M.Ed

মাধ্যমিক শিক্ষাক্রমের বৈশিষ্ট্য

Characteristics of the secondary curriculum

মাধ্যমিক শিক্ষাক্রমের বৈশিষ্ট্য:

  • জাতীয় ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং সমকালিন জীবনের চাহিদা বিবেচনা করে শিক্ষাক্রমের লক্ষ্য ও সাধারণ উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা হয়েছে;
  •  ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০১২’ এর লক্ষ্য হচ্ছে ৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশের মাধ্যমে মানবিক, সামাজিক ও নৈতিক গুণসম্পন্ন জ্ঞানী, দক্ষ, যুক্তিবাদী, সৃজনশীল দেশপ্রেমিক জনসম্পদে পরিণত করা;
  • ষষ্ঠ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার উদ্দেশ্য ও বিষয়ভিত্তিক শিখনফল ডিজাইনে বুদ্ধিবৃত্তীয়, মনোপেশীজ এবং আবেগীয়, শিখনের এই তিনটি ক্ষেত্রের মধ্যে সমন্বয় করা হয়েছে যা প্রতিটি অধ্যায়ের শুরুতে সংযোজন করা হয়েছে;
  • ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিকাশের মাধ্যমে দেশাত্মবোধ ও জাতীয় ঐক্য বিকাশের উপর গুরত্ব প্রদান করা হয়েছে;
  • মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশের উপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষাক্রমে জ্ঞান, দক্ষতা, সৃজনশীল ক্ষমতা, মূল্যবোধ বিকাশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে;
  • সাধারণ শিক্ষা ও মাদ্রাসা শিক্ষাধারাসহ সকল ধারার শিক্ষায় ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত একমুখী ও অভিন্ন  কোর বিষয়ের প্রর্বতন করা হয়েছে;
  • মাতৃভাষা বাংলা এবং আন্তর্জাতিক ভাষা ইংরেজি শিক্ষায় বিষয়বস্তু মুখস্থ করার পরিবর্তে শোনা, বলা, পড়া ও লেখা এ চারটি দক্ষতা শ্রেণিকক্ষে অনুশীলনের মাধ্যমে শেখার সুযোগ সৃষ্টি এবং অর্জিত দক্ষতা মূল্যায়নের পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়েছে;
  • ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি’ বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে;
  • নবম-দশম শ্রেণিতে ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়টি সংযোজন করা হয়েছে যা শিক্ষার্থীদের পেশা ও ক্যারিয়ার নির্বাচনে সাহায্যে করবে;
  • তাত্ত্বিক জ্ঞানের সাথে এর ব্যবহারিক কার্যক্রমের সমন্বয় করা হয়েছে।
  • ‘সামাজিক বিজ্ঞান’ বিষয়কে পরিমার্জিত রূপে ‘বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়’ নামে প্রবর্তন করা হয়েছে;
  • তাত্ত্বিকভাবে গাণিতিক সমস্যা সমাধানের যোগ্যতা অর্জনের সাথে সাথে গাণিতিক দক্ষতা প্রয়োগের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে;
  • বিজ্ঞান শিক্ষার প্রায়োগিক দিকের উপর গুরুত্ব দিয়ে বৈজ্ঞানিক যুক্তি প্রয়োগ ও বিজ্ঞানমনস্ক করার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে;
  • বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন এবং এর প্রভাব ও করণীয় সম্পর্কে যোগ্যতা অর্জনে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে;
  • শিক্ষার্থীর সৃজনশীল চিন্তাকে বাস্তবে রূপদানের উপর গুরুত্ব আরোপ করে চারু ও কারুকলা বিষয়কে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বাধ্যতামূলক এবং নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে রাখা হয়েছে;
  • যুগের একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে ঐচ্ছিক বিষয় হিসাবে নতুন বিষয়াদি সংযোজন করা হয়েছে;
  • পাবলিক পরীক্ষায় ‘সৃজনশীল প্রশ্ন’ প্রবর্তনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা।
  • বিশ্বায়নের চাহিদা অনুসারে মানবসম্পদ সৃষ্টির প্রয়াস;
  • বিদ্যালয়ের সাময়িক পরীক্ষার সংখ্যা ৩টি হতে কমিয়ে ২টি করা হয়েছে যার ফলে বিদ্যালয় পাঠকার্যক্রম পরিচালনায় কর্মদিবস বেশি পাচ্ছে।
proshikkhon

Recent Posts

বিটিপিটি শিল্পকলা বিষয়ের গুরত্বপূর্ণ প্রশ্নাবলি

পরিমার্জিত ডিপিএড (বিটিপিটি) উপমডিউল-৪.১: ‍শিল্পকলা বিটিপিটি সামষ্টিক মূল্যায়নঃ শিল্পকলা বিষয়ের গুরত্বপূর্ণ প্রশ্নাবলি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন: বিস্তৃত…

2 years ago

পড়তে শেখা ও পড়ে শেখা

বাংলা : প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ আলোচ্য বিষয়: পড়া/পঠন (Reading) বলতে কী বোঝায়?পড়ার অংশ কয়টি ও…

3 years ago

Acronyms list: Used in teaching and learning

Very important for teachers and educators. Acronyms list: Used in teaching and learning (more…)

3 years ago

শিশুর বিকাশে সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রম

Co-curricular activities in child development শিশুর বিকাশে সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রম সহশিক্ষাক্রমিক কার্যক্রমের ধারণা ও গুরুত্ব সহশিক্ষাক্রমিক…

3 years ago

শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের উপায়

Ways to develop teachers' professional skills পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের উপায় প্রশিক্ষণ পেশাগত উন্নয়নের অন্যতম মাধ্যম৷…

3 years ago

শিশুর ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য ও বুদ্ধিমত্তা

Individuality and intelligence of the child শিশুর ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য ও বুদ্ধিমত্তা এবং বুদ্ধিমত্তার ধরণ অনুযায়ী…

3 years ago

This website uses cookies.