভিন্ন কারণে শহীদ হয়েছিলেন।
ভ্যালেন্টাইন কারারক্ষীর যুবতী মেয়েকে ভালোবাসার কারণে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মগুরু পোপ গ্লসিয়াস ১৪ ফেব্রুয়ারিকে ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ ঘোষণা করেননি। পুরোহিতরা বিয়ে করেন না অথবা বলা যায় যে, তাদের বিয়ে করা বৈধতার মধ্যে পড়ে না। কিন্তু পুরোহিত হয়ে কোন মেয়ের প্রমে পড়া রীতিমতো অবৈধ কাজ। তবুও তিনি কারারক্ষী তনয়ার প্রেমে পড়ে যান। সেকারণে এই ভালবাসার দায়ে কারাদন্ড প্রাপ্ত হন। তবে সেই কথিত প্রেমের গল্পই কিন্তু ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুর মূল কারণ ছিলনা বরং ধর্মীয় কারণেই তার মৃত্যুদন্ডের মূল কারণ ছিল।
পশ্চিমা দেশগুলিতে বিভিন্ন দিবসকে ভোগের বিষয় হিসেবে গ্রহণ করার ফলে তারা বর্তমানে গির্জা অভ্যন্তরেও মদপান শুরু করে। সেজন্য ১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম ফ্রান্স সরকার এই দিবসটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এছাড়া ইংল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি এবং জার্মানিতেও বিভিন্ন সময় দিবসটি প্রত্যাখ্যাত হয়। পাকিস্তানেও এই দিবসটি পালন করা নিষিদ্ধ। তবে বর্তমানে এই দিবসটি পুনরায় বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করে। এ দিনটিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বিনিময় হয়। সেই সাথে প্রিয়জনদেরকে ফুল, কার্ড, চকলেট ইত্যাদি দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
পরিমার্জিত ডিপিএড (বিটিপিটি) উপমডিউল-৪.১: শিল্পকলা বিটিপিটি সামষ্টিক মূল্যায়নঃ শিল্পকলা বিষয়ের গুরত্বপূর্ণ প্রশ্নাবলি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন: বিস্তৃত…
বাংলা : প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ আলোচ্য বিষয়: পড়া/পঠন (Reading) বলতে কী বোঝায়?পড়ার অংশ কয়টি ও…
Very important for teachers and educators. Acronyms list: Used in teaching and learning (more…)
Co-curricular activities in child development শিশুর বিকাশে সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রম সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রমের ধারণা ও গুরুত্ব সহশিক্ষাক্রমিক…
Ways to develop teachers' professional skills পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের উপায় প্রশিক্ষণ পেশাগত উন্নয়নের অন্যতম মাধ্যম৷…
Individuality and intelligence of the child শিশুর ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য ও বুদ্ধিমত্তা এবং বুদ্ধিমত্তার ধরণ অনুযায়ী…
This website uses cookies.